;

টয়োটার প্রথম ই-হাইল্যান্ডার এক চার্জে যাবে ৫১৫ কিলো

টয়োটার প্রথম ই-হাইল্যান্ডার এক চার্জে যাবে ৫১৫ কিলো

ছবি সংগৃহীত

পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ও আধুনিক ডিজাইনের সমন্বয়ে নতুন বিদ্যুচ্চালিত এসইউভি উন্মোচন করেছে জাপানি গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টয়োটা। ‘২০২৭ ইলেকট্রিক হাইল্যান্ডার’ নামের এই মডেলটি একবার পূর্ণ চার্জে সর্বোচ্চ ৫১৫ কিলোমিটার চলতে সক্ষম বলে জানিয়েছে কোম্পানি।

এটি টয়োটার প্রথম ইলেকট্রিক হাইল্যান্ডার এবং যুক্তরাষ্ট্রে সংযোজিত তাদের প্রথম ইভি (ইলেকট্রিক ভেহিকেল) মডেল। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ‘সি-এইচআর ক্রসওভার’ ও ‘বি-জেড’ এসইউভি বিক্রি করছে।

ডিজাইনে নতুনত্ব

নতুন হাইল্যান্ডারের বাহ্যিক গঠনে আগের মডেলের ছাপ থাকলেও এতে যুক্ত হয়েছে আরও শার্প লুক ও চওড়া ফেন্ডার। গাড়ির বডির সঙ্গে মিশে থাকা ‘ফ্লাশ ডোর হ্যান্ডেল’ ব্যবহার করা হয়েছে, যা বাতাসের বাধা কমাতে সহায়ক।

ব্যাটারি ও রেঞ্জ

গাড়িটি একাধিক সংস্করণে বাজারে আসবে—লিমিটেড ও এক্সএলই (এক্সিকিউটিভ লাক্সারি এডিশন) গ্রেডে।

  • লিমিটেড অল-হুইল ড্রাইভ (৯৫.৮ কিলোওয়াট-আওয়ার ব্যাটারি): রেঞ্জ প্রায় ৫১৫ কিমি
  • এক্সএলই ফ্রন্ট-হুইল ড্রাইভ (৭৭ কিলোওয়াট-আওয়ার ব্যাটারি): রেঞ্জ প্রায় ৪৬০ কিমি
  • এক্সএলই অল-হুইল ড্রাইভ (৭৭ কিলোওয়াট-আওয়ার ব্যাটারি): রেঞ্জ প্রায় ৪৩৫ কিমি
  • এক্সএলই অল-হুইল ড্রাইভ (৯৫.৮ কিলোওয়াট-আওয়ার ব্যাটারি): রেঞ্জ প্রায় ৫১৫ কিমি

তবে চূড়ান্ত রেঞ্জ নির্ধারণে মার্কিন পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থা (ইপিএ)-এর পরীক্ষার ফলাফলের ওপর নির্ভর করতে হবে।

পারফরম্যান্স ও সুবিধা

অল-হুইল ড্রাইভ মডেলের সর্বোচ্চ শক্তি ৩৩৮ হর্সপাওয়ার এবং ফ্রন্ট-হুইল ড্রাইভ সংস্করণে ২২১ হর্সপাওয়ার পর্যন্ত সক্ষমতা রয়েছে।

সব সংস্করণেই সাতজন যাত্রীর বসার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তৃতীয় সারির আসন ভাঁজ করে মালামাল রাখার বাড়তি জায়গা তৈরি করা যাবে। সামনের সিটে হিটিং সুবিধা রয়েছে, আর অতিরিক্ত খরচে দ্বিতীয় সারিতেও হিটেড ও ভেন্টিলেটেড সিট যুক্ত করা যাবে।

কবে বাজারে?

টয়োটা জানিয়েছে, ২০২৬ সালের শেষ দিকে ‘২০২৭ ইলেকট্রিক হাইল্যান্ডার’ বিক্রি শুরু হবে। কিছু অঞ্চলে আগামী বছরের শুরুতেই এটি পাওয়া যেতে পারে। দাম ঘোষণা করা হবে বাজারে আসার সময়।