নবদেশ ডেস্ক
;
নবদেশ ডেস্ক
আপডেট : শনিবার ২১শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:০২ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ
ছবি সংগৃহীত
লেবাননের পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলে ইসরাইলের বিমান ও ড্রোন হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দেশটির সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর একজন কমান্ডারও রয়েছেন বলে জানা গেছে। সাম্প্রতিক এই হামলাগুলো লেবানন-ইসরাইল সীমান্তে নতুন করে উত্তেজনা ও সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি করেছে।
লেবাননের সরকারি সংবাদ সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ)-এর বরাতে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, পূর্বাঞ্চলের বেকা উপত্যকায় ইসরাইলি বিমান হামলায় প্রথমে ছয়জন নিহত এবং ২৫ জনের বেশি আহত হন। পরে হতাহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ১০ জন নিহত ও ৩০ জন আহত হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং ধ্বংসস্তূপে জীবিতদের খোঁজে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বেকা গভর্নরেটের রিয়াক শহরের একটি ভবন লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়। ইসরাইলি সেনাবাহিনীর দাবি, তারা বালবেক এলাকায় হিজবুল্লাহর একটি ‘কমান্ড সেন্টার’ লক্ষ্য করে এই হামলা চালিয়েছে। তবে হিজবুল্লাহর একটি সূত্র এএফপি (AFP)-কে জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে তাদের একজন সামরিক নেতা রয়েছেন।
এর আগে শুক্রবার দক্ষিণ লেবাননের সাইদন শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত আইন আল-হিলওয়ে শরণার্থী শিবিরেও একটি ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ওই হামলায় অন্তত দু’জন নিহত হয়েছেন। এনএনএ জানিয়েছে, শিবিরের হিত্তিন এলাকায় একটি ভবন লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়, যাতে ভবনটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ইসরাইলি বাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা ‘বারবার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন’র জবাবে হামাসের একটি কমান্ড সেন্টারে আঘাত হেনেছে। তবে হামাস এই হামলার নিন্দা জানিয়ে দাবি করেছে, এতে বেসামরিক লোকজন হতাহত হয়েছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক এসব হামলা লেবানন-ইসরাইল সীমান্তে চলমান উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং পুরো অঞ্চলে নতুন করে অস্থিরতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।