নবদেশ ডেস্ক
;
নবদেশ ডেস্ক
আপডেট : শনিবার ১৮ই এপ্রিল ২০২৬, ০৯:০৪ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ
ছবি: সংগৃহীত
ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় এক পুলিশ কর্মকর্তাকে ঘিরে চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। পরকীয়ার অভিযোগে স্থানীয়দের গণপিটুনির শিকার হয়েছেন মো. ইমরান হাসান (৪০), যিনি পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) হিসেবে কর্মরত।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) গভীর রাতে, প্রায় ৩টার দিকে রামকান্তপুর ইউনিয়নের বলিভদ্রদিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি সালথা থানায় কর্মরত ছিলেন এবং ওই ইউনিয়নের সহকারী বিট কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
স্থানীয়দের দাবি, মাদক মামলার এক আসামির স্ত্রীর ঘরে তাকে সন্দেহজনক অবস্থায় আটক করা হয়। এরপর উত্তেজিত এলাকাবাসী তাকে মারধর করে পুলিশে সোপর্দ করে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে ওই পুলিশ কর্মকর্তা দাবি করেন, তিনি আসামি ধরতে সেখানে গিয়েছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বলিভদ্রদিয়া গ্রামের বাসিন্দা মো. মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একাধিক মামলা রয়েছে। সেই সূত্রে এএসআই ইমরান নিয়মিত তার বাড়িতে যাতায়াত করতেন। তবে মেহেদী হাসানের পরিবারের অভিযোগ, এই যাতায়াতের মধ্য দিয়েই তার স্ত্রীর সঙ্গে ইমরানের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
মেহেদী হাসানের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি আগে থেকেই কিছু অডিও ও ভিডিও প্রমাণ সংগ্রহ করেছিলেন। শুক্রবার গভীর রাতে ইমরান তাদের ঘরে প্রবেশ করলে স্থানীয়রা তাকে হাতেনাতে আটক করে গণপিটুনি দেয়।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত এএসআই ইমরান হাসান দাবি করেছেন, তিনি ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ধরতেই সেখানে গিয়েছিলেন। তবে রাতের বেলা সাদা পোশাকে একা অভিযানে যাওয়ার বিষয়ে তিনি সন্তোষজনক কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান জানিয়েছেন, আসামি ধরতে গেলে স্থানীয়রা তাকে আটক করে মারধর করে। পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।