;

নাসিরকে ওভার দেওয়া নিয়ে মিঠুন, আমার জীবনের অন্যতম বড় ভুল

নাসিরকে ওভার দেওয়া নিয়ে মিঠুন, আমার জীবনের অন্যতম বড় ভুল

ছবি সংগৃহীত

সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষে ম্যাচের ১৮তম ওভার পর্যন্ত লড়াইয়ে ছিল ঢাকা ক্যাপিটালস। ১৮ ওভার শেষে সিলেটের সংগ্রহ ছিল ১৩৫ রান। তখনো ঢাকার হাতে ছিল তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ওভার—তাসকিন আহমেদ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও জিয়াউর রহমানের এক ওভার করে বাকি।

কিন্তু সবাইকে চমকে দিয়ে ১৯তম ওভারে বল তুলে দেওয়া হয় অফস্পিনার নাসির হোসেনের হাতে। আগের তিন ওভারে মাত্র ৭ রান দিয়ে ১টি মেডেন ও ১ উইকেট নেওয়া নাসিরের ওপর আস্থা রাখেন অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন। তবে সেই সিদ্ধান্তই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।

১৯তম ওভারে নাসিরকে ভয়ংকরভাবে আক্রমণ করেন সিলেটের ইংলিশ অলরাউন্ডার মঈন আলী। ওই ওভারে তিনটি ছক্কা ও দুটি চারের সাহায্যে নেন ২৮ রান। ফলে ১৮ ওভারে ১৩৫ রান থেকে শেষ পর্যন্ত সিলেট টাইটান্সের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৮০ রানে।

১৮১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ পর্যন্ত ২০ রানে হারে ঢাকা ক্যাপিটালস।

ম্যাচ শেষে হারের দায় নিজের কাঁধে তুলে নেন অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন। কোনো রাখঢাক না রেখেই তিনি বলেন, “নাসিরকে ১৯তম ওভারে আনা আমার জীবনের অন্যতম বড় ভুল। এর আগে সে ৩ ওভারে মাত্র ৭ রান দিয়েছিল। মঈন ভাই উইকেটে আসার পর আমি ভেবেছিলাম বল গ্রিপ করবে বা নাসির তাকে আটকাতে পারবে। সফল হলে ভালো হতো, কিন্তু ওই সময় অন্য অপশন কাজে লাগানো উচিত ছিল। এটা পুরোপুরি আমার ভুল।”

১৮১ রানের লক্ষ্য তাড়া করার সামর্থ্য ছিল কি না—এমন প্রশ্নে মিঠুন বলেন, “যেভাবে শুরু হয়েছিল, ১৮০ রান তাড়া করার মতো অবস্থাই ছিল। কিন্তু মাঝের ওভারে ওরা খুব ভালো বল করেছে। উইকেটকে প্ল্যান অনুযায়ী ব্যবহার করেছে। শিশির পড়ার পর যেভাবে বল ব্যাটে আসে, আজ ১৫তম ওভারে মঈন আলী আসার পর উল্টো বড় টার্ন করছিল। রানটা বেশি হয়ে গেছে। ১৮০ হওয়া উচিত ছিল না।”

ঢাকার ব্যাটিং ব্যর্থতার কথাও স্বীকার করেন অধিনায়ক। রহমানুল্লাহ গুরবাজ ফিফটি পেলেও অন্য ব্যাটসম্যানরা দায়িত্ব নিতে ব্যর্থ হন। দলীয় পারফরম্যান্স নিয়ে মিঠুন বলেন, “একটা ম্যাচ ছাড়া প্রায় সব ম্যাচেই আমরা লড়াই করেছি। কিন্তু শেষের ওভারগুলোতে ছোট ছোট ভুল হচ্ছে। যেখানে ১৪০-এ আটকানোর কথা, সেখানে ১৬০ হয়ে যাচ্ছে। ডেথ ওভার নিয়ে আমরা বোলারদের সঙ্গে কথা বলছি। ক্লিয়ার মাইন্ড ও এক্সিকিউশন খুব জরুরি। এই ছোট ভুলগুলো না হলে আমরা আরও ভালো জায়গায় থাকতাম।”