নবদেশ ডেস্ক
;
নবদেশ ডেস্ক
আপডেট : মঙ্গলবার ১০ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:০২ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ
ছবি সংগৃহীত
প্রধান উপদেষ্টাসহ অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা, সমমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তি এবং তাঁদের স্ত্রী-স্বামীর সম্পদ বিবরণী প্রকাশ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর জারি করা নির্দেশনা অনুযায়ী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা ও সমমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিবর্গ এবং তাঁদের স্ত্রী-স্বামীর ৩০ জুন ২০২৪ ও ৩০ জুন ২০২৫ তারিখ পর্যন্ত সম্পদ বিবরণী প্রকাশ করা হয়েছে।
যদিও সম্পদের হিসাব প্রকাশ করা হয়েছে এক অর্থবছর (জুলাই ২০২৪–জুন ২০২৫) ভিত্তিতে, তবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের আগস্টে দায়িত্ব নেওয়া উপদেষ্টা পরিষদের মেয়াদ এখনো চলমান রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর তাঁরা দায়িত্ব হস্তান্তর করবেন।
প্রকাশিত বিবরণী অনুযায়ী, নির্বাচিত এক বছরে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৬১ লাখ টাকা বেড়েছে। তবে একই সময়ে তাঁর স্ত্রী ড. আফরোজী ইউনূসের সম্পদের পরিমাণ কমেছে প্রায় ৮৪ লাখ টাকা।
প্রধান উপদেষ্টা জানিয়েছেন, সঞ্চয়পত্র নগদায়ন, সঞ্চয়ী ও মেয়াদি আমানতে বৃদ্ধি এবং উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত শেয়ারের কারণে তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ বেড়েছে।
বিবরণী অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের আর্থিক সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৪ কোটি ৭৬ লাখ টাকার কিছু বেশি, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ১ কোটি ৫৮ লাখ টাকা বেশি। এ সময় তাঁর নন-ফাইন্যান্সিয়াল সম্পদ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১ লাখ ৬ হাজার টাকা।
এ ছাড়া দেশের বাইরে অবস্থিত তাঁর পরিসম্পদের পরিমাণ বেড়ে হয়েছে ৬৪ লাখ ৭৩ হাজার টাকা। প্রকাশিত বিবরণীতে দেখা গেছে, প্রধান উপদেষ্টার বাইরে দেশের বাইরে সম্পদ রয়েছে কেবল তাঁর বিশেষ সহকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানের।
বিবরণীতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, প্রধান উপদেষ্টার কোনো ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক দায় নেই এবং নির্বাচিত সময়ে নতুন করে কোনো দায় যুক্ত হয়নি।
অন্যদিকে, তাঁর স্ত্রী ড. আফরোজী ইউনূসের আর্থিক সম্পদ কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৯০ লাখ ৯০ হাজার টাকা। তবে তাঁর নন-ফাইন্যান্সিয়াল সম্পদ প্রায় ৭ লাখ টাকা বেড়ে ২০২৫ সালের জুনে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ২৩ লাখ টাকা। এ সময় তাঁর ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক দায় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ লাখ ৯৬ হাজার টাকা।