নবদেশ ডেস্ক
;
নবদেশ ডেস্ক
আপডেট : সোমবার ৯ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:০২ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ
ছবি সংগৃহীত
সকালে চোখ খোলার পর শরীরের প্রথম যে জিনিসের দরকার, তা হল জল। তাই চোখ খুলেই এক গ্লাস জল খাওয়ার অভ্যাস রপ্ত করলে ভাল। স্বাস্থ্যে এর একাধিক প্রভাব রয়েছে।
ঘুম থেকে ওঠার পর শরীরে জলের ঘাটতি থাকে। সারা রাত শ্বাসপ্রশ্বাস আর ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে জল বেরিয়ে যায়। তাই সকালে চোখ খোলার পর শরীরের প্রথম যে জিনিসের দরকার, তা হল জল। তাই চোখ খুলেই এক গ্লাস জল খাওয়ার অভ্যাস রপ্ত করা ভাল। তাতে শরীর ধীরে ধীরে সতেজ হবে, এবং সারা দিনের জন্য প্রস্তুত করবে নিজেকে। কলকাতার পুষ্টিবিদ অনন্যা ভৌমিক বলছেন, ‘‘৭-৮ ঘণ্টা ঘুমের পর, শরীর শুষ্ক হয়ে যায়। সকালে চোখ খোলার পরেই পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খেলে দেহের তরলের পরিমাণ স্বাভাবিক অবস্থায় আসে। এর ফলে ব্রেন ফগের সমস্যা কমে। ছোটদের ক্ষেত্রে স্কুলে যাওয়ার আগেই মনোযোগের ক্ষমতা বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়।’’
ঘুম থেকে ওঠার পর শরীরে জলের ঘাটতি থাকে। সারা রাত শ্বাসপ্রশ্বাস আর ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে জল বেরিয়ে যায়। তাই সকালে চোখ খোলার পর শরীরের প্রথম যে জিনিসের দরকার, তা হল জল। তাই চোখ খুলেই এক গ্লাস জল খাওয়ার অভ্যাস রপ্ত করা ভাল। তাতে শরীর ধীরে ধীরে সতেজ হবে, এবং সারা দিনের জন্য প্রস্তুত করবে নিজেকে। কলকাতার পুষ্টিবিদ অনন্যা ভৌমিক বলছেন, ‘‘৭-৮ ঘণ্টা ঘুমের পর, শরীর শুষ্ক হয়ে যায়। সকালে চোখ খোলার পরেই পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খেলে দেহের তরলের পরিমাণ স্বাভাবিক অবস্থায় আসে। এর ফলে ব্রেন ফগের সমস্যা কমে। ছোটদের ক্ষেত্রে স্কুলে যাওয়ার আগেই মনোযোগের ক্ষমতা বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়।’’
সকালে জল খাওয়ার উপকারিতা
শরীরের ঘাটতি পূরণ করে: রাতে শরীর থেকে জল বেরিয়ে যাওয়ার পর সকালে সেই ঘাটতি পূরণ করে। এতে শরীর আবার স্বাভাবিক ছন্দে ফিরে আসে এবং কাজ করতে সুবিধা হয়।
হজমক্রিয়ায় সাহায্য করে: সকালে জল খেলে অন্ত্রে তরঙ্গের মতো চলন শুরু হয়। ফলে দিনের খাবার সহজে হজম হয় এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমে। পরবর্তী এক ঘণ্টার জন্য বিপাকীয় হার প্রায় ২৫-৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পায়।
শরীর থেকে দূষিত পদার্থ বার করে: রাতে শরীরের ভিতরে যে বর্জ্য জমে, সকালে জল খেলে তা সহজে বেরোতে পারে। এতে কিডনি আর লিভারের কাজও সহজ হয়।
মন ও শরীর সতেজ হয়: জল খেলে মাথা হালকা লাগে, ঝিমুনি কাটে, মনোযোগ বাড়ে এবং দিনের শুরুটা ভাল হয়।
ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক: সকালে জল খেলে অকারণে খিদে পাওয়ার প্রবণতা কমে। ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।
অন্ত্রের কাজ উন্নত হয়: যে অন্ত্র জলশূন্যতায় ভুগছে না, তা ভাল কাজ করতে পারে। প্রাতরাশের আগে জল খেলে ক্ষুদ্রান্ত্রের ভিতরের আস্তরণ প্রস্তুত হয়। এর ফলে খাবার থেকে পুষ্টিগুণ শোষণের ক্ষমতা বেড়ে যায় অন্ত্রের।
কতটা জল খাওয়া ভাল
ঘুম থেকে উঠে ১-২ গ্লাস জল খেলেই হয়। খুব ঠান্ডা জল নয়, আবার খুব গরমও নয়। স্বাভাবিক তাপমাত্রার বা সামান্য উষ্ণ জল শরীর সহজে গ্রহণ করতে পারে।