নবদেশ ডেস্ক
;
নবদেশ ডেস্ক
আপডেট : শনিবার ২২শে মার্চ ২০২৫, ১১:০৩ পূর্বাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ
ছবি: সংগৃহীত
বর্তমান সময়ে হৃদরোগ শুধু বয়স্কদের নয়, তরুণদের মধ্যেও বাড়ছে। বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে হার্টের ভালভজনিত সমস্যায় আক্রান্তের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। তাই সুস্থ থাকতে হলে এখন থেকেই সচেতন হওয়া জরুরি।
ভালভ কী এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ?
আমাদের হৃদপিণ্ডে রয়েছে ৪টি ভালভ, যা রক্তকে সঠিক পথে চলতে সাহায্য করে। এগুলো এক ধরনের দরজার মতো কাজ করে—খুলে রক্ত যেতে দেয়, আবার বন্ধ হয়ে রক্তকে ফিরে আসা থেকে বাধা দেয়। এই স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটলেই তৈরি হয় ভালভুলার রোগ।
কোন ধরনের সমস্যা হতে পারে?
ভালভের প্রধান দুই ধরনের সমস্যা দেখা যায়—
যেসব লক্ষণে সতর্ক হবেন
অনেক সময় এই রোগ নীরবে শরীরে বাসা বাঁধে। তবে কিছু ক্ষেত্রে—
কেন হয় এই সমস্যা?
জীবনযাপন ও শারীরিক নানা কারণে ভালভের সমস্যা দেখা দিতে পারে, যেমন—
ভালভের সমস্যা অনেকটাই প্রতিরোধ করা সম্ভব সঠিক জীবনযাপনের মাধ্যমে—
✔ কম লবণযুক্ত ও স্বাস্থ্যকর খাবার খান
✔ নিয়মিত ব্যায়াম করুন (প্রতিদিন অন্তত ৩০–৪৫ মিনিট)
✔ ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন
✔ ধূমপান ও অ্যালকোহল থেকে দূরে থাকুন
✔ মানসিক চাপ কমান—ধ্যান বা যোগব্যায়াম করতে পারেন
✔ অতিরিক্ত মোবাইল ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার কমান
ছোট কিছু অভ্যাস, বড় সুরক্ষা
দাঁত ও মুখের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ভালভের সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে। বাতজ্বর হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নিতে হবে।
নিয়মিত চেকআপ—সুস্থ থাকার চাবিকাঠি
হার্ট ভালো রাখতে নিয়মিত রক্তচাপ, কোলেস্টেরল পরীক্ষা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী হার্ট চেকআপ করানো খুবই জরুরি। এতে রোগ শুরুতেই ধরা পড়ে এবং জটিলতা এড়ানো যায়।