নবদেশ ডেস্ক
;
নবদেশ ডেস্ক
আপডেট : মঙ্গলবার ৩১শে মার্চ ২০২৬, ০৫:০৩ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ
ছবি: সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের মধ্যেই স্পেন ঘোষণা করেছে, ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত কোনো অভিযানে অংশ নেওয়া বিমানই তাদের আকাশসীমা ব্যবহার করতে পারবে না। এতে যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সসহ অন্যান্য ন্যাটো দেশের বিমানও অন্তর্ভুক্ত।
স্পেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্গারিতা রোব্লেস সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, একতরফাভাবে এবং আন্তর্জাতিক আইনের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া কোনো যুদ্ধে স্পেন অংশ নেবে না এবং কোনো সহযোগিতা করবে না। প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজও একই সুরে মার্কিন-ইসরায়েলি অভিযানকে “অবৈধ, বেপরোয়া ও অন্যায় যুদ্ধ” হিসেবে অভিহিত করেছেন।
স্প্যানিশ গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, প্রায় পনেরোটি মার্কিন কেসি-১৩৫ ট্যাঙ্কার বিমান ফ্রান্স ও জার্মানির ঘাঁটিতে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। স্পেনের আকাশসীমা ব্যবহার করতে না পারায় যুক্তরাজ্যের ফেয়ারফোর্ড ঘাঁতি থেকে পরিচালিত দীর্ঘপাল্লার বি-৫২ ও বি-১ বোমারু বিমানগুলোকে এখন দীর্ঘ পথ ঘুরে যেতে হচ্ছে। এতে অভিযানের কার্যকারিতা কমেছে এবং জ্বালানি ও অস্ত্র বহনের সমন্বয় আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
ইরানের বিরুদ্ধে অভিযানের ক্ষেত্রে স্পেনের এই অবস্থানই ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সবচেয়ে সরব। দেশটি ইতিমধ্যে ইসরায়েল থেকে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করেছে এবং কূটনৈতিক সম্পর্কও নিম্নস্তরে নামিয়েছে। স্পেনের প্রধানমন্ত্রী সানচেজ বারবার সংঘাত বন্ধের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, এটি ইরাক যুদ্ধের চেয়েও অনেক ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পেনের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন এবং বাণিজ্যিক পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। তবে স্পেন জানিয়েছে, ন্যাটো ও ইউরোপীয় নিরাপত্তা সহযোগিতা বজায় রাখার বিষয়ে তারা অটল। এছাড়া ইউরোপে অবস্থানরত প্রায় আশি হাজার মার্কিন সেনার জন্য লজিস্টিক ও সহায়তার কাজ চালানোর ক্ষেত্রে মার্কিন সামরিক বিমান স্পেনের সুবিধা ব্যবহার করতে পারবে।
সূত্র: আরটি