নবদেশ ডেস্ক
;
নবদেশ ডেস্ক
আপডেট : রবিবার ৮ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:০২ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ
ছবি সংগৃহীত
কোরিয়ানদের ত্বকচর্চার বিশেষ নিয়ম, ‘স্লাগিং’ হয়ে উঠতে পারে রাতের রুটিনের মুখ্য অংশ। বিশেষ করে শীতের সময়ে ঠোঁটের বাড়তি যত্ন নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে। তাই এই পদ্ধতিতে ওষ্ঠাধরকে সুরক্ষা দিতে পারেন।
প্রেমপ্রস্তাব দেওয়া থেকে রূপচর্চা— কোরিয়ার প্রভাব এখন বিশ্বব্যাপী। কোরিয়ানদের মতো চকচকে, উজ্জ্বল ত্বকের আশায় পার্লার থেকে সালোঁয় ঘুরছেন? তা হলে সহজতম ত্বকচর্চার নিয়মটি অনুসরণ করতে পারেন। নামীদামি প্রসাধনীর প্রয়োজন নেই। কেবল একটি উপকরণ দিয়েই ত্বকের ক্লান্তি, শুষ্কতা, রুক্ষতা দূর করা যায়। কোরিয়ানদের ত্বকচর্চার বিশেষ নিয়মটির নামকরণ হয়েছে, ‘স্লাগিং’। সেটিই হয়ে উঠতে পারে আপনার রাতের রুটিনের মুখ্য অংশ। বিশেষ করে শীতের সময়ে ঠোঁটের বাড়তি যত্ন নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে। তাই এই পদ্ধতিতে ওষ্ঠাধরকে সুরক্ষা দিতে পারেন।
‘স্লাগিং’ হল, রাতের রুটিনের শেষ ধাপ। এই পর্যায়ে পেট্রোলিয়াম-ভিত্তিক প্রসাধনী ত্বকে মাখেন কোরিয়ানরা। এর একটি পুরু স্তর প্রয়োগ করা হয়, যাতে আর্দ্রতা বজায় থাকে, হাইড্রেট হয় এবং ত্বকের বাইরের আস্তরণ মেরামত করা যায়। ঠান্ডা ও শুষ্ক আবহাওয়ায় ত্বকের রুক্ষতা দূর করার জন্য এই ধাপটিকে আদর্শ বলে মনে করেন অন্যান্য দেশের রূপ সচেতন ব্যক্তিরাও।
এই প্রথায় আধুনিক কোরিয়ান রূপচর্চার সঙ্গে সাবেক নীতিকে মিলিয়ে দেওয়া যেতে পারে। পেট্রোলিয়াম জেলি তেলচিটে মনে হলে স্লাগিংয়ের জন্য হেঁশেলের ভরসা ঘিকে বেছে নিতে পারেন। ঠোঁটে মেখে দেখে নিতে পারেন আপনার জন্য উপযুক্ত কি না।
রাতের রুটিনে ঘি কী ভাবে ত্বকের উপকার করবে?
শরীরের অন্য অংশের মতো তেল নিঃসরণকারী গ্রন্থি নেই ঠোঁটে। ফলে ঠান্ডা বাতাস আর শুষ্ক পরিবেশে ঠোঁট দ্রুত আর্দ্রতা হারায়। ফলে চামড়ার উপরের স্তর ফেটে যায় এবং ব্যথা শুরু হয়। এখানেই কাজ করবে দেশি ঘি। ঘি মূলত চর্বিজাত পদার্থ, যা ঠোঁটের উপর একটি পাতলা আবরণ তৈরি করে। এই আবরণটি ঠোঁটের ভিতরের জল বাইরে বেরোতে দেয় না। ফলে আর্দ্রতা আটকে থাকে এবং ফাটা ঠোঁট ধীরে ধীরে সেরে ওঠে। ঘিয়ের ফ্যাটি অ্যাসিড ঠোঁটের ক্ষতিগ্রস্ত কোষের মাঝে ঢুকে চামড়ার স্তরগুলি মেরামত করতে সাহায্য করে। এর ফলে ঠোঁট শুধু উপর থেকে নরম হয় না, ভিতর থেকেও সুস্থ হতে শুরু করে। শীতে যে ছোট ছোট ফাটল তৈরি হয়, সেগুলি বন্ধ হতে থাকে। ঘি ঠোঁটের উপর আর্দ্রতা ধরে রাখার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত ত্বক সারাতেও সাহায্য করে।
কী ভাবে ঘি মাখা উচিত ঠোঁটে?
প্রথমে অল্প একটু জল নিয়ে ঠোঁটে বুলিয়ে নিন, তার পর তার উপর ঘি মেখে নিন। খুব বেশি ঘষার দরকার পড়ে না। অল্প একটু জল দিলে সেই আর্দ্রতা ধরে রাখবে ঘিয়ের পুরু স্তর।