;

প্রয়োজনে ইসি পুনর্গঠন করে দেরিতে নির্বাচন: এনসিপি মুখপাত্র

প্রয়োজনে ইসি পুনর্গঠন করে দেরিতে নির্বাচন: এনসিপি মুখপাত্র

ছবি সংগৃহীত

নির্বাচন কমিশন (ইসি) ব্যর্থতার প্রমাণ দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। শনিবার রাতে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপি কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সংবাদ সম্মেলনে আসিফ মাহমুদ বলেন, নির্বাচন কমিশন যদি নিজেদের সংশোধন না করে, তবে প্রয়োজনে কমিশন পুনর্গঠন করে দেরিতে নির্বাচন আয়োজন করা হবে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কোনো বিদেশি নাগরিক কিংবা ঋণখেলাপিকে নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হবে না।

তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নির্বাচন কমিশন যদি কোনোভাবে দ্বৈত নাগরিকদের বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে এনসিপি আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি রাজপথেও অবস্থান নেবে। তার অভিযোগ, কমিশন বিএনপিকে অন্যায্য সুযোগ দিচ্ছে এবং কমিশনের সামনেই অভিযোগকারীরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। প্রার্থী ও তাঁদের কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও নির্বাচন কমিশন ব্যর্থ হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

উল্লেখ্য, এর আগে শনিবার দুপুরে নির্বাচন কমিশনের আপিল শুনানিতে এনসিপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ ও বিএনপি নেতা আব্দুল আউয়াল মিন্টুর আইনজীবীদের মধ্যে হট্টগোলের ঘটনা ঘটে। হাসনাত আব্দুল্লাহ অভিযোগ করেন, শুনানিকালে আব্দুল আউয়াল মিন্টু তাঁকে ও তাঁর আইনজীবীকে ‘ব্লাডি সিটিজেন’ বলে গালিগালাজ করেন এবং আক্রমণাত্মক আচরণ করেন। পরে তাবিথ আউয়াল তাঁর বাবাকে কমিশন কক্ষ থেকে সরিয়ে নিয়ে যান।

ঘটনার পর হাসনাত আব্দুল্লাহ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ছাত্র-জনতার রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে যাঁরা ব্যবসা করেছেন এবং এখন নিরাপদ প্রস্থান খুঁজছেন, তাঁদের চব্বিশ-পরবর্তী বাংলাদেশে দেখতে চান না তিনি। ইসির সামনে যেভাবে মানুষকে অপমান করা হয়েছে, তা অগ্রহণযোগ্য বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর ভাষায়, কমিশনের ভূমিকা এখন অনেকটা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরদের মতো, যারা অভিযোগ পেলে শুধু লিখিত অভিযোগ দিতে বলেন।

এ ঘটনায় এনসিপির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক রুলিং চাওয়া হলেও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কোনো স্পষ্ট সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়নি বলে জানানো হয়।