;

এলজিএফ-এর ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে “এক বেলা আহার ও নৈতিক শিক্ষা” কার্যক্রমে শিশুদের জন্য উৎসবমুখর দিন

এলজিএফ-এর ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে “এক বেলা আহার ও নৈতিক শিক্ষা” কার্যক্রমে শিশুদের জন্য উৎসবমুখর দিন

ছবি সংগৃহীত

এলজিএফ-এর ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে “এক বেলা আহার ও নৈতিক শিক্ষা” কার্যক্রমে শিশুদের জন্য উৎসবমুখর দিন।

লেটস গো-অন ফাউন্ডেশন (এলজিএফ) তার ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছে। “দেশ আমার, দায়িত্বও আমার” শ্লোগানকে সামনে রেখে সংগঠনটি দেশের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য “এক বেলা আহার ও নৈতিক শিক্ষা” প্রকল্পের আওতায় বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। অনুষ্ঠানে শিশুদের মধ্যে নৈতিক শিক্ষা, দেশপ্রেম, স্বাস্থ্য সচেতনতা এবং মূল্যবোধ সৃষ্টির লক্ষ্যে নানা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।

গত ১৫ বছর ধরে দেশের সামাজিক ও মানবিক উন্নয়নে নিবেদিত এই সংস্থা, দেশের প্রতিটি প্রান্তে নৈতিক শিক্ষা, পুষ্টিকর খাবার বিতরণ এবং সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ইতিবাচক পরিবর্তন আনছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে, শিশুদের মুখে হাসি ফুটিয়ে, শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসাহ জাগিয়ে এবং স্বেচ্ছাসেবীদের উদ্দীপনা আরও বৃদ্ধি করতে এই কর্মসূচি বিশেষভাবে পরিকল্পিত হয়।

এলজিএফ-এর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ ইয়ুথ ক্লাব (বিওআইসি), যা তরুণদের নেতৃত্ব, দক্ষতা এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে দেশের স্বাবলম্বী ও দায়িত্ববান নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য প্রতিষ্ঠিত স্বপ্ন স্কুল, যেটি শিশুদের নিরাপদ ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করে তাদের ভবিষ্যত গড়ে তুলছে। বন্ধন প্রকল্পের মাধ্যমে রক্তদানের মাধ্যমে মানুষের জীবন রক্ষা এবং এলজিএফ ইন্সটিটিউটশন ওফ ইন্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (লিট) কর্তৃক কারিগরি শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে যুব সমাজকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। এছাড়া, এলজিএফ হেল্থ কেয়ার প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

এলজিএফ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সদস্যদের বক্তব্য অনুযায়ী, শুধু নিজেকে বদলানোই যথেষ্ট নয়; সমাজ ও দেশের উন্নয়নে সবাইকে একসাথে এগিয়ে আসতে হবে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই অনুষ্ঠানে শিশুদের উল্লাস, শিক্ষার্থীদের উদ্দীপনা এবং স্বেচ্ছাসেবীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানের মুখ্য আকর্ষণ ছিল।

এলজিএফ-এর পক্ষ থেকে সবাইকে আহ্বান জানানো হয়েছে—হাতে হাত ধরে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য এবং প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশকে উন্নয়নের পথে স্থিতিশীল করতে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার জন্য।

দেশ আমার, দায়িত্বও আমার।