বেতন বাড়ানো, পদোন্নতি, নতুন পদ সৃজন, গাড়ি কেনার সুযোগসহ সরকারি কর্মচারীদের জন্য নানান সুবিধা দিয়েছে সরকার। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এ ধরনের সুযোগে প্রশাসনের একটি অংশ খুশি হলেও কারও কারও মধ্যে অসন্তোষ রয়ে গেছে।

তারা বলছেন, সরকার গাড়ি কেনার সুযোগ দিলেও যেসব দপ্তরের প্রকৃতই গাড়ি দরকার তারাই হয়তো পাবে না। এমন ব্যক্তিরা গাড়ি পেতে পারেন, যাদের এখনো গাড়ি আছে। প্রকৃতপক্ষে তাদের নতুন গাড়ির দরকার নেই।

তারা আরও বলছেন, বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও অনেক সরকারি কর্মকর্তা বিদেশ ভ্রমণে যাচ্ছেন। যাদের আসলে বিদেশ যাওয়া জরুরি নয়। কিন্তু একজন কর্মকর্তা চিকিৎসার জন্য বিদেশ যেতে চাইলে নানান বিড়ম্বনা। ফলে জরুরি হওয়ার পরও অনেকে বিদেশ যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না।

এদিকে বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকারের নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অসামঞ্জস্য রয়েছে। সরকার নীতি নির্ধারণ করে এক রকম। আর কার্যক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত হয় অন্য রকম। সরকারের নতুন গাড়ি কেনাসহ কিছু সিদ্ধান্তের বিষয়ে নীতিগত দিক থেকে গ্রহণযোগ্যতার প্রশ্নও আছে।

বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগেও জাতীয় নির্বাচনের আগে সরকারি কর্মকর্তাদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এবারও তার কিছুটা প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। এরই মধ্যে বেশ কিছু সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়েছে। হয়তো সামনে আরও সুযোগ-সুবিধা আসতে পারে। এর মাধ্যমে ক্ষমতাসীন দল সরকারি কর্মচারীদের নিজেদের অনুকূলে রাখার চেষ্টা করে।

তারা বলছেন, জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হলে সরকারের প্রশাসনিক তেমন ক্ষমতা থাকে না। নির্বাচন কমিশন নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্ব পালন করে। আর নির্বাচন কমিশনের অধীনে তা বাস্তবায়ন করেন বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মচারীরা। প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচন পরিচালনার কাজ করে। এসব কারণে নির্বাচনের আগে যাদের মাধ্যমে নির্বাচনের কার্যক্রম পরিচালিত হয়, তাদের সন্তুষ্ট রাখার চেষ্টা করে ক্ষমতাসীনরা।

এর অংশ হিসেবে সম্প্রতি সরকারি কর্মচারীদের বেতন বাড়ানো হয়েছে। ডিসি-ইউএনওদের জন্য গাড়ি কিনছে সরকার। পুলিশ কর্মকর্তাদের সুবিধা দিতে সৃষ্টি হচ্ছে পদ। কর্মকর্তাদের অপরাধ প্রমাণিত হলেও শাস্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে নমনীয়তা দেখানো হচ্ছে। আস্থাভাজনদের গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়নের চেষ্টাও আছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) হারুন অর রশিদ এবং রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) আজিজুল হকের ঘটনা নিয়ে সবাই এক ধরনের অস্বস্তির মধ্যে রয়েছেন। তাদের দুজনের কারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং প্রশাসনের সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়েছে। সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ পরিস্থিতিতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে বিরোধ ভালো লক্ষণ নয়।

তিনি বলেন, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একে অপরের পরিপূরক। দুই পক্ষের মধ্যে যাতে বিরোধ সৃষ্টি না হয়, সেদিকে নজর রেখেই বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে। তাই হয়তো তাদের দুজনের বিরুদ্ধে বড় ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া নাও হতে পারে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, সরকার বিদেশ ভ্রমণ নিষেধ করেছে। কিন্তু প্রয়োজন ছাড়াও কোনো কোনো সরকারি কর্মকর্তা সরকারি টাকায় বিদেশ ভ্রমণ করছেন। আবার একজনের চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার দরকার, তিনি যেতে পারছেন না। আসলে সবাই সমান সুযোগ পাচ্ছেন না। যারা পাচ্ছেন, বিভিন্নভাবে সুযোগ বাগিয়ে নিচ্ছেন।

তিনি বলেন, গাড়ি কেনার যে সুযোগ দেওয়া হয়েছে, সেখানে নানান প্রশ্ন আছে। দেখা যাবে, যে দপ্তরের বা কর্মকর্তার গাড়ি নেই বা গাড়ি খুবই জরুরি, তাকে গাড়ি দেওয়া হচ্ছে না। আবার যার গাড়ি আছে তিনিই নতুন করে গাড়ি পাচ্ছেন।

বেতন বাড়লো

চলতি অর্থবছর (২০২৩-২৪) থেকে সরকারি কর্মচারীদের বেতন ১০ শতাংশ বেড়েছে। গত ১ জুলাই থেকে মূল বেতনের ১০ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়। সরকারি কর্মচারীদের সাধারণভাবেই ৫ শতাংশ বার্ষিক বৃদ্ধির (ইনক্রিমেন্ট) বিষয়টি ছিল। এখন যোগ হয়েছে আরও ৫ শতাংশ। অর্থাৎ তাদের বেতন বেড়েছে ১০ শতাংশ। যাদের বেতন কম তাদের ক্ষেত্রে কমপক্ষে ১ হাজার টাকা বেতন বেড়েছে।

এই বাড়তি ৫ শতাংশের জন্য রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে বাড়তি ব্যয় হবে ৩ থেকে ৪ হাজার কোটি টাকা। সম্প্রতি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এক প্রজ্ঞাপনে জানিয়েছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন, বোনাস ও উৎসব ভাতা হবে করের আওতামুক্ত।

দামি গাড়ি কেনার সুযোগ

কৃচ্ছ্রসাধনের লক্ষ্যে সরকার গাড়ি না কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তবে সম্প্রতি সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য আবার গাড়ি কেনার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। এমনকি গাড়ির জন্য বরাদ্দ আগের থেকে বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে শীর্ষ কর্মকর্তারা সর্বোচ্চ ৯৪ লাখ টাকা দামের গাড়ি কিনতে পারতেন। এখন এই বাজেট বাড়িয়ে ১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা করা হয়েছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর ও পরিদপ্তরের গ্রেড ১ ও ২ পর্যায়ের কর্মকর্তারা এ গাড়ি কিনতে পারবেন। আর গ্রেড-৩ বা তারচেয়ে নিম্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের জন্য কেনা যাবে ৬৫ লাখ টাকা দামের গাড়ি। এতদিন তাদের ক্ষেত্রে ঊর্ধ্বসীমা ছিল ৫৭ লাখ টাকা।

সরকারের এই গাড়ি কেনার সিদ্ধান্তের মধ্যে কার, জিপ, পিকআপ, মোটরসাইকেল, মাইক্রোবাস, অ্যাম্বুলেন্স, কোস্টার/মিনিবাস (এসি), মিনিবাস (নন-এসি), বাস, ট্রাক রয়েছে। এরমধ্যে ৪৫ লাখ টাকা দিয়ে ১৬০০ সিসির কার, ৬৫ লাখ টাকা দিয়ে সর্বোচ্চ ২০০০ সিসির জিপ, ৩৮ লাখ টাকা দিয়ে সর্বোচ্চ ২৫০০ সিসির পিক-আপ (সিঙ্গেল কেবিন), ৫৫ লাখ টাকা দিয়ে ২৫০০ সিসির পিক-আপ (ডাবল কেবিন), ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা দিয়ে সর্বোচ্চ ১২৫ সিসির মোটরসাইকেল, ৫২ লাখ টাকা দিয়ে ২৭০০ সিসির মাইক্রোবাস, ৫৪ লাখ টাকা দিয়ে ২৭০০ সিসির অ্যাম্বুলেন্স, ৭৫ লাখ টাকা দিয়ে ৪২০০ সিসির কোস্টার/মিনিবাস (এসি), ৩২ লাখ টাকা দিয়ে ২৭৭১ সিসির মিনিবাস (নন-এসি), ৪৬ লাখ টাকা দিয়ে ৫৮৮৩ সিসির বাস (বড়, নন-এসি), ৩৯ লাখ টাকা দিয়ে ৫ টনের ট্রাক এবং ৩১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা দিয়ে ৩ টনের ট্রাক কেনা যাবে।

এদিকে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) নতুন গাড়ি দিতে চায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। ২৬১টি গাড়ি কেনার একটি প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের জন্য পাঠিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। জাতীয় নির্বাচনের সময় জেলা প্রশাসকরা রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং ইউএনওরা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন। নির্বাচনে তাদের দৌড়ঝাঁপ বাড়বে। সেজন্য নতুন গাড়ি চাওয়া হয়েছে।

গাড়ি কিনতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয় এবং ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরও। তিন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার পক্ষ থেকে মোট ২৭১টি গাড়ি কেনার প্রস্তাব সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনা করছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

পদোন্নতি-নতুন পদ সৃজন

চলতি মাসের শুরুর দিকে ২২১ কর্মকর্তাকে যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। পদ না থাকার পরও তাদের এই পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। পদোন্নতির জন্য ২২তম ব্যাচের ২৪৫ জন, ইকোনমিক ক্যাডার থেকে একীভূত হওয়া ৩৯ জন, আগে বঞ্চিত ১০০ কর্মকর্তাসহ পদোন্নতিযোগ্য কমপক্ষে ৪৫০ কর্মকর্তাকে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল। তাদের কর্মজীবনের সব নথি যাচাই-বাছাই শেষে পদোন্নতির জন্য সুপারিশকারী কর্তৃপক্ষ সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ড (এসএসবি) ২২১ জনের পদোন্নতির জন্য সুপারিশ করে। এরপর পদোন্নতির জন্য সারসংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়। প্রধানমন্ত্রী সারসংক্ষেপে সই করার পর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করে। এর আগে গত মে মাসে অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়। সামনে উপ-সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হতে পারে।

এদিকে সম্প্রতি পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ে ৫২৯টি সুপারনিউমারারি পদ সৃষ্টির প্রস্তাব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে জমা পড়েছে। এরমধ্যে অ্যাডিশনাল আইজি গ্রেড-১ পদমর্যাদার ১৫, একই পদে গ্রেড-২ পদমর্যাদার ৩৪, ডিআইজি ১৪০, অতিরিক্ত ডিআইজি ১৫০ এবং পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ১৯০টি পদের প্রস্তাব করা হয়েছে।

গ্রেফতারে লাগবে অনুমতি

গত ৯ জুলাই ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) আইন, ২০২৩’ এর গেজেট জারি করা হয়েছে। এ আইনের বিধান অনুযায়ী, স্বশাসিত সংস্থা, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত কর্মচারীদের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনের সঙ্গে সম্পর্কিত অভিযোগে করা ফৌজদারি মামলায় আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করার আগে তাকে গ্রেফতার করতে হলে সরকার বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে।

যোগাযোগ করা হলে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম  বলেন, সরকার নীতি নির্ধারণ করে এক রকম, আর কার্যক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত অন্য রকম। এটা অসামঞ্জস্যপূর্ণ ব্যাপার। গাড়ি কেনার বিষয়টি আমি খুব বড় বিষয় মনে করি না। কারণ গাড়ি কেনার জন্য যে খরচ হবে এটি খুব একটা বড় বিষয় নয়। তবে নীতিগত দিক থেকে এটার গ্রহণযোগ্যতার প্রশ্ন আছে।

তিনি বলেন, যারা ডেপুটি কমিশনার তাদের তো গাড়ি আছে অলরেডি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার, তাদেরও তো আমার মনে হয় গাড়ি আছে। তারপরও কী কারণে নতুন করে গাড়ি কিনতে হবে, সেটি আমার কাছে বোধগম্য নয়।

কোনো কোনো মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা অভিযোগ করছেন, গাড়ি কেনার সুযোগ দেওয়া হলেও সবাই এ সুযোগ নিতে পারবেন না। আবার বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও অপ্রয়োজনে সরকারি অনেক কর্মকর্তা বিদেশ যাচ্ছেন। এ বিষয়ে অভিমত জানতে চাইলে মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, সরকারের নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অসামঞ্জস্য রয়েছে। এ কারণে এটি হতে পারে।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সরকারি সুযোগ-সুবিধা যদি দেওয়া হয় সেটা বেতন-ভাতা থেকে শুরু করে গাড়ি কেনার সুবিধা বা অন্য কোনো সুবিধা বা বিদেশ যাওয়ার সুযোগ, এগুলো সবার জন্য সমান, এ দৃষ্টিভঙ্গি থেকে হতে হবে। সেটার যদি ব্যত্যয় ঘটে তাহলে এটা বৈষম্য হবে। যেটা সরকারি খাতে কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

তিনি বলেন, যদি কাউকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে বেশি দেওয়া হয় এবং কাউকে উদ্দেশ্যমূলকভবে বঞ্চিত করা হয়, তাহলে এটা প্রশাসনের মধ্যে এক ধরনের অস্বস্তি, অস্থিরতা এবং ক্ষোভের সৃষ্টি হবে। যেটা কোনো অবস্থায় গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। কর্ম উদ্দীপনা কমবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, নিষেধাজ্ঞা থাকলেও বিদেশ ভ্রমণ সমানে চলছে। বাংলাদেশ থেকে ফ্লাইটে সিট পাওয়া যায় না। তাহলে কারা যাচ্ছে? সরকার নতুন করে গাড়ি কেনার সুযোগও দিয়েছে। সরকার যা করছে শেষ পর্যন্ত তার ভার গিয়ে পড়ছে সাধারণ জনগণের ওপর। সরকার গাড়ি কেনার সুযোগ দিচ্ছে, সরকারের এক্সিকিউটিভরা বিমানের ফার্স্ট ক্লাসে টিকিট কেটে বিদেশ চলে যাচ্ছে। আবার কিছু লোক অর্থপাচার করছে।