৩৬ রানে নেই ৩ উইকেট। একের পর এক উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে নাজমুল হোসেন শান্ত আর তাওহিদ হৃদয় দলকে এগিয়ে নেন অনেকটা সময়। শান্ত তুলে নেন তার ক্যারিয়ারের চতুর্থ ফিফটি।

কিন্তু এরপরই আঘাত। শান্ত-হৃদয়ের জুটিটি ৫৯ রানেই থামিয়ে দেন দাসুন শানাকা। তাওহিদ হৃদয়ের এলবিডব্লিউয়ের আবেদনে সাড়া দেননি আম্পায়ার। কিন্তু রিভিউ নিয়ে ঠিকই জিতে যায় শ্রীলঙ্কা। হৃদয় ৪১ বলে করেন ২০ রান, তার ইনিংসে ছিল না কোনো বাউন্ডারির মার।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ২৫ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৯৭ রান। শান্ত ৫৩ রানে অপরাজিত আছেন। নতুন ব্যাটার হিসেবে ক্রিজে এসেছেন মুশফিকুর রহিম।

এবারের এশিয়া কাপে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ। শ্রীলঙ্কার পাল্লেকেলেতে স্বাগতিকদের বিপক্ষে খেলতে নেমেছে বাংলাদেশ। টসভাগ্য যদিও সহায় হয়েছে টাইগারদের। অধিনায়ক সাকিব আল হাসান প্রথমে নিয়েছেন ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত।

কিন্তু ব্যাটিংয়ের শুরুটা একদমই ভালো হলো না। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ধাক্কা খেয়েছে টাইগাররা। অভিষেক ম্যাচটা রাঙাতে পারলেন না তরুণ তানজিদ হাসান তামিম।
দ্বিতীয় ওভারে লঙ্কান বিস্ময় স্পিনার মাহিশ থিকসানার বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন তামিম (২ বলে ০)।

এরপর নাইম শেখকে তুলে নিয়েছেন ধনঞ্জয়া ডি সিলভা। ধনঞ্জয়াকে এগিয়ে মারতে গিয়েছিলেন নাইম, কিন্তু স্লোয়ার ডেলিভারি বুঝতে না পেরে বল আকাশে তুলে দেন। পয়েন্টে সহজ ক্যাচ নেন নিশাঙ্কা। ২৩ বলে ৩ বাউন্ডারিতে ১৬ রানেই থামে নাইমের ইনিংস। ২৫ রানে ২ উইকেট হারায় টাইগাররা।

সাকিব শুরু করেছিলেন আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে। কিন্তু লঙ্কান ‘জুনিয়র মালিঙ্গা’ মাথিসা পাথিরানার গতিময় এক ডেলিভারি বুঝতে না পেরে ব্যাট চালিয়ে দেন সাকিব। উইকেটরক্ষক ঝাঁপিয়ে পড়ে নেন ক্যাচ। ১১ বলে ৫ রান আসে সাকিবের ব্যাট থেকে।