প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের অতন্ত্র প্রহরী। এ বাহিনীকে দেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। বাংলাদেশ শান্তিতে বিশ্বাসী, কারো সঙ্গে যুদ্ধ করতে চায় না।
শনিবার (২২ জুলাই) সেনাবাহিনীর বার্ষিক নির্বাচনী পর্ষদ সভার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

শান্তিকে উন্নয়নের পূর্বশর্ত উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ১৪ বছরে বহু প্রাকৃতিক ও মনুষ্য সৃষ্ট দুর্যোগ এসেছে। সব কিছু মোকাবিলা করেই তার সরকার দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিচ্ছে।

রোহিঙ্গা প্রসঙ্গ তুলে সরকারপ্রধান বলেন, মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা চলছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়েও সরকার আলোচনা অব্যাহত রেখেছে। এ বিশাল জনগোষ্ঠী নিজ দেশে শান্তিপূর্ণভাবে প্রত্যাবাসন করা গেলে কক্সবাজারের অনেক উন্নয়ন করা যাবে। এসময় ব্যয় সংকোচন নীতিতে মিতব্যয়ী হওয়ারও নির্দেশ দেন সরকারপ্রধান।
পদোন্নতির ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত পছন্দের ঊর্ধ্বে উঠে যোগ্য, দক্ষ, কর্মক্ষম, সৎ এবং দেশপ্রেমিক অফিসারদের হাতে সেনাবাহিনীর ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।