ফেব্রুয়ারি ৭-১৪ তারিখ পর্যন্ত পালিত হয় ভ্যলেন্টাইন উইক। ঠিক একইভাবে ১৫-২১ তারিখ পর্যন্ত আবার পালিত হয় অ্যান্টি ভ্যালেন্টাইন উইক। ১৫ ফেব্রুয়ারি স্ল্যাপ ডে অর্থাৎ থাপ্পর মারার দিন পালিত হয়।

এর পরের দিন অর্থাৎ ১৬ ফেব্রুয়ারি পালিত হয় কিক ডে। এর মানে হলো লাথি দেওয়া। তাই বলে আজ কারও গায়ে লাথি মারবেন না কিন্তু! আসলে এখানে লাথি মারা বলতে বোঝানো হয়েছে, খারাপ সম্পর্ক বা প্রতারক সঙ্গীকে ছেড়ে আসার দিন আজ।

অ্যান্টি-ভ্যালেন্টাইন সপ্তাহটি প্রেম, আবেগ ও রোম্যান্স বর্জিত। অ্যান্টি-ভ্যালেন্টাইনস সপ্তাহ এককদের জন্য একটি বিশেষ সপ্তাহ হিসেবেও বিবেচিত।

প্রতি বছর ১৬ ফেব্রুয়ারি, কিক ডে পালিত হয়। কিক ডে হল অ্যান্টি-ভ্যালেন্টাইনস উইক উদযাপনের দ্বিতীয় দিন। যারা ব্রেকআপ বা বিচ্ছেদের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন, তারা কিক ডে পালন করেন। প্রাক্তনের নেতিবাচকতা থেকে মুক্তি পাওয়া ও জীবন থেকে তাদের খারাপ শক্তি দূর করার উপযুক্ত সময় আজ।

মানুষ আক্ষরিকভাবে এই দিনে একে অপরকে লাথি দেয়। আপনার স্বামী/স্ত্রী যদি প্রতারক হন, তাদের কাছ থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার দিন আজ। কিক ডে উদযাপনের সর্বোত্তম উপায় হলো বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়া ও প্রাক্তনের স্মৃতি ভুলে যাওয়া।

যেভাবে খারাপ সম্পর্ক থেকে বের হবেন-

>> কে আপনার সম্পর্কে কী ভাবলো তা নিয়ে মাথা ঘামাবেন না। তার চেয়ে আপনার কী পছন্দ বা অপছন্দ সেদিকে নজর দিন।

আপনি যখন বুঝতে পারবেন সঙ্গী আপনার জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, তখন যত দ্রুত সম্ভব সরে আসুন। না হলে বিষাক্ত কোনো সম্পর্কের ফাঁদে চিরদিনের জন্য আটকে পড়বেন।

>> ইতিবাচক, অনুপ্রেরণাদায়ক ও উৎসাহদানকারী লোকদের আশপাশে থাকুন। কারণ যারা নিজেদের স্বপ্ন পূরণে ও জীবনে সাফল্য লাভে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ তারা আপনাকেও সাফল্যের দিকেই টেনে নেবে। আপনার হৃদয়ের ক্ষতও সারবে দ্রুত।

>> একা হওয়ার ভয়ে বেশিরভাগ মানুষই ভুল সম্পর্কেই থেকে যান। প্রথম প্রথম একা থাকা খুবই কঠিন ও বেদনাদায়ক। তবে নিজেকে বুঝতে হলেও একা থাকা শিখুন। আর খারাপ সম্পর্কের চেয়ে একা থাকা অনেক ভালো।

>> নিজের চাহিদা যখন আপনি নিজেই পূরণ করতে পারবেন তখন দেখবেন কাউকেই দরকার হবে না। আপনি নিজেই যদি আপনার ক্যারিয়ার, ঋণ ও স্বাস্থ্যের দেখভাল করার মতো যোগ্যতাসম্পন্ন হন তাহলে নিজেকে আত্মবিশ্বাসী মনে হবে।

>> নিজেকে বিশ্বাস করতে শিখুন। অন্যের দোষারোপ নিজ ঘাড়ে নিয়ে সুখী হওয়ার চেষ্টা করবেন না। আপনি কেমন তা কেবল আপনিই ভালো জানেন। তাই সবকিছুতে নিজেকে দোষারোপ করা বন্ধ করুন। এসব নিয়ম মানলেই আপনি খারাপ সম্পর্ক থেকে সহজেই বের হতে পারবেন।