করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা-২০ (ধামরাই) আসনের চারবারের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার জিয়াউর রহমান খান মারা গেছেন। ইন্না লিল্লাহ ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন।

শনিবার (২৪ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত দফতর সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন।

ব্যারিস্টার জিয়াউর রহমান সাবেক প্রধানমন্ত্রী আতাউর রহমান খানের ছেলে। তার বাবা আতাউর রহমান ১৯৫৬ সালে পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী ও ১৯৮৪ সালে এরশাদ সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

ব্যারিস্টার জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার রাতে শোক বার্তায় বিএনপি মহাসচিব মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার ও স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

শোক বার্তায় ফখরুল বলেন, ব্যারিস্টার জিয়াউর রহমান খানের মৃত্যুতে জাতি একজন অভিজ্ঞ পার্লামেন্টারিয়ানকে হারাল। তিনি একজন জনপ্রিয় রাজনৈতিক নেতা ছিলেন। ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য হিসেবে দেশ ও জনগণের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করেছেন। ধামরাইয়ের জনগণ তাকে বারবার তাদের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করেছেন। তিনি একজন প্রতিথযশা আইনবিদ ছিলেন। তার পিতা আতাউর রহমান খান তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। পিতার কাছ থেকে জনকল্যাণে রাজনীতির শিক্ষা নিয়ে তিনি জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে আত্মনিয়োগ করেছিলেন। বিএনপিতে তার অবদান অনস্বীকার্য।

এদিকে, তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ শোক প্রকাশ করেছেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।