বেসরকারিভাবে আমদানির জন্য বরাদ্দ পাওয়া যেসব আমদানিকারক গত ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এলসি খুলেছেন তাদের সব চাল আগামী ২০ এপ্রিলের মধ্যে বাজারজাত করতে হবে। চাল আনার সময় বাড়িয়ে বুধবার (৭ এপ্রিল) খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

এর আগে এলসির সব চাল বাজারে আনার বেঁধে দেয়া সময় শেষ হয়েছে বুধবার।

চিঠিতে বলা হয়, বেসরকারিভাবে চাল আমদানির জন্য বরাদ্দপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যেসকল আমদানিকারকরা ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এলসি খুলেছেন কিন্তু চাল বাজারজাত করতে পারেননি, তাদের এলসি করা সম্পূর্ণ চাল বাজারজাতকরণের জন্য আগামী ২০ এপ্রিল পর্যন্ত সময় বাড়ানো হলো।

খাদ্যশস্যের বাজারমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রবণতা রোধ, নিম্নআয়ের জনগোষ্ঠীকে সহায়তা এবং বাজারদর স্থিতিশীল রাখতে বেসরকারি পর্যায়ে চালের আমদানি শুল্ক ৬২ দশমিক ৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ নির্ধারণ করে সরকার।

খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর বেসরকারিভাবে চাল আমদানির জন্য বৈধ আমদানিকারকদের প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্রসহ ১০ জানুয়ারির মধ্যে খাদ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করতে বলা হয়। খাদ্য মন্ত্রণালয় বিভিন্ন শর্তে বেসরকারি পর্যায়ে সর্বমোট ৩২০ ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানকে ১০ লাখ ১৪ হাজার ৫০০ টন চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে। এই অনুমতির চিঠি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।

কিন্তু বরাদ্দের বেশির ভাগ চালই আনতে পারেনি আমদানিকারকরা। নির্দিষ্ট সময়ে ঋণপত্র বা এলসি খুলতে না পারায় অনেকের বরাদ্দপত্র বাতিল করা হয়। যারাও ঋণপত্র খুলতে পেরেছেন, পুরো চাল বাজারে আনতে পারছেন না তারা। বার বার তাদের চাল বাজারে আনার সময় বাড়ানো হচ্ছে।