দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখন পর্যন্ত একদিনে এটিউ সর্বোচ্চ মৃত্যু। এ নিয়ে দেশে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৯ হাজার ৩৮৪ জন। গত বছরের ৩০ জুন করোনায় সর্বোচ্চ ৬৪ জনের মৃত্যু হয়। মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) একদিনে মৃত্যুর সেই রেকর্ডও ছাড়িয়ে গেল।

একই সময়ে নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৭ হাজার ২১৩ জন। শনাক্তের এই সংখ্যাও এখন পর্যন্ত দেশে একদিনে সর্বোচ্চ। এ নিয়ে দেশে মোট শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৬ লাখ ৫১ হাজার ৬৫২ জনে।

এর আগে গত রোববার (৪ এপ্রিল) একদিনে সর্বোচ্চ ৭ হাজার ৮৭ জন রোগী শনাক্ত হয়। এছাড়া টানা তিনদিন ৭ হাজারের বেশি রোগী শনাক্তের তথ্য জানাল স্বাস্থ্য অধিদফতর।

মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২৪ ঘণ্টায় দেশের ২৩৭টি ল্যাবরেটরিতে ৩৪ হাজার ৩৬টি নমুনা সংগ্রহ এবং ৩৪ হাজার ৩১১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নমুনা পরীক্ষার দিক থেকেও এটি ছিল এখন পর্যন্ত একদিনে সর্বোচ্চ।

গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ২১.০২ শতাংশ। গত বছরের ৮ মার্চ প্রথম রোগী শনাক্ত হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত শনাক্তের মোট হার ১৩.৪৪ শতাংশ।

এছাড়া একদিনে সুস্থ হয়েছেন দুই হাজার ৯৬৯ জন। এ নিয়ে দেশে মোট সুস্থ হয়েছেন ৫ লাখ ৫৮ হাজার ৩৮৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থতার হার ৮৫.৬৯ শতাংশ।

২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে পুরুষ ৩৯ জন ও নারী ২৭ জন। তাদের মধ্যে দুইজন ছাড়া সবাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। আর বয়স বিবেচনায় মৃতদের মধ্যে বিশোর্ধ্ব একজন, ত্রিশোর্ধ্ব দুইজন, চল্লিশোর্ধ্ব পাঁচজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ১৭ জন, ষাটোর্ধ্ব ৪১ জন।

বিভাগ অনুযায়ী মৃতদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ৫৪ জন, চট্টগ্রামের চারজন, রাজশাহীর তিনজন, বরিশালের দুইজন, খুলনার দুইজন ও সিলেটে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

দেশে গত বছরের ৮ মার্চ প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ১৮ মার্চ করোনা আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজন রোগীর মৃত্যু হয়।