নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোর প্রেক্ষিতে এক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানসহ ৭ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান গ্রেফতার এড়াতে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বলে বিভিন্ন সূত্র মারফত জানা গেছে।

গত ৩ মাস আগে সৃষ্ট ঘটনাকে কেন্দ্র করে এরই মধ্যে উপজেলায় ঘটেছে দু’টি ন্যক্কারজনক হত্যাকাণ্ড। দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে দুই গ্রুপের। জারি হয়েছে একাধিকবার ১৪৪। উভয় পক্ষই থানায় ও আদালতে দায়ের করেছেন পাল্টাপাল্টি মামলা। এসব মামলায় যাতে কোনোভাবে গ্রেফতার না হয়য় তার জন্যই জনপ্রতিনিধিরা আত্মগোপনে আছেন।

শীর্ষ কয়েকজন জনপ্রতিনিধির অনুপস্থিতিজনিত কারণে সোমবার (১৫ মার্চ) পূর্ব নির্ধারিত সময় অনুষ্ঠিত হয়নি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটি ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা।

পলাতক এসব জনপ্রতিনিধিরা হচ্ছেন- কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আজম পাশা চৌধুরী রুমেল, সিরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরনবী চৌধুরী, চরপার্বতী ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন কামরুল, চরহাজারী ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল হুদা, চরফকিরা ইউপি চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন লিটন, রামপুর ইউপি চেয়ারম্যান ইকবাল বাহার চৌধুরী, মুছাপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম চৌধুরী শাহীন এবং চরএলাহী ইউপি চেয়ারম্যান আবদুর রাজ্জাক।

এছাড়াও বিবদমান দুই পক্ষ ও পুলিশের দায়ের করা মামলায় বসুরহাট পৌরসভা ও ৮টি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের ছয়জন কাউন্সিলর এবং অধিকাংশ ইউপি সদস্য ওই সব মামলায় আসামি থাকায় পলাতক রয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিবদমান দুই পক্ষ সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের করা মামলাগুলোতে এসব জনপ্রতিনিধি আসামি থাকায় এরা কেউ স্ব-স্ব এলাকায় নেই। এতে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। স্ব-স্ব পর্যায়ের জনপ্রতিনিধিরা তাদের কর্মস্থলে না থাকায় সেবা নিতে আসা জনসাধারণ দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।