হাজী সেলিম পুত্র ইরফান সেলিম ইস্যুতে বেশি কিছু বললেন না র‌্যাব মহাপরিচালক (ডিজি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। তিনি বলেছেন, তার মামলা আদালতে বিচারাধীন। বিচারিক বিষয় নিয়ে আমরা কথা বলতে চাই না। র‌্যাব ডিজি বলেন, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে আমরা অভিযান পরিচালনা করেছি। অভিযানে ঘটনাস্থলে যা পেয়েছি তা তদন্ত করে মামলা করেছি। পরে পুলিশ তদন্ত করে যা পেয়েছে তার ওপর ভিত্তি করে প্রতিবেদন দাখিল করেছে।

মঙ্গলবার (৫ জানুয়ারি) র‌্যাব সেবা সপ্তাহের রক্তদান কর্মসূচির উদ্বোধনী অুনষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে সোমবার (৪ ডিসেম্বর) ডিএমপির লালবাগ বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার কুদরত-ই খুদা বলেন, ইরফান সেলিমের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য আইনে দায়ের হওয়া দুটি মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে পুলিশ। প্রতিবেদনে ইরফান সেলিমকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।

গত ২৭ অক্টোবর রাতে ডিএমপির চকবাজার থানায় দায়ের হওয়া এই দুটি মামলার বাদী ছিল র‌্যাব। মামলা হওয়ার দুই মাস পরে পুলিশ আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ২৫ অক্টোবর রাতে ধানমন্ডিতে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা লে. ওয়াসিম খানকে মারধর করেন সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের গাড়িতে থাকা লোকজন। পরদিন ধানমন্ডি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী ওই নৌবাহিনীর কর্মকর্তা।

মামলায় মোহাম্মদ ইরফান সেলিম, তার দেহরক্ষী জাহিদ, মদীনা ডেভেলপারসের প্রটোকল কর্মকর্তা এবি সিদ্দিক ও গাড়িচালক মিজানুর রহমানসহ অজ্ঞাতনামা তিন জনকে আসামি করা হয়।

পরে ২৬ অক্টোবর দুপুরে র‌্যাব পুরান ঢাকার চকবাজারের দেবীদাস লেনে হাজি সেলিমের বাসায় অভিযান চালায়। র‌্যাব ইরফান সেলিম ও তার দেহরক্ষী জাহিদকে হেফাজতে নেয়। বাসায় অবৈধভাবে মদ ও ওয়াকিটকি রাখার দায়ে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের দুই জনকে এক বছর করে কারাদণ্ড দেন। পরে মাদক ও অস্ত্র আইনে তাদের বিরুদ্ধে দুটি করে মোট চারটি মামলা দায়ের করে র‌্যাব।