ডিবি’র জিজ্ঞাসাবাদ চলছে ডা. সাবরিনাকে। সোমবার রাত থেকে তেজগাঁও থানা পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়েন তিনি। সেখানে বিভিন্ন প্রশ্নের কখনো জবাব দেন, কখনো নিরুত্তর বিষন্ন ভূমিকায় থাকেন। প্রশ্নের ফাঁকে ফাঁকে উদাসও হয়ে পড়েন মাঝেমধ্যে।

জানা গেছে, তিন দিনের রিমান্ডে নিয়ে ডা. সাবরিনাকে জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রয়েছে। প্রশ্নের মুখে পড়ে তিনি কিভাবে প্রতারণার ফাঁদ পেতে করোনা নমুনা পরীক্ষা ছাড়াই ভুয়া সনদ দিতেন সে বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিচ্ছেন। তবে সেসব জবাব মোটেও সহজে হচ্ছে না। একজন চিকিৎসক হয়ে চিকিৎসা নিয়ে এমন প্রতারণা তিনি কিভাবে করতে পারলেন- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি অস্বীকার করছেন অভিযোগ। কিন্তু জিজ্ঞাসাবাদে নিয়োজিতরা প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত হাজির করলে তিনি নিরুত্তর থাকছেন। মৌনতাই সম্মতির লক্ষণ হিসেবে পুলিশ তা বিবেচনা করছে।

এর আগে ডা. সাবরিনা এ চৌধুরীকে রবিবার দুপুরে আটক করে তেজগাঁও থানা পুলিশ। পরে জেকেজি হেলথ কেয়ারের করোনা পরীক্ষায় জালিয়াতিসহ তাকে চার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

সোমবার তাকে আদালতে তুলে চার দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম শাহিনুর রহমান তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

পুলিশ জানায়, জেকেজি হেলথকেয়ার থেকে এখন পর্যন্ত ২৭ হাজার রোগীকে করোনাভাইরাস পরীক্ষার প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১১ হাজার ৫৪০ জনের নমুনা আইইডিসিআরের মাধ্যমে পরীক্ষা করানো হয়েছিল। বাকি ১৫ হাজার ৪৬০টি প্রতিবেদন তৈরি করা হয় জেকেজি কর্মীদের ল্যাপটপে।