ঢাকা,শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০১৫, ২৯ ফাল্গুন ১৪২১, ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৬

অনলাইন ডেস্ক

গুন্ডের প্রদর্শন বন্ধের দাবি বাংলাদেশের


ভারতীয় চলচ্চিত্র ‘গুন্ডে’র কড়া প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে এর প্রদর্শন বন্ধের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র শামীম আহসান রোববার জানান, এই চলচ্চিত্রের জন্য ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে কঠোর প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। বর্তমান আঙ্গিকে ওই চলচ্চিত্রের প্রদর্শন অবিলম্বে বন্ধের অনুরোধ করা হয়েছে।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি বলিউডি চলচ্চিত্র ‘গুন্ডে’ মুক্তি পাওয়ার পরপরই ব্লগ ও ফেইসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।  এতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে অবমাননা করার পাশাপাশি ইতিহাস বিকৃত করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।

নির্মাতা প্রতিষ্ঠান যশরাজ ফিল্মসের কাছেও ব্যক্তি পর্যায়ে প্রতিবাদ জানানো হয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি নিজেদের ব্লগে এক পোস্টে দুঃখ প্রকাশ করে যশরাজ ফিল্মস।

তাদের পোস্টে বলা হয়,  “চলচ্চিত্রে যেভাবে গল্প তুলে ধরা হয়েছে তাতে অনেক বাংলাদেশি ভাই  আপত্তি জানিয়েছেন। তবে এর কাহিনি ও গল্প পুরোপুরি কাল্পনিক। কোনো জাতি, সমাজের বিশেষ কোনো অংশ বা কোনো ব্যক্তির প্রতি অশ্রদ্ধা দেখানোর অভিপ্রায় নেই।

“তারপরও এতে কেউ  আহত হলে বা কারও প্রতি  অশ্রদ্ধা  প্রকাশ করা হয়েছে বলে মনে করলে আমরা তার জন্য ক্ষমা  চাইছি।”

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গুন্ডেতে বাংলাদেশের জন্মকে দেখানো হয়েছে ভারত-পাকিস্তানের ১৩ দিনের যুদ্ধের ফল হিসেবে, যা শুরু হয় ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর।

যশরাজ ফিল্মস বলেছে, “মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই একটি স্বাধীন দেশের জন্ম হয়। এটা কখনও ভোলার নয়। স্বাধীনতা অর্জনের জন্য বাংলাদেশের মানুষকে অনেক মূল্য দিতে হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষের স্বাধীনতা সংগ্রামের কথা ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা রয়েছে।

“তবে ‘গুন্ডে’ একটি কল্পিত কাহিনি (ফিকশন), যাতে যুদ্ধে বাস্তুহারা হওয়া পরিবারের দুর্দশার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।”

হাসপাতালে টাবু


সম্প্রতি শুটিং-এর সেটে শ্বাসকষ্ট হওয়ার কারণে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন বলিউডি অভিনেত্রী টাবু। তবে সেখানে তিন ঘণ্টা চিকিৎসা নিয়েই সুস্থ হয়ে কাজে ফিরেছেন তিনি।

প্রেস ট্রাস্ট অফ ইন্ডিয়া জানিয়েছে, এই মুহূর্তে নতুন সিনেমা ‘হায়দার’-এর শুটিংয়ের জন্য টাবু রয়েছেন কাশ্মিরে।

২২ ফেব্রুয়ারি প্রচণ্ড শীতের কারণে শুটিংয়ের ফাঁকে আগুনের পাশে বসেছিলেন তিনি। ওই সময় কাঠপোড়া ধোঁয়ার কারণে নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যায় টাবুর। পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার পর তাকে ১৩ কিলোমিটার দূরের এক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

তিন ঘণ্টা হাসপাতালে থাকার পর সন্ধ্যা নাগাদ ফিরে আসেন টাবু।

হাসপাতালের (শের-এ-কাশ্মির ইন্সটিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস) এক কর্মী জানিয়েছেন, তিন ঘণ্টা হাসপাতালে থাকার পর সুস্থ হয়ে কাজে ফিরেছেন টাবু।

হাসপাতাল থেকে ফেরার পর সেদিনই শুটিং শেষ করেন টাবু।

নিজের অভিনয় দক্ষতার জন্য বরাবরই সমালোচকদের কাছে জনপ্রিয় অভিনেত্রী টাবু। তবে দর্শকদের মধ্যেও তার জনপ্রিয়তা নেহায়েত কম নয়।

দীর্ঘ ক্যারিয়ারে দুবার জাতীয় পুরস্কার জিতেছেন। আর ফিল্মফেয়ারে সমালোচক পুরস্কার পেয়েছেন চারবার, এখনও এই রেকর্ড ভাঙতে পারেনি কোনো অভিনেত্রী।

হিন্দি সিনেমার পাশাপাশি তামিল, তেলেগু, মারাঠি এবং বাংলা এমনকি হলিউডি সিনেমাতেও অভিনয় করেছেন তিনি।

সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে অভিনেতা সালমান খানের সিনেমা ‘জয় হো’, যেখানে সালমানের বোনের ভ‚মিকায়  অভিনয় করেছেন টাবু।

নির্মাতা ভিশাল ভারদ্বাজের নতুন সিনেমা ‘হায়দার’এ টাবুর সঙ্গে আরও দেখা যাবে শাহীদ কাপুর, শ্রদ্ধা কাপুর এবং ইরফান খানকে।

সিনেমাটির কাহিনি গড়ে উঠেছে শেক্সপিয়ারের ট্র্যাজেডি ‘হ্যামলেট’ অবলম্বনে।

অভিনেতার বাড়িতে শিশুর মৃতদেহ


বলিউডি অভিনেতা মেহনিশ বেহলের বাড়িতে সম্প্রতি পাওয়া গেছে এক নবজাতকের মৃতদেহ।

দুদিন বয়সী শিশুটি একটি মেয়ে বলে মুম্বাই পুলিশের এক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

টাইম অফ ইন্ডিয়া জানিয়েছে, মুম্বাইয়ের অদূরে মুমব্রা এলাকায় অবস্থিত মেহনিশের ফার্মহাউজের সুইমিং পুলে পাওয়া যায় শিশুটির লাশ। ঐ সময় বাড়িতে কেউ উপস্থিত ছিল না।

এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির বিরুদ্ধে মুমব্রা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এক বা একাধিক ব্যক্তি শিশুটির লাশ ঐ বাড়িতে রেখে গেছে।

মুমব্রা পুলিশের এক সূত্র জানিয়েছে, ফার্মহাউজের দারোয়ান প্রথম শিশুটির লাশ সুইমিং পুলে দেখতে পান। পুলের পানিতে প্লাস্টিক ব্যাগে মুড়িয়ে ফেলে রাখা হয়েছিলো মৃতদেহটি।

পুলিশের উদ্ধৃতি দিয়ে এশিয়ান এইজ পত্রিকা জানায়, শিশুটির লিঙ্গ পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পোস্টমর্টেমের জন্য লাশ নিকটস্থ হাসপাতালে পাঠানো হয়। প্রিমা নামে একজন নারী পুলিশ কনস্টেবল নিশ্চিত করেছেন যে এটি মেয়ে শিশুর লাশ। তবে এখনও জানা যায়নি মৃত্যুর কারণ।

অভিনেতা মেহনিশ বেহলের এই ফার্মহাউজটি অনেক বছর ধরে খালি পড়ে রয়েছে। এশিয়ান এইজ পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয় খবর পাওয়ার পর দারুণ বিস্ময় প্রকাশ করেন এই অভিনেতা।

মেহনিশ বেহল প্রায় ত্রিশ বছর ধরে ভারতের টেলিভিশন এবং সিনেমায় অভিনয় করছেন। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘হাম আপকে হ্যায় কৌন’, ‘রাজা হিন্দুস্তানি’, ‘কয়লা’ ‘পেয়ার কি ছায়া’ ইত্যাদি। ক্যারিয়ারের প্রথমদিকে তিনি মূলত খলনায়ক চরিত্রে অভিনয় করলেও বর্তমানে তিনি ইতিবাচক পার্শ্বচরিত্রে অভিনয় করে থাকেন।

একসঙ্গে প্রিয়াঙ্কা-আনুশকা


‘দিল ধাড়াকনে দো’ নামের নতুন সিনেমায় এবার একসঙ্গে দেখা যেতে পারে বলিউডের দুই অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া এবং আনুশকা শর্মাকে। জয়া আখতার পরিচালিত এই সিনেমায় প্রধান দুই চরিত্রে থাকবেন ফারহান আখতার এবং রনভির সিং। এতে আরও অভিনয় করবেন অনিল কাপুর।


টাইমস অফ ইন্ডিয়া জানিয়েছে, সিনেমাটির কাহিনি গড়ে উঠবে এক পাঞ্জাবি পরিবারকে ঘিরে।

রনভির সিংয়ের সঙ্গে এর আগে জুটি বেঁধেছেন প্রিয়াঙ্কা এবং আনুশকা দুজনেই। তবে ফারহানের সঙ্গে এটাই হবে তাদের প্রথম সিনেমা। অবশ্য এখানে কে কার সঙ্গে জুটি বাঁধবেন, তা এখনও জানা যায়নি।

‘দিল ধাড়াকনে দো’র শুটিং শুরু হবে চলতি বছরের মে মাস থেকে। শুটিং চলবে ইউরোপ ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে। এর মধ্যে রয়েছে তুরস্ক, স্পেন, ইতালি, ফ্রান্স এবং তিউনিসিয়া।

একাধিক প্রথম সারির তারকা নিয়ে নির্মিত হতে যাওয়া এই সিনেমায় মাধুরী দীক্ষিত অথবা টাবুকেও নিতে চাচ্ছেন জয়া। অনিল কাপুরের বিপরীতে অভিনয়ের জন্য বর্তমানে এই দুজন অভিনেত্রীর সঙ্গে আলোচনা করছেন তিনি। তবে এখনও কিছু চূড়ান্ত হয়নি।

কবি এবং চিত্রনাট্যকার জাভেদ আখতারের মেয়ে এবং অভিনেতা ও নির্মাতা ফারহান আখতারের বোন জয়া আখতারের পরিচালিত প্রথম সিনেমা ‘লাক বাই চান্স’ মুক্তি পায় ২০০৯ সালে। হৃত্বিক রোশান অভিনীত ‘লাক বাই চান্স’ সমালোচকদের প্রশংসা পেলেও ব্যবসাসফল হতে পারেনি।

২০১১ সালে জয়া নির্মাণ করেন ‘জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা’। এই সিনেমা ব্যাপক ব্যবসাসফল হয় এবং সেইসঙ্গে জয়া জিতে নেন সেরা নির্মাতা হিসেবে ক্যারিয়ারের প্রথম ফিল্মফেয়ার পুরস্কার।

২০১৩ সালে মুক্তি পায় ‘বোম্বে টকিজ’, এই সিনেমার একটি অংশ পরিচালনা করেছিলেন জয়া।

পাঁচ বছরের ক্যারিয়ারে জয়া নির্মাণ করেছেন মাত্র তিনটি সিনেমা।

নির্মাতা বন্ধু রিমা কাগতির সঙ্গে মিলে নতুন সিনেমা ‘দিল ধাড়াকনে দো’র চিত্রনাট্যও লিখেছেন জয়া।  

‘দিল ধাড়াকনে দো’ মুক্তির তারিখ নির্ধারিত হয়েছে ২০১৫ সালের ৫ জুন।

ভূপেন হাজারিকাকে নিয়ে সিনেমা


উপমহাদেশের কিংবদন্তি সংগীত ব্যক্তিত্ব ভূপেন হাজারিকার জীবনী অবলম্বনে সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন তার দীর্ঘদিনের সহকারী এবং নির্মাতা কল্পনা লাজমি।



মিডডে পত্রিকা জানিয়েছে, সিনেমাটির চিত্রনাট্য লিখছেন কল্পনা। তবে লিখে শেষ করার জন্য আরেকজন চিত্রনাট্যকারের সাহায্য প্রয়োজন তার। আর তাই আপাতত চলছে চিত্রনাট্যকার খোঁজার কাজ। সেই সঙ্গে সিনেমার প্রযোজকের খোঁজেও রয়েছেন কল্পনা।

সম্প্রতি মিডডেকে কল্পনা বলেন, “আমি সিনেমাটির চিত্রনাট্য লিখছি, লেখা শেষ করার জন্য আপাতত একজন সহ-লেখকের খোঁজে আছি। মহেশ ভাট আমাকে এ বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতা করছেন।”

কল্পনা জানান, প্রযোজকের খোঁজ পাওয়ার পরই তিনি সিনেমার কলাকুশলী নির্ধারণ করবেন।

তিনি বলেন, “চিত্রনাট্য লেখার জন্য কাউকে না পেলেও সমস্যা নেই। এরপর আমি প্রযোজকের খোঁজে বের হব। প্রযোজক পাওয়ার পরই আমি কলাকুশলী খুঁজব, এর আগে নয়।”

মিডডে আরও জানিয়েছে, কল্পনার এই সিনেমাটি প্রযোজনা করবেন পূজা ভাট। আর সিনেমায় কল্পনার চরিত্রে অভিনয়ও করতে পারেন পূজা।

সত্তরের দশকে কল্পনার সঙ্গে পরিচয় ঘটে হাজারিকার। পরবর্তীতে তার দুজন একসঙ্গে নির্মাণ করেন ‘এক পল’ (১৯৮৬) নামের একটি হিন্দি সিনেমা। ওই সময় থেকেই হাজারিকার সহকারী হিসেবে কাজ শুরু করেন কল্পনা। এরপর থেকে আমৃত্যু হাজারিকার পাশেই ছিলেন তিনি।

প্রয়াত বলিউডি নির্মাতা গুরু দত্তের ভাগ্নি কল্পনা লাজমি মূলত নারীকেন্দ্রিক সিনেমা তৈরি করেন।

১৯৯৩ সালে কল্পনার সিনেমা ‘রুদালি’তে অভিনয় করে সেরা অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিলেন অভিনেত্রী ডিম্পল কাপাডিয়া।

২০০১ সালে কল্পনা পরিচালিত ‘দামান’ সিনেমায় অভিনয় করে জাতীয় পুরস্কার জেতেন অভিনেত্রী রাভিনা ট্যান্ডন। ‘রুদালি’ এবং ‘দামান’ দুটি সিনেমাতেই সংগীত পরিচালনা করেছিলেন ভূপেন হাজারিকা।

তবে এখন পর্যন্ত বাণিজ্যিকভাবে সফল হয়নি কল্পনার কোনো সিনেমা। তার সর্বশেষ সিনেমা ‘চিঙ্গারি’ মুক্তি পেয়েছিল ২০০৬ সালে। দীর্ঘ বিরতির পর এবার ভূপেন হাজারিকাকে নিয়ে সিনেমা নির্মাণ করবেন কল্পনা।

ভারতীয় উপমহাদেশের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী ভূপেন হাজারিকা সংগীতের পাশাপাশি সিনেমা পরিচালনাও করেছেন। পঞ্চাশের দশক থেকে আশির দশক পর্যন্ত ১৪টি সিনেমার সংগীত পরিচালনা করেছিলেন তিনি।

পঞ্চাশের দশকে মূলত আসামের ভাষায় গান গেয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেন ভুপেন হাজারিকা। পরবর্তীতে  তার গাওয়া হিন্দী এবং বাংলা গানের জনপ্রিয়তা ছড়িয়ে পরে পুরো ভারতবর্ষে।

ভূপেন হাজারিকার বিখ্যাত কয়েকটি বাংলা গানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল-- ‘আমি এক যাযাবর’, ‘মানুষ মানুষের জন্য’, ’আজ জীবন খুঁজে পাবি’ ইত্যাদি।

ব্যাপক জনপ্রিয়তার পাশাপাশি শিল্পী হিসেবে দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি পেয়েছেন নানা স্বীকৃতি ও পুরস্কার। ১৯৯৭ সালে তাকে ‘পদ্মশ্রী’ এবং ২০০৭ সালে ‘পদ্মভূষণ’ উপাধিতে ভূষিত করে ভারত সরকার।

২০১২ সালে তাকে দেশটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘পদ্মবিভূষণ’ (মরণোত্তর) প্রদান করা হয়।

গুণী এই শিল্পী মুম্বাইতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ২০১১ সালের ৩০ জুন। 

প্রিয় মানুষ অমিতাভ



পৃথিবীর সবচেয়ে প্রিয় দশ জন মানুষের তালিকায় এবার যুক্ত হয়েছে বলিউডি অভিনেতা অমিতাভ বচ্চনের নাম।


টাইমস অফ ইন্ডিয়ার খবর অনুযায়ী, সম্প্রতি ব্রিটেনের এক প্রভাবশালী পত্রিকা আয়োজন করে এই জরিপের। যেখানে জনগণের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচন করা হয় পৃথিবীর সবচেয়ে প্রিয় দশজন মানুষের তালিকা।

‘ইউগভ’ নামের এই পত্রিকার জরিপে অংশ নেয় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, রাশিয়া, ভারত, চীন,পাকিস্তান, ব্রাজিল, মিশর, নাইজেরিয়া এবং ইন্দোনেশিয়ার মোট ১৪ হাজার মানুষ।

৭১ বছর বয়সী বলিউডি অভিনেতা অমিতাভ বচ্চনের ক্যারিয়ার শুরু হয় ষাটের দশকের শেষার্ধে। মৃণাল সেন নির্মিত ক্যারিয়ারের প্রথম সিনেমা ‘ভুবন সোম’-এ অভিনয় করেননি তিনি, বরং নেপথ্য কণ্ঠ দানকারীর ভূমিকায় ছিলেন।

১৯৬৯ সালে মুক্তি পায় অমিতাভের অভিনীত প্রথম সিনেমা ‘সাত হিন্দুস্তানি’। ১৯৭১ সালের সিনেমা ‘আনন্দ’ তাকে এনে দেয় খ্যাতি, সেইসঙ্গে তিনি পান জীবনের প্রথম ফিল্মফেয়ার পুরস্কার।

১৯৮২ সালে, যখন জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করছেন অমিতাভ, তখন ‘কুলি’ সিনেমার শুটিং করতে গিয়ে মারাত্মক আঘাত পেয়েছিলেন। বেশ কয়েক মাস মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে ভক্ত এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের ভালোবাসায় সুস্থ হয়ে ফেরেন অমিতাভ।

জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে কিছুদিন রাজনীতিও করেছিলেন এই অভিনেতা।

১৯৮৪ থেকে ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত অভিনয় থেকে বিরতি নিয়ে রাজনীতি করেন তিনি। ভারতের উত্তর প্রদেশে অষ্টম লোকসভা নির্বাচনে অংশ নিয়ে সর্বকালের সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছিলেন অমিতাভ।

আন্তর্জাতিকভাবে জনপ্রিয় অমিতাভ নিজের অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডের জন্যও বিশ্বব্যাপী সমাদৃত হয়েছেন অনেকবার।

২০০০ সালে অমিতাভ ছিলেন প্রথম এশিয়ান, যার মোমের মূর্তি স্থাপন করা হয়েছিল লন্ডনের মাদাম তুসো জাদুঘরে।

২০১২ সালে লন্ডনে তাকে দেওয়া হয় অলিম্পিকের মশাল বহন করার বিরল সুযোগ।

চলতি বছরে মুক্তি পাবে অমিতাভের চারটি সিনেমা। এর মধ্যে তিনটির শুটিং চলছে, আর মুক্তির অপেক্ষায় আছে ‘ভূতনাথ রিটার্নস’।

দীপিকাকে চান না সালমান

শিডিউল নিয়ে ভীষণ ব্যস্ত থাকায় নিজের অভিনীত সিনেমায় তাকে নিতে আগ্রহী নন সালমান খান।


টাইমস অফ ইন্ডিয়ার খবর অনুযায়ী, সুরাজ বারজাতিয়ার নতুন সিনেমায় দ্বৈত চরিত্রে দেখা যাবে সালমানকে। আর এই সিনেমায় অভিনয়ের জন্য দীপিকাই ছিলেন তার প্রথম পছন্দ।

কিন্তু ব্যবসায়িক সাফল্যের কারণে ক্রমাগত বাড়ছে দীপিকার ব্যস্ততা। আর নিজের অভিনীত সিনেমায় কোনো ব্যস্ত অভিনেত্রীকে নিতে নারাজ সালমান। তাই এবারও সালমানের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ হল না দীপিকার।

আর দীপিকার স্থানটি এবার দখল করতে পারেন অভিনেত্রী সোনাম কাপুর।

এমিরেটস টুয়েন্টিফোর/সেভেন পত্রিকার খবর অনুযায়ী, রাজশ্রী প্রোডাকশনের ব্যানারে এই সিনেমার সংগীত পরিচালনা করবেন হিমেশ রেশামিয়া।

এর আগেও সালমানের বিপরীতে অভিনয়ের কথা ছিল দীপিকার। কিন্তু কোনো বার ব্যাটে বলে মেলেনি। সালমানই প্রথম দীপিকাকে সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব দেন। সে সময় বয়স কম থাকায় সে প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন দীপিকা। পরবর্তীতে ‘ওম শান্তি ওম’ সিনেমায় শাহরুখের বিপরীতে অভিনয়ের মাধ্যমে বলিউডে ক্যারিয়ার শুরু করেন দীপিকা।

২০১৩ সালে সবচেয়ে ব্যবসাসফল অভিনেত্রীর খেতাব পাওয়ার পর দীপিকা এখন ব্যস্ত আছেন শাহরুখ খানের সঙ্গে ‘হ্যাপি নিউ ইয়ার’ সিনেমার কাজে। মুক্তির অপেক্ষায় আছে তার ইংরেজি সিনেমা ‘ফাইন্ডিং ফ্যানি ফারনান্ডেজ’।

ব্যস্ততার কারণে স¤প্রতি অসুস্থও হয়ে পড়েছেন দীপিকা। ৩০ ঘণ্টা লাগাতার কাজের পর জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আপাতত বিশ্রামে আছেন তিনি।

অ্যানিস্টন-থেরক্সের বিচ্ছেদ?


হলিউড জুড়ে এখন জোর গুঞ্জন, বিচ্ছেদের পথে এগোচ্ছেন তারকা জুটি জেনিফার অ্যানিস্টন এবং জাস্টিন থেরক্স।


অনেকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল, কাজের চাপে নিজেদের সম্পর্কে দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে অ্যানিস্টন-থেরক্সের। পরপর তিনবার বিয়ের তারিখ পেছানোর পর সম্পর্ক বাঁচানোর জন্য নাকি ‘রিলেশনশিপ কাউন্সেলিং’ নিয়েছেন তারা।

আর এই গুঞ্জনের আগুনে হাওয়া লেগেছে সম্প্রতি; যখন অ্যানিস্টনের জন্মদিনের পার্টিতে দেখা যায়নি থেরক্সকে।

রাডার অনলাইন জানিয়েছে, ১১ ফেব্রুয়ারি লস এঞ্জেলেসে নিজের ৪৫তম জন্মদিনের অনুষ্ঠান করেছিলেন অ্যানিস্টন। ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা সবাই উপস্থিত থাকলেও, ছিলেন না তার বাগদত্ত থেরক্স।

বরং ওই সময়টিতে নিউ ইয়র্কে প্রয়াত অভিনেতা ফিলিপ সেমুর হফম্যানের শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন থেরক্স।

এক সূত্র জানিয়েছে, অ্যানিস্টনকে নিউ ইয়র্কে আসতে বলেছিলেন থেরক্স। কিন্তু প্রচণ্ড শীতে নিউ ইয়র্কে সময় কাটানোর বদলে ক্যালিফোর্নিয়ার রোদেলা পরিবেশে বন্ধুদের নিয়ে জন্মদিন উদযাপন করাটাকেই শ্রেয়তর ভেবেছেন অ্যানিস্টন।

সূত্রটি জানায়, হফম্যানের সঙ্গে বেশ ঘনিষ্ঠ ছিলেন থেরক্স। কিন্তু হফম্যানের শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তার পাশে থাকার বদলে লস অ্যাঞ্জেলেসে নিজের জন্মদিন উদযাপন করেছেন তার প্রেমিকা। এ ঘটনা অবশ্যই স্বাভাবিক নয়।

এদিকে ২০১৩ সালের বড়দিনের পর থেকেই জনসমক্ষে আর একসঙ্গে দেখা যায়নি দুজনকে।

অ্যানিস্টনের প্রতিনিধির ভাষ্য অনুযায়ী, নতুন একটি ইন্ডিপেনডেন্ট সিনেমা নিয়ে আলোচনা করছেন তিনি। কিন্তু মজার ব্যাপার হল, সিনেমাটির চুক্তি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে এখন কাজ করছেন অ্যানিস্টনের এজেন্ট। এ কারণে লস এঞ্জেলেসে থাকা তার জন্য জরুরি কিছু ছিল না। ইচ্ছে করলেই প্রেমিকের সঙ্গে নিউ ইয়র্কে যেতে পারতেন অ্যানিস্টন।

টিভি সিরিজ ‘দ্য লেফটভারস’-এর জন্য এখন নিউ ইয়র্কে অবস্থান করছেন থেরক্স। আর কাজের খাতিরে অ্যানিস্টনকে থাকতে হচ্ছে লস এঞ্জেলেসেই। আর এসব কারণেই এখন আর একসঙ্গে থাকা হয়ে উঠছে না ওই জুটির পক্ষে।

২০১৩ সালে থেরক্স জানিয়েছিলেন, চলতি বছরেই সারবেন বিয়ের পর্ব। কিন্তু অ্যানিস্টনের সঙ্গে তার দূরত্ব বেড়ে যাওয়ার কারণে এখন তাদের বিয়ে আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে সন্দিহান অনেকেই।

২০১১ সালে ‘ওয়ান্ডারলাস্ট’ সিনেমার কাজ করতে গিয়ে পরিচয় হয় অ্যানিস্টন-থেরক্স জুটির। একই বছর প্রেম করা শুরু করেন তারা।

২০১২ সালের অগাস্ট মাসে আংটি বদল করেন এই জুটি।

মনীষার ভাই রণবীর


নতুন প্রজন্মের অভিনেতা রণবীর কাপুরকে পর্দায় নিজের ভাই হিসেবে দেখতে চান অভিনেত্রী মনীষা কৈরালা।


সম্প্রতি ইন্দো এশিয়ান নিউজ সার্ভিসকে মনীষা বলেন, “আমি অনেকদিন ধরেই রণবীর কাপুরকে দেখছি। তিনি খুবই গুণী শিল্পী। আমার মনে হয় তিনি আমার ছোট ভাইয়ের চরিত্রে অভিনয় করতে পারবেন।”

নতুন প্রজন্মের অভিনেত্রীদের নিয়েও আশাবাদী মনীষা।

তিনি বলেন, “এ প্রজন্মের অভিনেত্রীদের মধ্যে আমার পছন্দের তালিকাটা অনেক বড়। আনুশকা শর্মা থেকে শুরু করে পরিনীতি চোপড়া, সোনাক্ষি সিনহা এমনকি সোনাম কাপুর-- কেউ কারও চেয়ে কম নন।”

নিজের অভিনয়জীবনে মনীষা প্রধান চরিত্রে ছিলেন ‘বোম্বে’, ‘নাইনটিন ফর্টি টু: এ লাভ স্টোরি’ এবং ‘দিল সে’-র মতো কালজয়ী হিন্দি সিনেমায়।

তবে সম্প্রতি নিজের ক্যারিয়ারের জন্য নয়, বরং স্বাস্থ্যগত সমস্যার জন্য নিয়মিত সংবাদে এসেছেন নেপালি ওই অভিনেত্রী।

২০১২ সালের শেষ দিকে ডিম্বাশয়ের ক্যান্সারে আক্রান্ত হন মনীষা। একই বছর ১০ ডিসেম্বর চিকিৎসার জন্য আমেরিকা পাড়ি জমান তিনি। ওখানে একটি সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সুস্থ হয়ে দেশে ফেরেন ৪৩ বছর বয়সী ওই অভিনেত্রী।

২০১২ সালে ‘ভূত রিটার্নস’ সিনেমায় শেষবারের মতো দেখা গেছে মনীষাকে। এক বছর বিরতি দিয়ে এবার একটি মালায়াম সিনেমায় অভিনয় করছেন তিনি।

এক বছর ধরে ‘একই দর’ ডলারের


বিদেশি মুদ্রার বিনিময় ব্যবস্থা বাজারের ওপর ছেড়ে দেয়ার পরও প্রায় এক বছর ধরে একই জায়গায় ‘স্থির’ রয়েছে টাকা-ডলার বিনিময় হার।

অবশ্য এজন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সারা বছরই বাজারে হাত রাখতে হয়েছে। রপ্তানি আয় ও প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সের ইতিবাচক প্রভাব ধরে রাখতে বাজার থেকে কিনে নিতে হয়েছে রেকর্ড অংকের ডলার, যাকে এক ধরনের হস্তক্ষেপ বলেই মনে করছেন অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকাররা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের সাড়ে সাত মাসে (গত বছরের ১ জুলাই থেকে ২২ ফেব্রুয়ারি) বাজার থেকে মোট ৩২০ কোটি ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গত অর্থবছরের ১২ মাসে কিনেছিল ৪৭৯ কোটি ডলার।

আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে সোমবার প্রতি ডলারের বিনিময় হার ছিল ৭৭ টাকা ৭৫ পয়সা। গত বছরের মার্চ মাসের শেষ দিকে প্রতি ডলার কিনতে খরচ হতো ৭৭ টাকা ৯৩ পয়সা।

এরপর থেকেই ৭৭ টাকা ৭৫ পয়সায় বিক্রি হচ্ছে ডলার। ২০০৩ সালে দেশে ‘ভাসমান বিনিময় (ফ্লোটিং)’ ব্যবস্থা চালু হওয়ার পর এমনটি আর ঘটেনি।

বাজার থেকে ডলার কিনে টাকার মান ধরে রাখাকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম।

সোমবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, “আমি মনে করি কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঠিক কাজটিই করছে। যদিও ফ্লোটিং মার্কেটে বাংলাদেশ ব্যাংকের হস্তক্ষেপ করার কথা নয়। কিন্তু এছাড়া উপায় ছিল না। না কিনলে রপ্তানি আয় ও রেমিটেন্স প্রবাহে নেতিবাচক প্রভাব পড়ত।”

দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা, রানা প্লাজা ও তাজরীন ফ্যাশনসে ভয়াবহ দুর্ঘটনার পরও বাংলাদেশ ব্যাংকের এ পদক্ষেপের ফলে রপ্তানি আয়ে ভালো প্রবৃদ্ধি হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

সাবেক এই অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, “চলতি অর্থবছরের শুরু থেকেই রেমিটেন্স প্রবাহে নেগেটিভ প্রবৃদ্ধি হচ্ছিল। বাজারে হস্তক্ষেপ না করা হলে তা আরও খারাপ হতো।”

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) গবেষণা পরিচালক জায়েদ বখতও আজিজুল ইসলামের সঙ্গে একমত।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, “যদি আমদানি ব্যয় বাড়তো তাহলে সমস্যা হতো। বাণিজ্য ঘাটতি গতবারের চেয়ে অনেক কম। সব মিলিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঠিকই করছে।”

বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেক্স রিজার্ভ অ্যান্ড ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের মহাব্যবস্থাপক কাজী ছাইদুর রহমান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, বাজার থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডলার কেনা-বেচা নিয়মিত ব্যাপার। রপ্তানি আয় বৃদ্ধি এবং আমদানির ধীর গতির কারণে বাজারে ডলারের সরবরাহ বেড়ে গেছে।

“বাজার স্থিতিশীল রাখতেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার কিনছে। বর্তমানে বাজার স্থিতিশীল রয়েছে।”

তিনি জানান, ২০১২ সালের প্রথম দিকে ডলারের দর বাড়তে বাড়তে এক পর্যায়ে ৮৫ টাকায় উঠেছিল। এরপর থেকে তা কমতে কমতে ২০১৩ সালের জানুয়ারি মাসে ৭৯ টাকা ২০ পয়সায় নেমে আসে।

ব্যাংকগুলোতে এই বিনিময় হারে সামান্য হেরফের হলেও গত বছর এপ্রিল থেকে এই বিনিময় হার মোটামুটি ৭৭ টাকা ৭৫ পয়সাতেই থাকছে।

রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক সোমবার ৭৮ টাকা ৩৫ পয়সায় ডলার কিনেছে। বিক্রি করেছে ৭৭ টাকা ৩৮ পয়সায়।

সোমবার দিন শেষে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৯১০ কোটি ডলার, যা অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে প্রথম সাত মাসে (জুলাই-জানুয়ারি) গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে রপ্তানি আয় বেড়েছে ১৫ দশমিক ০৮ শতাংশ।

অবশ্য এই সময়ে রেমিটেন্স প্রবাহ কমেছে ৮ দশমিক ০৯ শতাংশ। চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম ২১ দিনে প্রবাসীরা ৯৩ কোটি ডলার দেশে পাঠিয়েছেন।

২০০৩ সালে বাংলাদেশে ভাসমান মুদ্রা বিনিময় ব্যবস্থা (ফ্লোটিং) চালু হয়। অর্থ্যাৎ বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় ব্যবস্থা বাজারের উপর ছেড়ে দেওয়া হয়। তার আগ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার-টাকার বিনিময় হার ঠিক করে দিত। সে দরেই ডলার লেনদেন হতো।