ঢাকা,শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০১৫, ২৯ ফাল্গুন ১৪২১, ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৬

কোয়াড কোরের কয়েকটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন

Rate this item
(0 votes)

কোয়াড কোরের অ্যান্ড্রয়েড ফোন বলতে হাই এন্ড বা দামি অ্যান্ড্রয়েড ফোনের কথা ভাবেন অনেকেই। এখন কোয়াড কোরের প্রসেসরযুক্ত স্মার্টফোন বাজেটের মধ্যেও পেতে পারেন। প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট সিনেট-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাজেটবান্ধব  কোয়াড কোরের স্মার্টফোনগুলো যদিও পারফরমেন্সের দিক থেকে দামি স্মার্টফোনের সঙ্গে তুলনায় যেতে পারে না, তবে এতে স্বস্তিতে কাজ করা সম্ভব হয়। কোয়াড কোরের প্রসেসর থাকায় স্মার্টফোনে অ্যান্ড্রয়েডের সর্বশেষ সংস্করণ ব্যবহারের

সুবিধা থাকে।

স্মার্টফোনের কোয়াড কোর প্রসেসর নিয়ে জানা-অজানা
কোয়াড কোরের তত্ত্বটি পণ্য উত্পাদনকারী লাইনের সঙ্গে তুলনা করা যায়। একজন সব কাজ করার চেয়ে সবাই কাজের বিভিন্ন অংশ সম্পাদন করলে দ্রুত কাজ হয়। যদি কোনো কাজ যন্ত্রাংশের একটি অংশ না করে বেশ কয়েকটি অংশ মিলে সম্পাদন করে তবে দ্রুত সে কাজ সম্পন্ন হয়। এটাই মূলত মাল্টিকোর বা কোয়াড কোর পদ্ধতি। কোয়াড কোরের স্মার্টফোন নির্মাতাদের দাবি, কোয়াড কোর প্রসেসর থাকায় স্মার্টফোন দ্রুত কাজ সম্পাদন করে এবং এতে ব্যাটারি খরচ কম হয়। উন্নত ছবি, ভিডিও, দ্রুত অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার ইত্যাদি কোয়াড কোরের প্রসেসরের সুবিধা।

ওয়ালটন প্রিমো এনএক্স
কোয়াড কোরের স্মার্টফোন ক্রেতাদের কাছে পাঁচ দশমিক তিন ইঞ্চি মাপের ওয়ালটন প্রিমো এনএক্স বেশ জনপ্রিয় একটি স্মার্টফোন। ১৭ হাজার ৯৯০ টাকা দামের এই স্মার্টফোনটিতে রয়েছে ১.২ গিগাহার্টজের কোয়াড কোরের প্রসেসর ও এক গিগাবাইট র্যাম। চার গিগাবাইট ইন্টারনাল মেমোরি সুবিধার স্মার্টফোনটিতে পেছনে ১৩ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা রয়েছে। থ্রিজি সুবিধার স্মার্টফোনটির ব্যবহারকারীরা স্মার্টফোনটির ব্যবহার অভিজ্ঞতা ভালো বলেই মত দেন। এর ব্যাটারিতে তুলনামূলকভাবে ভালো চার্জ থাকে। দুই সিম সুবিধার ওয়ালটন প্রিমো স্মার্টফোনটির ওজন ১৮৯ গ্রাম।

সিম্ফোনি এক্সপ্লোরার ডব্লিউ ১২৫
১৪ হাজার ৯৯০ টাকা দামের কোয়াড কোরের একটি স্মার্টফোন হচ্ছে সিম্ফোনি ডব্লিউ ১২৫। অ্যান্ড্রয়েড জেলি বিন অপারেটিং সিস্টেমনির্ভর সাড়ে চার ইঞ্চি মাপের ডিসপ্লেযুক্ত কোয়াড কোর প্রসেসরের স্মার্টফোনটির ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা ভালো। এক গিগাবাইট র্যাম থাকায় স্মার্টফোনটি ব্যবহার বান্ধব। দুই সিমের স্মার্টফোনটিতে ব্লুটুথ, ওয়াই-ফাই, জিপিএস সংযোগ সুবিধা রয়েছে। স্মার্টফোনটির পেছনে রয়েছে ৮ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা সুবিধা।

এইচটিসি ওয়ান এক্স
৩৮ হাজার টাকা দামের এইচটিসির ওয়ান এক্স স্মার্টফোনটি কোয়াড কোরের একটি স্মার্টফোন। চার দশমিক সাত ইঞ্চি মাপের অ্যান্ড্রয়েডনির্ভর এ স্মার্টফোনটি মাইক্রোসিম সমর্থন করে। স্মার্টফোনটিতে পেছনের দিকে অটোফোকাসযুক্ত আট মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা রয়েছে।

স্যামসাং গ্যালাক্সি এস ৩
স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি এস ৩ কোয়াড কোরের একটি ভালোমানের স্মার্টফোন। চার দশমিক তিন ইঞ্চি মাপের ডিসপ্লেনির্ভর স্মার্টফোনটিতে রয়েছে আট মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা সুবিধা। দাম ৫৫ হাজার টাকা।