ঢাকা,শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০১৫, ২৯ ফাল্গুন ১৪২১, ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মিশরের প্রেসিডেন্ট হিসেবে সিসির শপথ

মিশরের সাবেক সেনা প্রধান আব্দেল ফাত্তাহ আল সিসি গত মাসে এক তরফা নির্বাচনে জয়লাভের পর দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন। স্থানীয় সময় রোববার সকালে রাজধানী কায়রোর সাংবিধানিক আদালতে শপথ বাক্য পাঠ করেন তিনি। খবর: বিবিসি।

সিসির শপথ গ্রহণকে কেন্দ্র করে সাংবিধানিক আদালতে ব্যাপক নিরাপত্তা নেয়া হয়। কায়রো সহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য মোতায়ের করা হয়। শপথ অনুষ্ঠানটি টেলিভিশন সরাসরি প্রচারিত হয়।

সোমবার থেকে ৫ দিনের জন্য কারফিউ শিথিল করবে থাই জান্তা

আগামী সোমবার থেকে পাঁচ দিনের জন্য কারফিউ শিথিল করতে যাচ্ছে থাই জান্তা সরকার।

ঐতিহ্যবাহী পূর্ণিমা উৎসব উপলক্ষ্যে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির পর্যটন কর্তৃপক্ষ। ওই উৎসবে বিদেশি পর্যটকরা যেন বিনা বাধায় আসতে পারেন, সে জন্যই এ ব্যবস্থা।

জামিন পেলেন ব্রিটেনে আটক পাকিস্তানি কওমি মুভমেন্টের নেতা

অবশেষে জামিন পেলেন ব্রিটেনে আটক পাকিস্তানের মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট দলের নেতা আলতাফ হোসেন।

শনিবার লন্ডন পুলিশ এ খবর দিয়েছে। এর আগে, শুক্রবার তাকে প্রায় সাত ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাকে আগামী জুলাই মাসে আবারও পুলিশের কাছে রিপোর্ট করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

৩০ বছর পর ফের সংঘর্ষ স্বর্ণ মন্দির প্রাঙ্গণ

অপরেশন ব্লু স্টারের ঠিক ৩০ বছর পর শুক্রবার ফের আরও একবার সংঘর্ষে কেঁপে উঠল অমৃতসরের স্বর্ণ মন্দির। সূত্রের খবর অনুযায়ী, শিরোমণি আকালি দল (অমৃতসর)-এর নেতা সিমরানজিত সিং মান আজ আকাল তখত থেকে বক্তৃতা দেওয়ার সময় তাঁকে বাধা দেয় শিরোমণি আকালি দলের অধীনে থাকা শিরোমণি গুরুদ্বারা প্রবন্ধক কমিটির (এসজিপিসি) লোকজন। মান সমর্থকরা এই ঘটনায় ক্ষেপে ওঠে।

কথা রাখলেন অভিনেতা দেব

নির্বাচনী প্রচারে কথা দিয়েছিলেন, এলাকার মানুষের যেকোনো বিপদে পাশে থাকবেন। কলকাতায় থাকালেও সব কাজ ফেলে ছুটে আসবেন তাঁর নিজের নির্বাচনী এলাকায় ঘাটালে। ১০ দিনও হয়নি নির্বাচনের জয়ী হয়েছেন অভিনেতা দীপক অধিকারী দেব। এরই মধ্যে নিজের নির্বাচনী কেন্দ্রে স্থানীয় একজন তৃণমূলকর্মী খুন হন। সেই খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কলকাতার সব শুটিংয়ের কাজ ফেলে চলে যান ঘাটালে।

১৫ জন নিহত ইয়েমেনে আল কায়েদা হামলায়

ইয়েমেনের দক্ষিণপূর্বাঞ্চলীয় এক শহরে সন্দেহভাজন আল কায়েদা সদস্য ও নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে লড়াইয়ে ১৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন। জঙ্গিরা ভারী অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে গতকাল দিবাগত রাতে সেনাঘাঁটি ও সরকারি স্থাপনায় এ হামলা চালায় বলে দেশটির নিরাপত্তা সূত্র আজ জানিয়েছে। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

হাদ্রামাউত প্রদেশের সেইউন শহরে এ ঘটনা ঘটে। গাড়ি বোমা, রকেট লঞ্চার ও ভারী মেশিনগান নিয়ে বেশ কয়েকজন আল কায়েদা সদস্য রাতের বেলা এ হামলা চালায়।

'পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশকে চাপে রাখতে চান মোদি'

ভারতের ভাবী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশিদের ‘অনুপ্রবেশ’ ঠোকাতে আলাদা দপ্তর খোলার যে নির্দেশ দিয়েছেন, তার নানা ব্যাখ্যা চলছে। অনেকের ধারণা, নির্বাচনের আগে ও পরে মোদির বাংলাদেশ বিরোধী অবস্থান একই রয়েছে।

মঙ্গলবার কলকাতা থেকে প্রকাশিত একটি দৈনিকের খবরে বলা হয়, মোদি সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে একটি পৃথক বিভাগ ও দপ্তর খোলা হবে। আর ঐ দপ্তরের প্রধান দায়িত্ব হবে আসাম, পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার মতো রাজ্যগুলোতে ‘বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ’ ঠেকানোর রূপরেখা ও ‘অনুপ্রবেশকারী’ চিহ্নিত করা। একইভাবে পাঞ্জাব, রাজস্থান ও কাশ্মিরে পাকিস্তানি অনুপ্রবেশ রোধ করাই এ দপ্তর খোলার উদ্দেশ্য।

এ খবরে বাংলাদেশে স্বাভাবিকভাবেই আবারো নতুন করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ‘নির্বাচনের আগে-পরের বিষয় নয়। মোদি মূলত তার রাজনীতিই করছেন।’

তিনি বলেন, ‘একদিকে তিনি বাংলাদেশ সরকারকে চাপে রাখতে চান ট্রানজিটসহ নানা সুবিধা আদায়ের জন্য। অন্যদিকে তিনি চান পশ্চিমবঙ্গ এবং আসামকে নিয়ন্ত্রণে আনতে। পশ্চিমবঙ্গ এবং আসামে মোদির ফরমুলা এবার কাজে লাগেনি।’

‘বাংলাদেশ বিরোধী প্রচারণা বা ‘বাংলাদেশের অনুপ্রবেশকারী’ ইস্যু ব্যবহার করে তিনি একেবারেই সুবিধা করতে পারেননি। পশ্চিমবঙ্গে মমতা ব্যানার্জির দুর্গ অক্ষত আছে। তাই মোদি এখন চাইছেন, ২০১৬ সালে রাজ্য সরকারের নির্বাচনে তার ইস্যুগুলো কাজে লাগাতে।’

ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ‘শুধু বাংলাদেশ কেন ভারতের নাগরিকরাও বিভিন্ন দেশে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করেন। এছাড়া অবৈধ অনুপ্রবেশ করলে আইনি ব্যবস্থার বিধান আছে সব দেশেই। এক দেশের নাগরিকরা আরেক দেশে অনুপ্রবেশ করলে সেটা ব্যক্তিগতভাবে করেন। কোনো সরকার এটাকে উৎসাহিত করে না। তাই এটা নিয়ে মোদির বাড়াবাড়ি রাজনীতিরই অংশ। বাংলাদেশ সরকারকে তা বুঝতে হবে। কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার না করে সমমর্যাদার ভিত্তিতে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য কাজ করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘এজন্য বাংলাদেশের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐক্য থাকতে হবে। নয়ত এর সুযোগ নেবে মোদি সরকার। কারণ, বাংলাদেশে রাজনৈতি অনৈক্য তো সবাই জানে।’ ড. আহমেদ বলেন, ‘ভারতের অনেক অভ্যন্তরীণ সমস্যা আছে। মাওবাদী, কাশ্মির, উত্তর-পূর্ব ভারত নিয়ে অনেক ঝামেলা আছে। তাই সামনের দিনগুলোতে কেন্দ্রের সঙ্গে মমতার লড়াই তীব্রই হবে।’

মোদীর শপথ ২৬ মে, অতিথি আড়াই হাজার

ছাব্বিশ মে ভারতের ১৫তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিচ্ছেন নরেন্দ্র মোদী। এ উপলক্ষে ভারতে চলছে সাজ সাজ রব।

রাষ্ট্রপতি ভবনে আয়োজিত শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ২হাজার ৫শ’ জনকে দলের পক্ষ থেকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। লোকসভা ও রাজ্যসভার সব সদস্যদের দাওয়াত করা হলেও বাদ পড়েছেন তাদের পরিবারের সদস্যরা।

অনুষ্ঠানে বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং উপস্থিত থাকতে পারেন বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া সাবেক প্রেসিডেন্ট আবুল কালাম আজাদ এবং প্রতিভা পাতিলকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

শপথ অনুষ্ঠানে সার্কভুক্ত দেশের প্রধানরাও আমন্ত্রণ পেয়েছেন। তবে পাকিস্তানের ‍প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের উপস্থিতির বিষয়টি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায় নি।

মন্ত্রী পদধারী একজন সদস্য সর্বোচ্চ চারজনকে সঙ্গে আনতে পারবেন। এছাড়া জোটের সব নেতাদেরও দাওয়াত দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে মোদীর মা হিরাবা (৯৫) ও ভাইয়ের উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

১ ঘণ্টা ১০ মিনিট ব্যাপী অনুষ্ঠানটি শুরু হবে ওইদিন সন্ধ্যা ৬টায়।

ব্রাজিলের সর্বকালের সেরা ১০ ফুটবল তারকা

বিশ্ব ফুটবলকে ব্রাজিলের শাসন করার নেপথ্যে রয়েছে তাদের ফুটবল তারকাদের উত্থান। যাদের ফুটবল মেধার কথা এখনো স্মরণ করে ফুটবলপ্রেমীরা। ব্রাজিলের সর্বকালের সেরা ১০ ফুটবলার সম্পর্কে কিছু তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
১. পেলে (১৯৫৭-৭১, আন্তর্জাতিক ম্যাচ ৯২টি, গোল ৭৭টি) : ফুটবল ইতিহাসে সর্বকালের সেরা ফুটবলার হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন পেলে। বর্ণিল ক্যারিয়ারে পেলে নিজেকে এমন এক রেকর্ডে পৌঁছে দিয়েছেন যেটি এখনো পর্যন্ত আর কেউ ভাঙতে পারেনি। একই সঙ্গে তিনি ফুটবলকেও পৌঁছে দেন অনন্য এক উচ্চতায়। ফুটবল ক্যারিয়ারে তার ১ হাজার ২৮১ গোলের রেকর্ডটি ফিফার অফিসিয়াল রেকর্ডের শীর্ষস্থান দখল করে রয়েছে। আর তিনিই হলেন ফুটবল ইতিহাসে একমাত্র খেলোয়াড় যিনি ৩টি বিশ্বকাপ জয়ের মেডেল লাভ করেছেন। তার মধ্যে ২টি বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ে প্রধান ভূমিকা রেখেছেন পেলে নিজে।
২. গ্যারিনচা (১৯৫৫-৬৬, আন্তর্জাতিক ম্যাচ ৫০টি, গোল ১২টি) : ব্রাজিলের ফুটবল ইতিহাসে যদি পেলের চেয়ে সেরা হিসেবে কাউকে মনোনীত করা হতো তাহলে সেই জায়গাটি লাভ করতেন এ ফুটবল কিংবদন্তি। ফুটবল ইতিহাসে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন সবচেয়ে রোমাঞ্চকর ও বিপজ্জনক খেলোয়াড় হিসেবে।
৩. রোনালদো (১৯৯৪-২০১১, আন্তর্জাতিক ম্যাচ ৯৮, গোল ৬২) : অনেকে মনে করেন এ পর্যন্ত যারা ফুটবল খেলেছেন তাদের মধ্যে সেরার আসন অলংকৃত করার যোগ্যতা রয়েছে পরিপূর্ণভাবে ফিটে থাকা রোনালদো।
২০০২ সালে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ী দলের সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন রোনালদো।
৪. জিকো (১৯৭৬-৮৬, আন্তর্জাতিক ম্যাচ ৭১টি, গোল ৪৮টি) : আইএফএফএইচএসের তালিকায় বিংশ শতাব্দীর অষ্টম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে জিকোকে। অসাধারণ পাস ও ফ্রি-কিকের জন্য তিনি বেশি নাম কামিয়েছেন।
৫. রোমারিও (১৯৮৭-২০০৫, আন্তর্জাতিক ম্যাচ ৭০টি, গোল ৫৫টি) : ‘গোল এলাকার জিনিয়াস’ হিসেবে বর্ণনা করা যায় রোমারিওকে। কিংবদন্তি জন ক্রুইফ ও রোমারিওকে সবচেয়ে প্রতিথযশা ও বস্তুনিষ্ঠ স্ট্রাইকার হিসেবে মনে করা হয়।
৬. রোনালদিনহো (১৯৯৯-বর্তমান, আন্তর্জাতিক ম্যাচ ৯৭টি, গোল ৩৩টি) : সেরা সময়ে ফুটবল ইতিহাসের খুব কম সংখ্যক খেলোয়াড় রয়েছে যারা রোনালদিনহোর সমকক্ষ দাবি করতে পারেন। ২০০২ সালে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের প্রধান নায়ক ছিলেন তিনি।
৭. কাকু (১৯৯০-২০০৬, আন্তর্জাতিক ম্যাচ ১৪২টি, গোল ৫টি) : ব্রাজিলের হয়ে সর্বাধিক আন্তর্জাতিক ম্যাচে অংশ নেয়া সবচেয়ে স্পেশাল খেলোয়াড় হচ্ছেন কাফু। তিনি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে ১৪২ বার জাতীয় দলের পোশাক জড়িয়েছেন গায়ে। তিনি ব্রাজিলের ১৯৯৪ ও ২০০২ বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ী দলেরও গর্বিত সদস্য ছিলেন।
৮. সক্রেটিস (১৯৭০-৮৬, আন্তর্জাতিক ম্যাচ ৬০টি, গোল ২২টি) : তিনি ছিলেন ব্রাজিল দলের একজন অতৃপ্ত মহানায়ক। দীর্ঘদেহি এবং রুচিশীল এ মিডফিল্ডার ১৯৮২ সালে জিকো, ফ্যালকাও ও ইডরকে নিয়ে এমন এক মধ্যমাঠ সৃষ্টি করেছিলেন যা ছিল এক অর্থে ভয়ঙ্কর।
৯. জাইরজিনহো (১৯৬৪-৮২, আন্তর্জাতিক ম্যাচ ৮১টি, গোল ৩৩টি) : ১৯৭০ সালে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের আরেক নায়ক। তিনি ব্রাজিল দলে যোগ দিয়ে প্রমাণ করেন কোন কিছুই অসম্ভব নয়।
১০. রবার্তো রিভেলিনো (১৯৬৫-৭৮, আন্তর্জাতিক ম্যাচ ৯২টি, গোল ২৬টি) : স্বাগতিক ব্রাজিলের হয়ে যারা ফুটবল বিশ্বে আলো ছড়িয়েছেন তাদের মধ্যে সর্বকালের সেরাদের তালিকায় ১০ অবস্থানে রয়েছে এ ফুটবল তারকা।

চার জনকে বাদ দিয়ে আর্জেন্টিনা দল

বিশ্বকাপের জন্য ঘোষিত ৩০ সদস্যের প্রাথমিক দল থেকে চারজনকে বাদ দিয়েছেন আর্জেন্টিনার কোচ আলেসান্দ্রো সাবেলা। পরশু দেশটির ফুটবল ফেডারেশন তাদের ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানায়। এখন রয়েছে ২৬ সদস্যের দল।

তবে ব্রাজিল বিশ্বকাপের জন্য চূড়ান্ত হবে ২৩ সদস্যের। তাই ২ জুনের মধ্যে বাদ দিতে হবে আরও তিনজনকে। অনুশীলন ক্যাম্প শুরুর আগে সাবেলা রক্ষণভাগের খেলোয়াড় লিসান্দ্রো লোপেজ এবং গাব্রিয়েল মার্সেডো এবং মিডফিল্ডার ফ্যাবিয়ান রিনাডু এবং স্ট্রাইকার ফ্রাঙ্কো ডি সান্টোকে দল থেকে বাদ দিয়েছে।

এবার আর্জেন্টিনা এফ গ্রুপে আফ্রিকা নেশনস কাপ চ্যাম্পিয়ন নাইজেরিয়া এবং প্রথমবারের মত বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পাওয়া বসনিয়া ও ইরানের বিপক্ষে খেলবে।

২৬ সদস্যের আর্জেন্টিনা দল :

গোলরক্ষক : মারিয়ানো আন্দুজার, সার্জিও রোমেরো ও অগাস্টিন ওরিয়ন।

ডিফেন্ডার : গুগো কমপেগনারো, ফেড্রিকো ফার্নান্দেজ, পাবলো জাবালেটা, ইজিকুইয়েল গ্যারে, মার্কোস রোজো, হোসে বসন্ত, নিকোলাস ওটামেন্ডি, মার্টিন ডেমিচেলিস।

মিডফিল্ডার : জাবিয়ার মার্সেরানো, হোসে সোসা, অগাস্টো ফার্নান্দেজ, রিকি আলভারেজ, লুকাস বিগলিয়া, ইভর বানেগা, ফার্নান্দো গগো, ম্যঙ্গি রড্রিগুয়েজ, এনজো প্যারেজ।

ফরোয়ার্ড : লিওনেল মেসি, অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া, রড্রিগো প্যালাসিও, গঞ্জালো হিগুয়েন, সার্জিও আগুয়েরো, ইজাকুইল লাভেজ্জি।