ঢাকা,শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০১৫, ২৯ ফাল্গুন ১৪২১, ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৬

নিষিদ্ধ নগরীর বীভৎস প্রথা !!!

Rate this item
(0 votes)

[[ ১৮ বছরের কম বয়সী ও দুর্বল ছিত্তের ব্যাক্তি দের এই পোস্টটি পড়া নিষেধ]]

 

পৃথিবীর নিষিদ্ধ নগরী তিব্বতে এমন একটি অদ্ভুত ও বীভৎস প্রথা আছে যা দেখে আমাদের সভ্য  সমাজের মানুষ শিউরে উঠবে। আমাদের ধর্মীও রীতি অনুজায়ী আমরা মৃৎ ব্যাক্তিকে মাটিচাপা দিয়ে  দাফন করি আর তিব্বতে মৃৎ ব্যাক্তিকে টুকরো টুকরো করে শকুনকে খাওয়ানো হয়!!!!!!!!!!!!!!

মৃৎদেহ সৎকারের জন্য তিব্বতে বৌদ্ধস্তূপ সমাধি( stupa burial  ) ও আকাশ সমাধি( sky-burial) নামে দুটি প্রথা প্রচলিত আছে। প্রথম প্রথা শুধু উচ্চ স্তরে ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব বা লামাদের জন্য প্রযোজ্য। আর দ্বিতীয় প্রথাটি সাধারণ মানুষের জন্য। তবে ১৮ বছরের কম বয়সের শিশু, গর্ভবতী নারী বা দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া মানুষের ক্ষেত্রে এ রীতি পালন করা হয় না।

 

দ্বিতীয় প্রথা বা আকাশ-সমাধির কাহিনি হলো তিব্বতিরা শকুনদেরকে চেনে ‘ডাকিনিস’ হিসেবে।  তিব্বতীয়দের মতে ডাকিনিসরা হলো দেবদূত। ডাকিনিসের অর্থ হচ্ছে আকাশের নৃত্যশিল্পী। তিব্বতীয়দের বিশ্বাস ডাকিনীরা মৃতের আত্মাকে স্বর্গে নিয়ে যায়। এটা হচ্ছে শান্তিময় এক স্থান যেখানে আত্মাদেরকে পুনর্জন্মের পূর্ব পর্যন্ত রাখা হয়। এছাড়া শকুনদেরকে মৃতদেহ ভক্ষণ করতে দেয়া হলে পুণ্য হয় বলে মনে করা হয়। কারণ এতে জীবের প্রতি দয়া দেখানো হয়!!

 

 

মৃতদেহকে তিন দিন পর্যন্ত কেউ স্পর্শ করে না। বৌদ্ধ ভিক্ষুরা মৃতদেহের চারপাশে ঘুরে ঘুরে ধর্মীয় বাণী পাঠ করতে থাকেন।  সমাধির আগের দিন মৃতদেহকে পরিষ্কার করা হয় ও সাদা কাপড়ে মুড়ে দেয়া হয়। সৎকার প্রক্রিয়া ভোর শুরু হওয়ার সাথে সাথে শুরু হয়।

সৎকার এর স্থানে পৌঁছানোর পর পর  মৃতদেহের উপর জড়ানো কাপড় খুলে ফেলা হয় এবং  মৃতদেহটিকে পেছন দিক থেকে টুকরো টুকরো করে কেটে ফেলা হয়। এরপর দেহের হাড়গুলোকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করা হয়।এই কাজের জন্য বিশেষ মানুষ আছে। মৃতদেহ  টুকরো করা শেষ হলে ছড়িয়ে দেয়া হয়, যেন শকুনরা খেতে পারে। সবশেষে  মৃৎ বাক্তির হাড়ের টুকরো গুলো পড়ে থাকে মাটির এখানে সেখানে। শুধুমাত্র মৃতের আত্মীয়-পরিবারকে এই দৃশ্যটি দেখার অনুমতি দেয়া হয়। আমাদের সভ্য সমাজে যা অকল্পনীয়।