ঢাকা,শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০১৫, ২৯ ফাল্গুন ১৪২১, ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৬

Saturday, 08 March 2014 04:50

কম্পিউটার থেকে মুছে ফেলা তথ্য উদ্ধার করা হচ্ছে

Rate this item
(0 votes)

পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের তথ্য উদ্ধারে সাবেক সচিব মোশাররফ হোসেন ভূইয়া ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কাজী ফেরদাউসের কম্পিউটার থেকে মুছে ফেলা তথ্য উদ্ধারের কাজ শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ লক্ষ্যে তাদের জব্দ করা কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ও ল্যাপটপ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।
সেতু বিভাগ থেকে এসএনসি-লাভালিনের সঙ্গে ই-মেইল চালাচালি ও পত্র যোগাযোগের তথ্য উদ্ধারের কাজে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) সহায়তা নেওয়া হচ্ছে। গতকাল মঙ্গলবার তদন্ত দলের সদস্যদের উপস্থিতিতে হার্ডডিস্ক ও ল্যাপটপ

পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করেছেন বিসিসির সহকারী প্রোগ্রামার হাসান-উজ-জামান। তথ্য উদ্ধারে ব্যবহার করা হচ্ছে উচ্চপ্রযুক্তি।
কম্পিউটার বিশেষজ্ঞ হাসান-উজ-জামান সমকালকে বলেন, 'তথ্য উদ্ধারের কাজ শুরু করেছি। দেখা যাক কতটুকু উদ্ধার করা যায়।' সূত্র জানায়, প্রকল্পে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে সেতু
বিভাগের সাবেক সচিব মোশাররাফ হোসাইন ভূইয়া ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কাজী ফেরদাউস কানাডায় এসএনসি-লাভালিনের সঙ্গে কম্পিউটারে ই-মেইল চালাচালি করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে পাঠানো ও কানাডা থেকে আসা ই-মেইলগুলো তাদের ব্যবহৃত কম্পিউটার থেকে মুছে ফেলা হয়েছে বলেও অভিযোগ পেয়েছে দুদক। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক তদন্ত দল গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর হঠাৎ করে সেতু বিভাগের অফিসে গিয়ে মোশাররাফ হোসাইন ভূইয়া ও কাজী ফেরদাউসের ব্যবহৃত দুটি কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ও ফেরদাউসের একটি ল্যাপটপ জব্দ করে। হার্ডডিস্ক ও ল্যাপটপ থেকে তথ্য উদ্ধারে বিসিসির সহায়তা চায় দুদক। ওইসব কম্পিউটার সামগ্রী জব্দ করার প্রায় চার মাস পর তথ্য উদ্ধারের কাজ শুরু করা হলো।
জানা গেছে, জব্দ করা ফেরদাউসের ল্যাপটপ থেকে তথ্য উদ্ধারের কাজ শুরু করা হয় গতকাল। ল্যাপটপ থেকে সমুদয় তথ্য উদ্ধার করতে কয়েকদিন সময় লাগবে। তদন্ত কমিটি সূত্র জানায়, দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে যেসব ই-মেইল চালাচালি করা হয়েছে সেগুলো উদ্ধার করা গেলে আদালতে আলামত হিসেবে তা পেশ করা হবে। ই-মেইল ছাড়া আরও কোনো পত্র যোগাযোগ করা হয়েছে কি-না তাও বের করা হবে।
পদ্মা সেতু প্রকল্পে এসএনসি-লাভালিনকে পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ পাইয়ে দিতে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ৭ জনকে আসামি করে গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর মামলা করেছে দুদক। এজাহারে সেতু বিভাগের কর্মকর্তা ও এসএনসি-লাভালিন কর্মকর্তাদের মধ্যে ই-মেইল চালাচালির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।