ঢাকা,শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০১৫, ২৯ ফাল্গুন ১৪২১, ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৬

Saturday, 08 March 2014 04:42

কম্পিউটার মাউসের রকমারি ব্যবহার

Rate this item
(0 votes)

মাউস ছাড়া ডেস্কটপ কম্পিউটারের ব্যবহার চিন্তা করা যায় না বললেই চলে। তবে এই মাউসের রয়েছে রকমারি ব্যবহার। আর তা জানা থাকলে কম্পিউটারে যে কোনো কাজ আরও আয়েশে করা যায়।
শিফট বাটন ও মাউস ক্লিক :অধিকাংশ ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম বা টেক্সট এডিটরে শিফট কি ও মাউস ক্লিকের মাধ্যমে সম্পূর্ণ বা আংশিক লেখা সিলেক্ট করা যায়। লেখার সময় কার্সরকে যে কোনো একটি প্যারাগ্রাফের শুরুতে রেখে এরপর শিফট কি চেপে ধরে ওই প্যারাটির শেষে ক্লিক করলে পুরো প্যারাটিই নির্বাচিত হয়ে যায়। আবার একই কলামে অবস্থিত টেক্সট নির্বাচন

করার জন্য অলটার কি চেপে ধরে ড্র্যাগিং করে কাঙ্ক্ষিত অংশটি সিলেক্ট করে নেওয়া যায়।
স্ক্রল হুইল :বর্তমানে অধিকাংশ মাউসেই স্ক্রল চাকা আছে। এর মাধ্যমে যে কোনো পেজের ওপর-নিচে যাওয়া যায়। এ ছাড়া মাউস হুইলটি শুধু একটি হুইলই নয়, এটি একটি বাটন হিসেবেও কাজ করে। মাউস হুইলটিকে অনেকটা মাউসের তৃতীয় বাটন হিসেবে ব্যবহার করা যায়। মাউস হুইলের মাধ্যমে যে কোনো লিঙ্কের ওপর ক্লিক করলে তা নতুন একটি ট্যাবে ওপেন হয়। আবার যে কোনো ট্যাবের ওপর মাউস হুইল দিয়ে ক্লিক করে ট্যাবটিকে বন্ধও করা যায়। আবার ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়ের সময় শিফট কি চেপে ধরে নিচে বা ওপরে স্ক্রল করলে খুব তাড়াতাড়ি পেজটির উপরে বা নিচে যাওয়া যায়। কন্ট্রোল কি চেপে ধরে উপরে বা নিচে স্ক্রোল করে ওয়েবপেজ-ওয়ার্ড পেজকে জুম করে দেখা যায় আবার ছোটও করা যায়।
একাধিক ক্লিক :ডাবল ক্লিক ও ট্রিপল ক্লিকের মাধ্যমে সিলেক্ট করা যায়। যে কোনো শব্দের ওপর ডাবল ক্লিক করে শব্দটিকে সিলেক্ট করা যায়। একটি সম্পূর্ণ অনুচ্ছেদ সিলেক্ট করার জন্য যে কোনো অনুচ্ছেদ বা প্যারাগ্রাফের যে কোনো অংশে ট্রিপল ক্লিক বা একসঙ্গে তিনবার ক্লিক করলেই হয়।
কন্ট্রোল কি ও মাউস ক্লিক :কন্ট্রোল কি চেপে ধরে বিভিন্ন ফাইলের ওপর ক্লিক করে ফাইলগুলোকে একসঙ্গে সিলেক্ট করে নেওয়া যায়। ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়ের সময় ঈঃৎষ চেপে ধরে যে কোনো লিঙ্কের ওপর রাইট ক্লিক করলে লিঙ্কটি নতুন একটি ট্যাবে ওপেন হবে।
মাউসের সাইড বাটনের ব্যবহার :বর্তমানে নতুন মডেলের মাউসগুলোতে দুই সাইডে এক্সট্রা দুটি বাটন থাকে। এ বাটন দুটিকে নিজের ইচ্ছামতো প্রোগ্রামিং করে সুবিধাজনক কাজে ব্যবহার করা যায়। সাধারণত ডিফল্টভাবে লেফট থাম্ব বাটন দিয়ে ব্রাউজিংয়ের সময় পেছনের পেজে যাওয়া যায়। এতে করে ইন্টারনেট ব্রাউজিং আরও সহজতর হয়ে ওঠে।
উইন্ডোজের স্ন্যাপ টু সুবিধার ব্যবহার :উইন্ডোজের স্ন্যাপ টু ফিচারটির মাধ্যমে মাউস কার্সর অটোমেটিকভাবেই কোনো ডায়লগ বক্সের বাটনে চলে যায়। যেমন, কোনো ফাইল ডিলিট করার সময় উইন্ডোজ আপনাকে সতর্কতামূলক বার্তা দেখানোর জন্য একটি ডায়লগ বক্স প্রদর্শন করবে। এ ক্ষেত্রে স্ন্যাপ টু সুবিধাটি চালু করা থাকলে মাউস কার্সরটি আপনাআপনি ওকে বাটনে চলে যাবে, ফলে আপনাকে শুধু ক্লিক করলেই হবে। এই সুবিধাটি চালু করতে কন্ট্রোল প্যানেলে অবস্থিত মাউস প্রোপার্টিস থেকে স্ন্যাপ টু অপশনটি চালু করে দিলেই হবে।ওপেন করা উইন্ডো ম্যানেজ করা :যে কোনো ওপেন করা উইন্ডো-এর টাইটেলবারে ডাবল ক্লিক করে উইন্ডোটিকে ম্যাক্সিমাইজ অথবা রিসাইজ করা যায়। এ ছাড়াও ওপেনকৃত উইন্ডোর ওপরে বাম দিকে অবস্থিত লোগোটিতে ডাবল ক্লিক করলে উইন্ডোটি বন্ধ হয়ে যাবে।