ঢাকা,শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০১৫, ২৯ ফাল্গুন ১৪২১, ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৬

Rate this item
(0 votes)

গাড়ি চালাতে গিয়ে মনোযোগে বিঘ্ন ঘটলে ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। কিন্তু গাড়ি যদি বুদ্ধিমান হয়? সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অনুষ্ঠিত মোটর শোতে দেখা মিলছে নানা রকম প্রযুক্তি সুবিধার সর্বাধুনিক গাড়ি। ৬ মার্চ থেকে ১৬ মার্চ অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই মোটর বাইক প্রদর্শনী। বিবিসি অনলাইনের এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বয়ংক্রিয় গাড়ি, রোবট গাড়ি কিংবা ড্রোন গাড়ি যে নামেই ডাকুন না কেনো চালক বিহীন গাড়ি এখনই বাস্তবতা। আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই

আপনার কাছের গাড়ির শোরুমে দেখা যাবে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের স্বয়ংক্রিয় গাড়ি।
ধরুন, আপনি যখন গাড়ির চালকের সিটে এমন সময় রোমাঞ্চকর খেলা চলছে। কিন্তু রাস্তায় চোখ রাখতে হচ্ছে বলে খেলা দেখতে পারছেন না। সর্বাধুনিক প্রযুক্তির স্বয়ংক্রিয় এই গাড়ির এমন সুবিধা থাকবে যাতে চালক গাড়ির মধ্যে বসেই মুভি দেখতে বা রোমাঞ্চকর খেলা দেখতে পারবেন আর গাড়ি নিজস্ব বুদ্ধিমত্তা দিয়ে আপনাকে কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে নিয়ে যাবে।
অনেকেই ধারণা করছিলেন, স্বয়ংক্রিয় বা চালকবিহীন গাড়ি এখনও হয়তো বাজারে আসতে এক দশকের মতো সময় লাগতে পারে কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবারের জেনেভা মোটর শো সেই ধারণা পাল্টে দেবে। মনে হবে, রাস্তায় আপনার পাশের গাড়িতে চালককে স্টিয়ারিং ছাড়াই দেখতে পাবেন শিগগিরই।টয়োটার কনসেপ্ট কার
গবেষকেরা বলছেন, কনসেপ্ট কার ও ভবিষ্যতের জন্য তৈরি গাড়ির নকশাগুলো এ বছর জেনেভা মোটর শোতে মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রে।
এবারের মেলায় আগ্রহীদের নজর কাড়বে ল্যাম্বরগিনির হুরাকান এলপি ৬১০-৪। বিলাসবহুল এ গাড়িটি ল্যাম্বরগিনির গ্যালার্দো গাড়ির পরবর্তী সংস্করণ। ৬১০ ব্রেক হর্স পাওয়ারের ভি১০ ইঞ্জিন চালিত হারিকেন গাড়িটির সর্বোচ্চ গতি দাঁড়াবে ঘণ্টায় ২০২ মাইল। এক হাজার ৪২২ কেজি ওজনের গাড়িটি প্রতি গ্যালন জ্বালানিতে সাড়ে ১৮ মাইল পর্যন্ত যেতে পারে।
এভাবেই গাড়ির মধ্যে বসে গল্প করতে পারবেন যাত্রী ও চালক আর গাড়ি চলবে স্বয়ংক্রিয়গাড়িটির হাইব্রিড চেসিস তৈরিতে ব্যবহূত হয়েছে অ্যালুমিনিয়াম ও কার্বন ফাইবার। ৫.২ লিটারের ডিরেক্ট-ইনজেকটেড টেন সিলিন্ডারের শক্তি নিয়ে এই গাড়িটি সুপারকার হিসেবে গ্রাহকদের আকৃষ্ট করতে পারে।গাড়িটি বাজারে ছাড়ার আগে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৬০ টি শহরে ১৩০ টি প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে।
এবারের মোটর শোতে বিলাসবহুল থেকে ভবিষ্যত্ প্রজন্মের অনেক গাড়ির দেখা মিলবে। এসব গাড়ির নকশা দেখে মনে হবে বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি থেকে উঠে আসা কোনো গাড়ির ধারণা, কিন্তু গাড়ির ভবিষ্যত্ বলতে এগুলোই। জার্মান নকশা নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইডিএজি ‘জেনেসিস’ নামের এমনই একটি কনসেপ্ট কার দেখিয়েছে যাতে গাড়িতে নতুন ধরনের কাঠামো ব্যবহার করা হয়েছে। ইডিজিএ তাদের কনসেপ্ট কার তৈরিতে ব্যবহার করেছে থ্রিডি প্রিন্টিং প্রযুক্তি।

এবারের মেলায় টয়োটা, পিগট, ফেরারি, ভক্সওয়াগেনের সর্বশেষ সংস্করণের গাড়ির দেখা মিলছে।