ঢাকা,শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০১৫, ২৯ ফাল্গুন ১৪২১, ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৬

ঈদুল ফিতরের প্রধান জামায়াত সকাল সাড়ে ৮টায়

Rate this item
(0 votes)

মুসলমানদের দুটি বড় উৎসবের মধ্যে একটি হচ্ছে ঈদুল ফিতর। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর প্রতীক্ষিত সেই ঈদুল ফিতর প্রায় সন্নিকটে। ঈদের নামাজের জন্য প্রস্তুত জাতীয় ঈদগাহ। প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৮ টায়। মোট ৫টি জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে।

প্রায় ২ লাখ ৫৯ হাজার বর্গফুট আয়তন বিশিষ্ট জাতীয় ঈদগাহ ময়দানটি প্রস্তুত করতে নিরন্তর কাজ করছে ৮০জন শ্রমিক। গত পাচঁ রমজান থেকে কাজ শুরু হয়ে এখনও চলছে ঈদগাহ ময়দান পরিপাটি ও সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ।

ঈদগাহ মাঠ সাজানো ও নামাজের জন্য প্রস্তুত করার দায়িত্বে আছেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স পিয়ারু সর্দার অ্যান্ড সন্স ডেকোরেটর।

 

 

গত ৮-৯ বছর ধরে এ প্রতিষ্ঠানটি জাতীয় ঈদগাহ ময়দান প্রস্তুতির কাজ করে আসছে। দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠানের ভাষ্য অনুযায়ী, ‘সম্পূর্ণ মাঠে বাঁশ দিয়ে প্যান্ডেল তৈরির কাজ সম্পন্ন হয়েছে। উপর দিয়ে ত্রিপল টাঙ্গানোর কাজ শুরু হয়েছে। বৃষ্টিতে যাতে সমস্যা না হয়, সে জন্য উপরে দেওয়া হচ্ছে মোটা ত্রিপলের ছাউনি। পানি নিষ্কাশনের জন্য রাখা হয়েছে ড্রেনেজ ব্যবস্থা।’

 

 

ঊরফ-মধ--৫এ ছাড়া সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য মাঠের বাইরের অংশে নতুন করে চুনকাম করা হয়েছে এবং মাঠের চারপাশের লোহার তৈরি বেড়াকে বড় করা হয়েছে বলেও জানান তারা।

 

 

এদিকে, সরকারের পক্ষ থেকে জাতীয় ঈদগাহের সার্বিক বিষয়গুলো দেখাশুনা করছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন।

 

জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, বিচারপতি ও কূটনীতিকসহ সাধারণ মানুষেরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এক কাতারে নামাজ আদায় করবেন। আর বিশাল এ জামায়াতের ইমামতি করবেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মাওলানা সালাহউদ্দিন।

 

 

জাতীয় ঈদগাহে এক সঙ্গে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন। মুসল্লিদের সুবিধার্থে ৪৭০টি সিলিং ফ্যান ও ৪৬৪টি বাতি লাগানো হবে। ঈদগাহ মাঠের পূর্বপাশে থাকবে পানি ও অজুখানার ব্যবস্থা। অজুখানায় এক সঙ্গে ১৬০ নারী-পুরুষ মুসল্লি অজু করতে পারবেন। একই সঙ্গে ভিআইপি মুসল্লিদের জন্য একটি টয়লেটের ব্যবস্থাও থাকবে বলে জানা গেছে।

 

 

ঊরফ-মধ--২জাতীয় ঈদগাহে নারীদের ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য পর্দা দিয়ে আলাদা ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আলাদা ব্যবস্থা থাকছে কূটনৈতিক মিশনের সদস্য ও তাদের স্ত্রীদের জন্য।

 

 

এ ছাড়া ঈদগাহ ময়দানজুড়ে সার্বিক নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ জন্য ইতোমধ্যেই ঈদগাহ মাঠের চারপাশে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা বসানো হয়েছে, যা দিয়ে সারাক্ষণ পর্যবেক্ষণ করবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এছাড়া নিরাপত্তার ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তিও ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছেন নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্টরা।