ঢাকা,শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০১৫, ২৯ ফাল্গুন ১৪২১, ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৬

ভিনজগতে জবর মজা

Rate this item
(0 votes)

গুহার ভেতরে ঢুকেই শিশুদের চিৎকার। হইচই করতে করতে জড়িয়ে ধরছে মা-বাবা কিংবা ভাই-বোনদের। আনন্দের যেন শেষ নেই। পার্কের চারদিকে একটি ট্রেন দুবার ঘুরে হ্রদের ধারে স্টেশনে এসে থামছে। যাত্রীরা নামছেন। হ্রদে স্পিডবোটে চড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন অনেকে। সেই সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে শিশুরা নাগরদোলায় দুলছে, নানা রাইডে চড়ছে। রংপুর নগরের কোলাহলময় জীবন থেকে কিছুটা দূরে গঙ্গাচড়া উপজেলার খলেয়া গুঞ্জিপুর এলাকার নিরিবিলি পরিবেশে ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ‘ভিন্নজগত’ নামের বিনোদনকেন্দ্র। দিনভর আনন্দে ঘুরে বেড়াতে পারেন এখানে। ছোট-বড় সবার জন্য রয়েছে আলাদা আলাদা রাইড। রয়েছে মনীষীদের কথা

ও লোকশিল্পের মেলা নামের ভিন্ন আয়োজন, শিশু কানন, মেরি-গো-রাউন্ড, সুইমিং পুল, হেলিকপ্টার, ফ্লায়িং জোন, নাগরদোলা, ক্যাঙ্গারু মুভিং, স্পাইডার জোন, এয়ারপ্লেন রাইড, আজব গুহা ইত্যাদি মজার সব আয়োজন। রাতে থাকার জন্য রয়েছে কটেজ। রান্নার আয়োজনও আছে। এ ছাড়া পুরো পার্কে রয়েছে পিকনিক স্পট। কেনাকাটার জন্য শপিং মলও আছে। খিদে পেয়ে গেলে বসে পড়ুন এখানকারই রেস্তোরাঁতে। পার্কের ব্যবস্থাপক জিয়াউর রহমান বলেন, বিদ্যালয়ের শিশু-কিশোরদের জন্য বিভিন্ন রাইডে অর্ধেক টাকা ছাড় দেওয়া হয়। এ ছাড়া প্রতিবন্ধীদের জন্য বিনা মূল্যে সব রাইডে চড়ার সুবিধা রয়েছে। কম টাকায় গাড়ি রাখার ব্যবস্থা রয়েছে।

কীভাবে যাবেন
রংপুর শহরের মেডিকেল মোড় থেকে দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও কিংবা পঞ্চগড়ের বাসে চড়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিটের পথ। পাগলাপীরে নামুন। এরপর এখান থেকে খলেয়া গুঞ্জিপুর বাজারে রিকশা কিংবা ভ্যানগাড়িতে যাওয়া যায়।

কোথায় থাকবেন
পার্কের নিজস্ব ২৩টি কটেজ রয়েছে। এ ছাড়া রংপুর শহরে আবাসিক হোটেল রয়েছে।