ঢাকা,শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০১৫, ২৯ ফাল্গুন ১৪২১, ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৬

বৈশাখের ১৪ তারিখে তিতাস নদীর পাড়ে বান্নি মেলা বসে

Rate this item
(0 votes)

গ্রামীন সংস্কৃতির ঐতিহ্য ধরে রেখেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ভাদুঘরের বান্নি মেলা। ঘর-গৃহস্থির জন্যে প্রয়োজনীয় সবই মেলে এখানে। আছে পুতুল নাচ ও নাগরদোলাও। ভোর থেকে শুরু হয়ে এ মেলা চলে সন্ধ্যা রাত পর্যন্ত। এ মেলার শুরু নিয়ে আছে অনেক গল্প। তবে শুরুটা যে ভাবেই হোক ভাদুঘরের বান্নি এখন পরিণত হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষের প্রাণের উৎসবে।
প্রতিবছর বৈশাখের ১৪ তারিখে তিতাস নদীর পাড়ে বসে এ বান্নি মেলা।

সময়ের আবর্তে এটি এখনো বান্নি তার আদি রূপ হারিয়ে ফেলেনি। আবহমান বাংলার সংস্কৃতির পরিচয় এখনো টিকে আছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এই বান্নিতে।

মেলায় মাটির হাড়ি-পাতিল, খেলনা, মাছ ধরার জাল-পলো,লাঠি-বাশি, ধান ভানার জন্যে কাঠ দিয়ে তৈরী গাইল-সাহাইট এবং কাঠের আসবাবপত্র এই মেলার বিশেষপন্য। আর রয়েছে হরেক রকমের খাবারের আয়োজন।

শুধু ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেক নয় আশেপাশের জেলা থেকে বিক্রেতারা এসে পাঁচ’শর অধিক দোকানের পসরা সাজিয়ে বসেছেন এ মেলায়। আর ক্রেতা ও দর্শনার্থীরা সারা বছরের ঘর গৃহস্থলি জন্যে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনে নেন এ মেলা থেকে।

ভাদুঘর গ্রামের বাসিন্দাদের দূরদূরান্তে থাকা আত্বীয় স্বজনরা এই বান্নি উপলক্ষে ছুটে আসেন এখানে। কমতি নেই ছোটদের বিনোদনেরও। বাড়তি আনন্দ দিতে আছে পুতুল নাচ, নাগরদোলা।