ঢাকা,শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০১৫, ২৯ ফাল্গুন ১৪২১, ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৬

আদার চা পানের আটটি সুফল

Rate this item
(0 votes)

বাঙালির প্রাত্যহিক জীবনে আদা একটি অন্যতম অপরিহার্য উপাদান। প্রায় সব রান্নাতেই আমরা কম-বেশি আদা ব্যবহার করি। আর সাধারণ সর্দি-কাশি, ঠান্ডায় ঘরোয়া চিকিত্সা হিসেবে আদার ব্যবহার সুপ্রাচীন কাল থেকেই চলে আসছে।
আদার রস মিশ্রিত রং চা আমরা অনেকেই পান করি। কিন্তু এর গুণাগুণ জানি কজনে? গতকাল শনিবার টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে আদার চা পানের আটটি

সুফল উল্লেখ করা হয়েছে।

বিতৃষ্ণা ও বমি ভাব দূর করে
কোথাও বেড়াতে যাওয়ার আগে এ কাপ আদা চা পান করে নিতে পারেন। এতে করে যাত্রার গতির ফলে শরীরে যে বিবমিষা ও বমি বমি ভাব তৈরি হয়, তা দূর হবে।


পাকস্থলীর কর্মক্ষমতা বাড়ায়
আদা চা খাবার হজম করে পাকস্থলীর পরিপাক-প্রক্রিয়া উন্নত করতে সহায়তা করে। প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাবার খেয়ে পেট ফুলিয়ে ফেলেছেন? চিন্তা নেই। চটপট এক কাপ আদা চা পান করুন। স্বস্তি পাবেন।


শরীরের প্রদাহ কমায়
আদাতে ভিটামিন সি, ম্যাগনেশিয়ামসহ মানবদেহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অনেকগুলো খনিজ উপাদান উচ্চমাত্রায় রয়েছে। এগুলো একই সঙ্গে ব্যথানাশক হিসেবেও কাজ করে। তাই পেশি ও জয়েন্টের ব্যথা কমানোর জন্য এটি একটি উত্কৃষ্ট ঘরোয়া উপাদান। আদার চা পানের পাশাপাশি ব্যথা কমাতে এটি জয়েন্টে লাগাতেও পারেন।


শ্বাসতন্ত্রের রোগ মোকাবিলা করে
সাধারণ ঠান্ডা, সর্দি-কাশি নিরাময়ে আদা যে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা রাখে তা কম বেশি সবারই জানা। অ্যালার্জিজনিত কারণে শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা বোধ করলে, আদার চা পানে সুফল পেতে পারেন।


রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়
আদাতে ভিটামিন, খনিজ ও অ্যামাইনো অ্যাসিড রয়েছে। এটি রক্ত সঞ্চালন-প্রক্রিয়া উন্নত করে হূত্যন্ত্রকে সুস্থ রাখে। পাশাপাশি আদার রস ধমনিতে চর্বি জমতে বাধা দেয়। ফলে প্রতিদিন আদা চা পান করলে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকটাই কমবে।


ঋতুচক্রের ফলে সৃষ্ট প্রদাহ লাঘব করে
যেসব নারী ঋতুচক্রের সময় শারীরিক যন্ত্রণায় ভোগেন, আদা তাঁদের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি উপাদান। আদা মিশ্রিত গরম চায়ে তোয়ালে ভিজিয়ে নিংড়ে নিন। এরপর তলপেটে সেঁকা দিন। এটি আপনার ব্যথা কমাবে এবং আপনার মাংসপেশিকে আরাম দেবে। এর পাশাপাশি মধু মিশিয়ে এক কাপ আদা চা পান করলে আরও ভালো ফল পাবেন।


রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
আদাতে উচ্চমাত্রায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। তাই এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।


মানসিক চাপ কমায়
আদার তীব্র নির্যাস মানসিক চাপ ও উত্তেজনা হ্রাস করতে সহায়তা করে।