ঢাকা,শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০১৫, ২৯ ফাল্গুন ১৪২১, ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৬

Wednesday, 19 March 2014 20:42

রান্নাঘরে মিউজিক থেরাপি

Rate this item
(0 votes)

রোজ রোজ রান্না। আর ভালো লাগে না। ঘুম ভেঙেই রান্নাঘরে যেতে হলে অনেক সময় মনে হয় জড়তা কাটছে না। সারা দিন বাইরে অফিস বা নানান কাজে দৌড়ঝাঁপ করে এসেও বেশ ক্লান্ত। যদি এমন হয় গান শুনতে শুনতে সারা হবে রান্নাঘরের কাজ। হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন। গানকে তো বলা যায় এক ধরনের যোগব্যায়াম। আর মিউজিক থেরাপি মস্তিষ্কের নিউরনকে উজ্জ্বীবিত করে, কমায় মানসিক চাপ। সুতরাং গান শুনতে শুনতে রান্নার কাজ চললে কিন্তু মন্দ হয় না।

গান শোনার যন্ত্র: ঘর সাজাতে কত কিছুই না কেনেন। তবে রান্নাঘরের জন্য একটা ছোট স্পীকার কেন নয়? ছোট স্পীকার, মোবাইল, টেপ রেকর্ডার  বা এমপিথ্রিতে শুনতে পারেন গান। রান্নাঘর ছোট হলেও এসব রাখতে তেমন কোনো বাড়তি জায়গা নষ্ট হবে না।

শব্দের মাত্রা : খুব বেশি শব্দ যন্ত্রণা আরো বাড়াতে পারে। রান্নাঘরে না হয় হালকা শব্দেই গান শুনুন। মাঝারি শব্দে গান শোনার আরেকটা ভালো দিক হলো অন্য কেউ বিরক্ত হবে না। আবার শব্দ দূষণও হবে না।

ঠিকঠাক গানের প্লে লিষ্ট : গান হলেই যে সেটা ভাল লাগবেই এমনতো কোনো কথা নেই। কোনো কোনো গান হতে পারে আপনার বিরক্তির কারণ। সেজন্য প্রথমে নিজের পছন্দের গানগুলো প্লে লিস্টে আনুন। তার চালিয়ে দিন। এক এক করে বেজে যাক পছন্দের গানগুলো আর আপনি সেরে নিন যতসব হাতের কাজ।

খেয়াল রাখুন : রান্না করার সময়টাকে আনন্দময় করার জন্য গান শুনছেন। তাই বলে গান শুনতে শুনতে একেবারে মগ্ন হবেন না । এতে করে রান্না নষ্ট হবার সম্ভাবনা থাকবে। আবার আপনি রান্না করছেন মানে আগুনের পাশে আছেন। সুতরাং হেয়ালিপনা নয়। দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে। টাইমস অব ইন্ডিয়া অবলম্বনে।