ঢাকা,শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০১৫, ২৯ ফাল্গুন ১৪২১, ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৬

দিন শুরু হোক সুন্দরভাবে

Rate this item
(0 votes)

সকালে ঘুম থেকে ওঠার ক্ষেত্রে অনেকেরই আলসেমি থাকে। ঘুম ভাঙার পরও বিছানা ছেড়ে উঠতে ইচ্ছা হয় না। বিছানায় গড়াগড়ি করতে করতে আরেকটুখানি ঘুমিয়ে নিতে চান অনেকেই। এভাবে সকালটা অগোছালোভাবে শুরু হয়। কিন্তু পরিকল্পিতভাবে সকাল শুরু করতে পারলে দিনটা চমত্কার কাটতে পারে। যুক্তরাজ্যের মেট্রো অনলাইন এক নিবন্ধে সুন্দরভাবে সকাল শুরুর পাঁচটি পরামর্শ দিয়েছে।
ধাপে ধাপে ঘুম থেকে ওঠা
ঘুম ভাঙার পর বিছানা ছাড়তে যাদের সময় লেগে

যায়, তাঁরা ‘টারগেট টাইম’ থেকে ১৫-২০ মিনিট আগে অ্যালার্ম দিন। বাড়তি সময়টুকুতে ধাপে ধাপে ঘুম থেকে ওঠার চেষ্টা করুন। প্রথমে চোখ খোলা, তারপর বসা, তারপর উঠে পড়া। নিজেকে সে সময় বোঝানো যেতে পারে যে, যেহেতু ঘুম থেকে উঠতেই হবে সেহেতু গড়িমসি না করে উঠে পড়াই ভালো। ঘুম থেকে ওঠার এই পদ্ধতিটি ঘুম ভাঙার প্রক্রিয়াটিকে শান্ত ও ধীরস্থির করতে সহায়তা করবে।
সকালে উঠে পানি পান
রাতে ঘুমের মধ্যেও আমাদের শরীর হজমের কাজসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় জৈবিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে থাকে। এতে সকালবেলায় শরীরে পানির ঘাটতি থাকে। ভোরে পরিমাণমতো পানি পান শরীরকে চাঙা ও কর্মক্ষম করে তোলে। তবে একেবারে ভোরে শুধু পানি পানে অনীহা থাকলে বৈচিত্র্য আনতে পারেন। পানির সঙ্গে ফলের রস মিশিয়ে বা নানা ধরনের শরবত বানিয়ে রেখে তা পান করা যেতে পারে।

টেলিভিশনকে না

ঘুম থেকে উঠেই টেলিভিশনের সামনে বসা অনেকের অভ্যাস। কেউ হয়তো ভাবেন, সকাল সকাল খবরের শিরোনাম জেনে রাখা দরকার। সেটি করা যেতে পারে অফিস কিংবা মূল কাজ শুরুর আগের সময়টিতে। কিন্তু ঘুম থেকে ওঠার পরপরই টেলিভিশনের সামনে বসলে মন বিক্ষিপ্ত হয়ে যেতে পারে। টেলিভিশনের নানা খবরাখবর আপনার মনকে অস্থির করে তুলতে পারে। সকালবেলায় এটা মোটেই কাম্য নয়। শারীরিক ও মানসিকভাবে কাজের প্রস্তুতি নিতে সারা দিনের একটি ছক তৈরি করুন মনে মনে। কিংবা কোনো ভাবনাচিন্তা ছাড়া বারান্দায়, ছাদে কিংবা বাড়ির কাছের খোলা জায়গায় ৫-১০ মিনিট সময় কাটান হেঁটে বেড়িয়ে।

গোসল

সকালে গোসল করার অভ্যাস মনকে সতেজ করে। ঘুমের কারণে অবিন্যস্ত চুল হয় পরিপাটি। ত্বকে আসে নমনীয়তা। গোসলে ত্বক-উপযোগী সাবান ব্যবহার করা যেতে পারে। সকালে গোসলের অভ্যাস কাজের উদ্যম বাড়ায়, শরীরে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক করে, বিষণ্নতা কমায়।

সকালের নাশতা

অনেকেই সকালের নাশতাকে হালকা খাবার হিসেবে বিবেচনা করে অবহেলা করেন। অথচ দুপুরের খাবারের আগেই সাধারণত বেশি পরিশ্রম করা হয়ে থাকে। সেহেতু সকালের নাশতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নাশতা হতে হবে পর্যাপ্ত। যত তাড়াহুড়োই থাকুক, রুটিন করে সকালের নাশতা সারতে হবে। আর সকালে সময়মতো নাশতা না করা নানা রোগের কারণ হয়ে উঠতে পারে।