ঢাকা,শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০১৫, ২৯ ফাল্গুন ১৪২১, ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৬

অনলাইন ডেস্ক

সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে নকল ডিম, জেনে রাখুন বিষাক্ত ডিম চিনে নেয়ার ১০টি লক্ষণ

নকল বা কৃত্রিম ডিমের কথা এখন সবাই জানেন। অনেকেই বিষয়টিকে গুজব বলে উড়িয়ে দিলেও এখন আর সেটা গুজবের পর্যায়ে নেই। কেননা খোদ বাংলাদেশেই নকল ডিম কেনার ও খাওয়ার অভিজ্ঞতা অনেকের হয়েছে। এবং আক্ষরিক অর্থেই চিন থেকে বিপুল পরিমাণ নকল ডিম ছড়িয়ে পড়ছে বাংলাদেশে-ভারত-মায়ানমার সহ আশেপাশের অনেক দেশেই।

 

মায়ানমারের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এবং ইন্ডিপেন্ডেন্ট মর্নিং নিউজ এজেন্সি-সহ বেশ কয়েকটি বিদেশি সম্প্রতি জানিয়েছে যে, মায়ানমারের রাজধানী ইয়াঙ্গুনসহ ওই দেশের বিভিন্ন এলাকায় সীমান্তের চোরাপথে চিন থেকে কৃত্রিম ডিম পাচার হচ্ছে। চোরাপথে সেই ডিম ভারত-সহ আশপাশের অন্যান্য দেশেও ছয়লাপ হয়েছে নকল ডিমে। যা দেখতে একদম হাঁস-মুরগির মতো।

প্রসঙ্গত, ২০০৪ সাল থেকেই তৈরি হচ্ছে কৃত্রিম ডিম। যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞান সাময়িকী ‘দ্য ইন্টারনেট জার্নাল অফ টক্সোকোলজি’তে কৃত্রিম ডিম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া আছে। তাতে অবশ্য একথাও বলা আছে যে, কৃত্রিম ডিমে কোনও খাদ্যগুন নেই। নেই কোনও প্রোটিন নেই। বরং তা মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক। চিনে তৈরি হওয়া এসব কৃত্রিম বা নকল ডিম এক কথায় বিষাক্ত। কৃত্রিম ডিম তৈরিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক উপাদান ক্যালসিয়াম কার্বনেট, স্টার্চ, রেসিন, জিলেটিন মানবদেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর। দীর্ঘদিন এই ধরনের ডিম খেলে স্নায়ুতন্ত্র ও কিডনিতে সমস্যা হতে পারে। ক্যালসিয়াম কার্বাইড ফুসফুসের ক্যান্সারসহ জটিল রোগের কারণ।

কীভাবে চিনবেন নকল ডিম?

 *কৃত্রিম ডিম অনেক বেশি ভঙ্গুর। এর খোসা অল্প চাপেই ভেঙে যায়।
 *এই ডিম সিদ্ধ করলে কুসুম বর্ণহীন হয়ে যায়।
 *ভাঙার পর আসল ডিমের মতো কুসুম এক জায়গায় না থেকে চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে।
 *কৃত্রিম ডিম আকারে আসল ডিমের তুলনায় সামান্য বড়
 *এর খোলস খুব মসৃণ হয়। খোসায় প্রায়ই বিন্দু বিন্দু ফুটকি দাগ দেখা যায়।
 *রান্না করার পর এই ডিমে অনেক সম্যেই বাজে গন্ধ হয়। কিংবা গন্ধ ছাড়া থাকে। আসল কুসুমের গন্ধ পাওয়া যায় না।
 *নকল ডিমকে যদি আপনি সাবান বা অন্য কোন তীব্র গন্ধ যুক্ত বস্তুর সাথে রাখেন, ডিমের মাঝে সেই গন্ধ ঢুকে যায়। রান্নার পরেও ডিম থেকে সাবানের গন্ধই পেতে থাকবেন।
 *নকল ডিমের আরেকটি উল্লেখ্য যোগ্য লক্ষণ হলো ডিম দিয়ে তৈরি খাবারে এটা ডিমের কাজ করে না। যেমন পুডিং বা কাবাবে ডিম দিলেন বাইনডার হিসাবে। কিন্তু রান্নার পর দেখবেন কাবাব ফেটে যাবে, পুডিং জমবে না।
 *নকল ডিমের আকৃতি অন্য ডিমের তুলনায় তুলনামূলক লম্বাটে ধরণের হয়ে থাকে।
 *নকল ডিমের কুসুমের চারপাশে রাসায়নিকের পর্দা থাকে বিধায় কাঁচা কিংবা রান্না অবস্থাতে কুসুম সহজে ভাঙতে চায় না।


'হাসিনাকে খুশি করতে খালেদাকে হত্যার হুমকি ইনুর'

নবদেশ,ঢাকা : শেখ হাসিনাকে খুশি করতে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু খালেদা জিয়াকে হত্যা করার হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী।

সোমবার বেলা ১১টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিএনপি’র চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে সম্প্রতি তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর দেওয়া হত্যার হুমকির প্রতিবাদে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

যেসব কারণে রোজা ভঙ্গ হয়

যেসব কারণে রোজা ভঙ্গ হয়ে যায় তা একটি তালিকায় দেখানো হলো।

১. ইচ্ছাকৃত বমি করিলে।
২. রাত আছে সন্দেহ করে সুবহে সাদেকের পরে সেহ্রী খেলে।
৩. সন্ধ্যা হয়েছে ধারণা করে সূর্যাস্তের আগে ইফতার করলে।
৪. রোজা অবস্থায় সিঙ্গা লাগিয়ে রোজা ভঙ্গ হয়েছে ধারণা করতঃ পানাহার করলে।
৫. বুট বা ডাল পরিমাণ কোন বস্তু দাঁতের মধ্য থেকে বের করে গিলে ফেললে বা সরিষা পরিমাণও কোন বস্তু স্বেচ্ছায় গিলে ফেললে।
৬. কুলি করার সময় হঠাৎ পানি গলার ভেতর গেলে।
৭. নাকের ও কানের মধ্যে পানি গেলে এবং মস্তকে ওষুধ ব্যবহার করলে এবং তা পেটে প্রবেশ করলে।
৮. রমজান মাসব্যাপি একবারও রোজার নিয়ত না করলে।
৯. মলদ্বার কিংবা প্রস্রাবের রাস্তায় পিচকারী করলে।
১০. ঘুমের মধ্যে কেউ কোন বস্তু খাওয়ালে এবং এতে রোজা ভঙ্গ হয়েছে ধারণায় পানাহার করলে।
১১. ঘুমের ভেতর সহবাসে বীর্যপাত হলে।
১২. বেহুঁশ অবস্থায় কেউ সহবাস করলে।
১৩. খায়েশের সাথে স্ত্রীকে চুম্বন করলে।

এই সমস্ত কারণে একটি রোজার পরিবর্তে একটি রোজা রাখতে হবে। অর্থাৎ কাজা আদায় করতে হবে। (আলমগীরী ও দোররুল মুখতার)

জেনে নিন যে সকল কারণে রোযা মাকরূহ, কাযা এবং কাফ্ফারা উভয়টাই ওয়াজিব হয়”

আমরা অনেকেই যানিনা কি কি কারণে রোজা মাকরূহ, রোজা কাযা এবং কাফ্ফারা উভয়টাই ওয়াজিব হয়। তাই আমাদের সকলের জানা প্রয়োজন এই সকল কারণগুলো, যেনো আমরা এইসকল কাজ থেকে বিরত থাকতে পারি। আসুন জেনে নেই সেই কারণগুলো এবং সঠিকভাবে রোজা পালন করি।

 

 

জেনে নিন এমন কিছু কারণ সম্পর্কে যেগুলো সংঘটিত হলে রোজা মাকরূহ হয়। কারণ গুলো হলো:

০১. গড়গড়ার সাথে কুলি করা ।

০২. শরীরে তেল ব্যবহার করা ।

০৩. শিঙ্গা লাগানো ।

০৪. স্ত্রীকে চুমু দেওয়া ।

০৫. চোখে সুরমা লাগানো ।

০৬. মিথ্যা কথা বলা ।

০৭. অশ্লীল কথাবার্তা বলা ।

০৮. কাউকে গালি দেওয়া ।

০৯. অন্যের দোষ-ত্রুটি বর্ণনা করা ।

১০. মুখ দিয়ে কোনো বস্তুর স্বাদ গ্রহণ করা ।

১১. গরমবোধে বার বার কুলি করা ।

১২. থুথু মুখে জমিয়ে রেখে পরে গিলে ফেলা ।

জেনে নিন এমন কিছু কারণ সম্পর্কে যেগুলো সংঘটিত হলে রোজা কাযা করা ওয়াজিব হয়। কারণগুলো হলো:

০১. রোযাদারকে জোরপূর্বক কিছু খাওয়ানো হলে ।

০২. ভুলে কোনো কিছু খেতে আরম্ভ করলে স্মরণ হওয়ার পর রোযা নষ্ট হয়েছে মনে করে পুনরায় খেলে ।

০৩. কোন অখাদ্য বস্তু খেয়ে ফেললে । যেমন-লোহার টুকরা ।

০৪. কুলি করার সময় পেটে পানি প্রবেশ করলে ।

০৫. প্রশাব-পায়খানার রাস্তায় কোনো ঔসধ বা অন্য কিছু প্রবেশ করালে ।

০৬. রাত অবশিষ্ট রয়েছে মনে করে ভোরে পানাহার করলে ।

০৭. সুর্যাস্ত হয়েছে মনে করে দিনে পানাহার করলে ।

০৮. অনিচ্ছায় মুখ ভরে বমি করলে ।

০৯. মুখে বমি আসলে তা গিলে ফেললে ।

১০. দাঁতের ফাক থেকে খাদ্যকণা বের করে খেয়ে ফেললে ।

১১. বৃষ্টির পানি মুখে পড়ার পর তা খেয়ে ফেললে ।

১২. শরীরের ক্ষতস্থানে ঔষধ লাগানোর পর তা ভিতরে পৌছলে ।

১৩. নাকে বা কানে তরল ঔষধ প্রবেশ করলে ।

১৪. স্ত্রীকে চুম্বন বা র্স্পশ করার কারণে বীর্যপাত হলে ।

জেনে নিন এমন কিছু কারণ সম্পর্কে যেগুলো সংঘটিত হলে রোজা কাযা এবং কাফ্ফারা উভয়টাই ওয়াজিব হয়। কারণ গুলো হলো:

০১. রোযা অবস্থায় ইচ্ছাকৃতভাবে স্ত্রী সহবাস করলে ।

০২. রোযা অবস্থায় ইচ্ছাকৃতভাবে পানাহার করলে ।

০৩. রোযা অবস্থায় ইচ্ছাকৃতভাবে পুংমৈথন লাওয়াতাত করলে ।

০৪. রোযা অবস্থায় ইচ্ছাকৃতভাবে ঔষধ সেবন করলে ।

কফ্ফারা দেওয়ার কয়েকটি নিয়ম আছে, তা হলো :

১. একাধারে ষাটটি রোযা রাখতে হবে।

২. একাধারে ষাটটি রোযা রাখতে অক্ষম হলে ষাট জন মিসকিনকে দুই বেলা খাবার খাওয়াতে হবে।

সৌন্দর্যদীপ্ত ভাসমান মসজিদ মহাসাগরে !

মহাসাগরে ভাসমান মসজিদটি মরক্কোসহ আফ্রিকার সবচেয়ে বড় মসজিদ। মসজিদটির অভ্যন্তরে ২৫ হাজারসহ একসাথে লক্ষাধিক মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন। নারীদের জন্য রয়েছে আলাদা নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা। বৃষ্টির সময় ছাড়া প্রাকৃতিক আলো ও মুক্ত বাতাস প্রবেশ করতে মসজিদটির ছাদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে খুলে যায় তিন মিনিট পরপর।

২২ দশমিক ২৪ একর জায়গার ওপর অবস্থিত এ মসজিদের মূল ভবনের সাথেই আছে লাইব্রেরি, কুরআন শিক্ষালয়, ওজুখানা ও কনফারেন্স রুম। আড়াই হাজার পিলারের ওপর স্থাপিত এ মসজিদের ভেতরের পুরোটাই টাইলস বসানো। মসজিদ এলাকার আশপাশ সাজানো হয়েছে ১২৪টি ঝরনা ও ৫০টি ক্রিস্টালের ঝাড়বাতি দিয়ে। শুধু তাই নয়, কোথাও কোথাও এসব মোড়ানো হয়েছে স্বর্ণের পাত দিয়ে।

মসজিদটির মেঝে থেকে ছাদের উচ্চতা ৬৫ মিটার। মেহরাবের উচ্চতা দুইতলা ভবনের সমান। আর মিনারের উচ্চতা ২১০ মিটার বা ৬৮৯ ফুট। ৬০ তলা ভবনের সমান এই মিনারের ওপরে রয়েছে লেজার রশ্মি, যা নাবিকদের দেখিয়ে দেয় পবিত্র কাবাশরিফের পথ।দূর থেকে মনে হবে পানির ওপর ভাসছে মসজিদটি। মুসল্লিরা নামাজ পড়ছেন পানির ওপর। ঢেউয়ের তালে তালে দোল খাচ্ছে মসজিদটি। সাথে মুসুল্লিরাও দুলছেন। এমনই একটি মসজিদ আছে মরক্কোর কাসাব্লাঙ্কায়। নাম দ্বিতীয় হাসান মসজিদ বা গ্র্যান্ড মস্ক হাসান-২।

মরক্কোর বাদশাহ দ্বিতীয় হাসান মসজিদটি তৈরি করেছেন। নির্মাণ করেছেন ফরাসি কোম্পানি বয়গিসের প্রকৌশলীরা। আর নকশা করেছেন ফরাসি স্থপতি মিশেল পিনচিউ। একে ভাসমান মসজিদ বলার কারণ হচ্ছে- মসজিদটির তিন ভাগের এক ভাগ আটলান্টিক মহাসাগরের ওপর অবস্থিত। দূরের কোনো জাহাজ থেকে দেখলে মনে হয়, ঢেউয়ের বুকে যেন মসজিদটি দুলছে আর মুসল্লিরা যেন নামাজ পড়ছেন পানির ওপর।

৩০ কিলোমিটার দূর থেকেও স্পষ্ট দেখা যায় এই লেজার রশ্মি। বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু মিনার এটি। ১০ মিটার বা ৩৩ ফুট উচ্চতার সামুদ্রিক ঢেউ ভেঙে দেয়ার ব্যবস্থা আছে মসজিটিতে। সমুদ্রের কোনো গর্জন শোনা যাবে না মসজিদটির ভেতর থেকে। মসজিদ এলাকার বাগানে ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বনভোজনেরও।

ধনেপাতার ভয়ানক বিপজ্জনক ১০ টি “পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া”!

নিত্যদিনের বিভিন্ন খাবারে আমরা ধনেপাতা ব্যবহার করে থাকি খাবারের গন্ধ এবং স্বাদে একটা পরিবর্তন আনার জন্য। ধনেপাতার বৈজ্ঞানিক নাম হল কোরিয়ানড্রাম স্যাটিভাম। কিন্তু কখনও কি কল্পনা করেছেন যে এই সুস্বাদু খাবারটির কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকতে পারে? অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি কথা হলো এই সুপরিচিত খাবারটির অনেক ঔষধি গুণাগুণের পাশাপাশি অনেক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও বিদ্যমান যা আমাদের শরীরকে দিনদিন অসুস্থ করে তুলছে।

১. লিভারের ক্ষতিসাধন :

অতিরিক্ত ধনেপাতা খেলে এটি লিভারের কার্যক্ষমতাকে খারাপভাবে প্রভাবিত করে থাকে। এতে থাকা এক ধরনের উদ্ভিজ তেল শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে আক্রান্ত করে ফেলে। এছাড়া এটাতে এক ধরনের শক্তিশালী অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে যেটা সাধারণত লিভারের বিভিন্ন সমস্যা দূর করে কিন্তু দেহের মাঝে এর অতিরিক্ত মাত্রার উপস্থিতি লিভারের ক্ষতিসাধন করে।

২. নিম্ন রক্তচাপ :

অতিরিক্ত ধনেপাতা খাওয়ার ফলে দেহের হৃৎপিন্ডের স্বাস্থ্য নষ্ট করে ফেলে, যার ফলে নিম্ন রক্তচাপ সৃষ্টি করে। বিশেষজ্ঞরা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এই ধনেপাতা খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তাই এটি অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে নিম্ন রক্তচাপের উদ্ভব ঘটতে পারে। এছাড়া এটি হালকা মাথাব্যথারও উদ্রেক করতে পারে।

৩. পেট খারাপ :

স্বাভাবিকভাবে ধনেপাতা গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল বিষয়ক সমস্যা দূর করে থাকে কিন্তু বেশি পরিমাণে ধনেপাতা সেবন পাকস্থলীতে হজমক্রিয়ায় সমস্যা তৈরি করে থাকে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে এক সপ্তাহে ২০০ এমএল ধনেপাতা আহারে গ্যাসের ব্যথা ওঠা, পেটে ব্যথা, পেট ফুলে ওঠা, বমি হওয়া এমনকি পাতলা পায়খানা হওয়ারও সম্ভাবনা দেখা যায়।

৪. ডায়রিয়া :

ধনেপাতা অল্প খেলে পেটের সমস্যা দূর হয় কিন্তু এটি বেশি পরিমাণে খেলে ডায়রিয়া হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। এছাড়া এর ফলে ডিহাইড্রেশন হতে থাকে। ফলে ডায়রিয়ার সমস্যাটি হতেই থাকে। তাই এই ধরনের সমস্যা এড়াতে প্রতিদিনের খাবারে ধনেপাতা কম পরিমাণে ব্যবহার করুন।

৫. নিঃশ্বাসের সমস্যা :

আপনি যদি শ্বাসকষ্টের রোগী হয়ে থাকেন তাহলে এই ধনেপাতা আহার থেকে বিরত থাকুন। কেননা এটি আপনার শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা করে থাকে যার ফলে ফুসফুসে অ্যাজমার সমস্যা হতে পারে। এই ধনেপাতা খেলে মাঝে মাঝে ছোট ছোট নিশ্বাস নিতেও সমস্যা তৈরি হয়।

৬. বুকে ব্যথা :

অতিরিক্ত ধনেপাতা আহারে বুকে ব্যথার মত জটিল সমস্যাও দেখা দিতে পারে। এটা শুধুমাত্র অস্বস্তিকর ব্যথাই সৃষ্টি করে না তা দীর্ঘস্থায়ীও হয়ে থাকে। এজন্য এই সমস্যা থেকে রেহাই পেতে দৈনন্দিন আহারে কম করে এই ধনেপাতা খেতে পারেন।

৭. ত্বকের সংবেদনশীলতা :

সবুজ ধনেপাতাতে মোটামুটিভাবে কিছু ঔষধি অ্যাসিডিক উপাদান থাকে যেটি ত্বককে সূর্যরশ্মি থেকে বাঁচিয়ে সংবেদনশীল করে থাকে। কিন্তু অতিরিক্ত সেবনে সূর্যের রশ্মি একেবারেই ত্বকের ভেতরে প্রবেশ করতে পারে না ফলে ত্বক ভিটামিন কে থেকে বঞ্চিত হয়। এছাড়া ধনেপাতা ত্বকের ক্যান্সার প্রবণতাও তৈরি করে থাকে।

৮. অ্যালার্জীর সমস্যা :

ধনেপাতার প্রোটিন উপাদানটি শরীরে আইজিই নামক অ্যান্টিবডি তৈরি করে যা শরীরের বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদানকে সমানভাবে বহন করে থাকে। কিন্তু এর অতিরিক্ত মাত্রা উপাদানগুলোর ভারসাম্য নষ্ট করে ফেলে। ফলে অ্যালার্জীর তৈরি হয়। এই অ্যালার্জীর ফলে দেহে চুলকানি, ফুলে যাওয়া, জ্বালাপোড়া করা, র‌্যাশ ওঠা এই ধরনের নানা সমস্যা হয়ে থাকে।

৯. প্রদাহ :

অতিরিক্ত ধনেপাতা সেবনের আরেকটি বিশেষ পার্শ্ব প্রতক্রিয়া হল মুখে প্রদাহ হওয়া। এই ঔষধিটির বিভিন্ন এসিডিক উপাদান যেটি আমাদের ত্বককে সংবেদনশীল করে থাকে পাশাপাশি এটি মুখে প্রদাহেরও সৃষ্টি করে। বিশেষ করে এর ফলে ঠোঁট, মাড়ি এবং গলা ব্যথা হয়ে থাকে। এর ফলে সারা মুখ লাল হয়েও যায়।

১০. ভ্রূণের ক্ষতি :

গর্ভকালীন সময়ে অতিরিক্ত ধনেপাতা খাওয়া ভ্রূণের বা বাচ্চার শরীরের জন্য বেশ ক্ষতিকারক। ধনেপাতাতে থাকা কিছু উপাদান মহিলাদের প্রজনন গ্রন্থির কার্যক্ষমতাকে নষ্ট করে ফেলে যার ফলে মহিলাদের বাচ্চা ধারণ ক্ষমতা লোপ পায় এবং বাচ্চা ধারণ করলেও গর্ভকালীন ভ্রূণের মারাত্মক ক্ষতি করে থাকে।

রোজায় ডায়াবেটিক রোগী- কী করবেন, কী করবেন না?

ডায়বেটিস রোগটা এমনিতেই প্রাণঘাতী, তিল তিল করে ধ্বংস করে দেয় শরীরটা। সারা বিশ্বে রোজাদার ডায়াবেটিক রোগীর সংখ্যা প্রায় পাঁচ কোটি। এই সিয়াম সাধনার মাসে রোজা রাখা নিয়ে তারাই সবচাইতে ঝামেলায় ভুগে থাকেন। যেমন- তাঁদের দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকা ঠিক কি না, ইনসুলিন কিভাবে নেবেন বা গ্লুকোমিটার দিয়ে শর্করা মাপলে রোজা ভেঙে যাবে কি না ইত্যাদি। আসুন জানি, ডায়বেটিস রোগীর রোজা রাখার নানান দিক।

কাদের জন্য রোজা ঝুঁকিপূর্ণ?

চিকিৎসকরা কয়েক ধরনের ডায়াবেটিক রোগীর জন্য রোজা রাখা ‘অতি ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচনা করে থাকেন। এঁরা হলেন- টাইপ ১ ডায়াবেটিক রোগী, ডায়াবেটিক গর্ভবতী ও দিনে তিন বা চারবার ইনসুলিন গ্রহণকারী। এ ছাড়া যাঁদের সাম্প্রতিক সময়ে মারাত্মক হাইপোগ্লাইসেমিয়া (রক্তে শর্করা স্বল্পতা) বা মারাত্মক হাইপারগ্লাইসেমিয়া কোমা (রক্তে শর্করা আধিক্যজনিত অজ্ঞান হওয়া) হয়েছে, যাঁরা হাইপোগ্লাইসেমিয়া সম্পর্কে সচেতন নন, ডায়াবেটিসের সঙ্গে যাঁদের কিডনি, যকৃৎ, হৃদযন্ত্রের জটিলতা আছে বা ডায়ালিসিস করছেন তাঁরাও অতি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছেন। ঝুঁকিপূর্ণের তালিকায় আরো পড়েন ইনসুলিন ও সালফোনিলইউরিয়া ওষুধ ব্যবহারকারীরা। বাকিরা সচেতনতা ও সতর্কতা অবলম্বন করলে রোজা রেখেও ভালো থাকতে পারেন।

খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়ামে মেনে চলুন এই টিপসগুলো-

রমজান মাসে আমাদের খাদ্যাভ্যাস ও খাবার সময়সূচিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসে। যেহেতু ডায়াবেটিক রোগীর সুনিয়ন্ত্রিত ও সঠিক সময়সূচির খাদ্যাভ্যাস মেনে চলতে হয়, তাই তাঁদের এই পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হবে। খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের বেলায় লক্ষ করা দরকার-

-দৈনন্দিন ক্যালরির পরিমাপ আগের মতোই থাকবে, কেবল সময়সূচি বা খাদ্য উপাদান পরিবর্তিত হতে পারে।

-শেষ রাতে সেহরি খাওয়া আবশ্যক ও তা গ্রহণ করতে হবে যথাসম্ভব দেরি করে। সেহরিতে জটিল শর্করাসহ সব ধরনের উপাদান রাখতে হবে। কেননা এই খাবারই দিনভর শক্তি জোগাবে।

-ইফতারে একসঙ্গে প্রচুর খাবার না খেয়ে ধাপে ধাপে খেতে হবে। মিষ্টিজাতীয় ও ভাজাপোড়া তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে স্বাস্থ্যকর খাবার বেছে নিন। যেমন- কাঁচা বা সিদ্ধ ছোলার সঙ্গে শসা টমেটোর সালাদ. চিঁড়া-টক দই, ঘুগনি বা চটপটি, স্যুপ, ফল ইত্যাদি। শরবতের বদলে ডাবের পানি বা লেবুপানি। একটি কি দুটি খেজুর খাওয়া যেতে পারে।

-ইফতার ও সেহরির মধ্যে নৈশভোজে রুটি বা অল্প ভাত খাওয়া যেতে পারে।

-রোজা রেখে দিনের বেলা বেশি ব্যায়াম বা কায়িক পরিশ্রম না করাই ভালো। সন্ধ্যার পর চাইলে হাঁটাহাঁটি করতে পারেন। তারাবির নামাজ নিয়মিত পড়লে অতিরিক্ত ব্যায়াম না করলেও চলবে।

সতর্ক থাকবেন যেসব বিষয়ে

-ডায়াবেটিক রোগীর এ সময় চার ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে- রক্তে হঠাৎ শর্করা স্বল্পতা বা হাইপোগ্লাইসেমিয়া, রক্তে শর্করা আধিক্য বা হাইপারগ্লাইসেমিয়া, কিটোনিউরিয়া বা প্রস্রাবের সঙ্গে কিটোন নির্গত হওয়া এবং পানিশূন্যতা।

-রোজা রেখে দিনের বেলা গ্লুকোমিটার দিয়ে রক্তে শর্করা পরিমাপ করুন। আলেমরা মত দিয়েছেন, গ্লুকোমিটার দিয়ে শর্করা মাপলে রোজা ভাঙে না। ইফতারের এক ঘণ্টা আগে ও দুই ঘণ্টা পরে এবং মাঝেমধ্যে দুপুরে রক্তে শর্করা দেখুন। দিনের বেলা কখনো রক্তে শর্করা চার মিলিমোলের কম বা ১৬.৭ মিলিমোলের বেশি হয়ে গেলে রোজা ভাঙতে হবে।

-সন্ধ্যার পর একসঙ্গে অনেক খাবার ও সহজ শর্করা বা চিনি-মিষ্টি জাতীয় খাবার খাবেন না। এতে হঠাৎ করে শর্করা বেড়ে যেতে পারে।

-পানিশূন্যতা এড়াতে সন্ধ্যার পর বেশি করে পানি, ডাবের পানি, জলীয় অংশ বেশি এমন খাবার গ্রহণ করুন।

-রমজানে ওষুধ বা ইনসুলিনের মাত্রা ও সময়সূচি সম্পর্কে রোজার আগেই চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

-রোজায় ডায়াবেটিসের ওষুধ বা ইনসুলিনের মাত্রা ও সময়সূচিতেও পরিবর্তন আসবে। নতুন খাদ্যসূচির সঙ্গে মিলিয়ে এই পরিবর্তন করা হয়।

-যাঁরা মেটফরমিন, গ্লিনাইড, ডিপিপি গোত্রের ওষুধ খান, তাঁদের তেমন কোনো পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। কেবল ওষুধের সময়টাকে পাল্টে নিন।

-যাঁরা সালফোনিল ইউরিয়া গোত্রের ওষুধ, যেমন- গ্লিক্লাজাইড, গ্লিবেনক্লেমাইড, গ্লিমেপেরোইড ইত্যাদি ওষুধ খান তাঁরা সকালের ডোজ পূর্ণমাত্রায় ইফতারে এবং রাতের ডোজ অর্ধেক মাত্রায় শেষ রাতে গ্রহণ করতে পারেন।

-যাঁরা দুবেলা ইনসুলিন নেন, তাঁরাও সকালের ডোজ পূর্ণমাত্রায় ইফতারে এবং রাতের ডোজ অর্ধেক মাত্রায় সেহরিতে গ্রহণ করতে পারেন।

-যাঁরা আধুনিক বেসাল-বোলাস ইনসুলিন গ্রহণ করেন, তাঁরা বেসাল বা দীর্ঘ সময় কার্যকরী ইনসুলিন আগের মাত্রায় আগের সময়ে (যেমন রাত ১০টায়) গ্রহণ করবেন। আর বোলাস বা দ্রুত কার্যকরী ইনসুলিন গ্রহণ করবেন ইফতারে, নৈশভোজে ও অর্ধেক মাত্রায় সেহরিতে। নৈশভোজ গ্রহণ না করলে ওই সময় ইনসুলিন না নিলেও চলবে।

-চিরায়ত বা কনভেনশনাল ইনসুলিনের তুলনায় আধুনিক অ্যানালগ ইনসুলিন যেমন- ডেটেমির, ডেগলুডেক, গ্লারজিন, লিসপ্রো, অ্যাসপার্ট বা গ্লুলাইসিন জাতীয় ইনসুলিনে শর্করা স্বল্পতা হওয়ার ঝুঁকি কম। তাই সম্ভব হলে পুরনো ইনসুলিন পাল্টে আধুনিক ইনসুলিন গ্রহণ করুন।

-ওষুধের মাত্রার এই পরিবর্তন অনেকটাই রক্তে শর্করার পরিমাণ ওঠা-নামার ওপর নির্ভর করবে। তাই রক্তে শর্করা পরিমাপ করুন ও চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন।

পরামর্শ দিয়েছেন-
ডা. তানজিনা হোসেন
হরমোন ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ
বারডেম হাসপাতাল, ঢাকা।

মাত্র ৩টি ছোট্ট ব্যায়ামে মেদহীন পেটের অধিকারী হয়ে উঠুন

মেদহীন আকর্ষণীয় পেটের অধিকারী হতে তো সবাই চান। ভুড়ি থাকলে যত দামী পোশাকই পরা হোক একেবারেই বেমানান দেখায়। বিশেষ করে নারীরা একটি সুন্দর এবং আকর্ষণীয় মেদহীন পেটের স্বপ্ন দেখেন যা তাদেরকে আরও অনেক বেশি মোহনীয় করে তুলবে।

পেটের মেদ কমানো কি খুব কঠিন কিছু? নাহ, একেবারেই নয়। মাত্র তিনটি সহজ ব্যায়ামেই পেটের মেদ কমিয়ে ফেলা সম্ভব। শিখে নিন পেটের মেদ কমানোর সহজ ৩টি ব্যায়াম।

১. সাইকেল চালানো ব্যায়াম :

এটা আসলে সত্যিকারি সাইকেল চালিয়ে ব্যায়াম করা নয়। এই ব্যায়ামটি করতে হলে আপনাকে প্রথমে মেঝেতে শুয়ে পড়তে হবে। এরপরে হাত দুটোকে মাথার পিছনে নিতে হবে। এখন সাইকেল যেভাবে পা দিয়ে প্যাডেল ঘুরিয়ে চালানো হয় ঠিক তেমনি পা দুটোকে উপরে উঠিয়ে সাইকেল চালান।

এক্ষেত্রে পা দুটোকে ৪৫ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে উপরে উঠিয়ে নিতে হবে। একটি পা যখন বুকের উপরে আসবে তখন আরেকটি পা মোজা উপরের দিকে উঠানো থাকবে। এভাবে রিভার্স করে ব্যায়ামটি আধা ঘন্টা করতে হবে।

সপ্তাহে ৩ দিন এই ব্যায়ামটি করলেই আপনি খুব সহজেই পেতে পারেন একটি মেদহীন আকর্ষণীয় পেট।
মাত্র ৩টি ছোট্ট ব্যায়ামে মেদহীন পেটের অধিকারী হয়ে উঠুন


২. নৌকাসন ব্যায়াম :

নৌকাসন ব্যায়ামটির সাথে নিশ্চয়ই অনেকে পরিচিত। এটি সত্যিকার অর্থে নৌকা চালানো নয়। এরজন্য আপনাকে শুয়ে পড়তে হবে। হাত দুটোকে মাথার উপরে সোজা করে ছড়িয়ে দিতে হবে। পা দুটোকেও সোজা ছড়িয়ে দিতে হবে।

এরপরে হাত পাগুলোকে একইসাথে ৪৫ ডিগ্রি উঁচুতে তুলতে হবে আবার তা নামিয়ে সোজা করতে হবে। হাত পাগুলোকে যখন উপরে উঠাবেন এটি দেখতে যেন অর্ধ চন্দ্রের ন্যায় হয়। এই ব্যায়ামে আপনার ভুঁড়ির উপরে চাপ পড়বে ফলে আপনার পেট কমে যাবে।


৩. উঠাবসা ব্যায়াম :

পেটের অতিরিক্ত ভুঁড়ি কমিয়ে নিতে আপনি এই উঠাবসার ব্যায়ামটিও করতে পারেন। এটি খুবই সহজ একটি ব্যায়াম। আপনি শুধু প্রতিদিন গুণে গুণে ৫০ বার বসা এবং উঠা করুন।

এতে পেটে চাপ পড়ে ফ্যাট কমে যাবে। পাশাপাশি আরেকটি ব্যায়াম করা যেতে পারে সেটি হল দুটি হাত মাথার পিছনে দিয়ে শুয়ে কোমরের উপরের অংশটুকু বারবার ৯০ ডিগ্রি উঠিয়ে বসুন আবার শুয়ে পড়–ন।এভাবে সপ্তাহে ৩ দিন ৪০ বার করে করলে আপনি পেতে পারেন একটি মেদহীন আকর্ষণীয় পেট।

৮ ঘণ্টার বেশি ঘুমে মস্তিষ্কের ক্ষমতা কমে যায়

অতিরিক্ত ঘুমের কারণে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমে যায় বলে নতুন এক সমীক্ষায় বলা হয়েছে। বিশেষ করে মধ্যবয়সীদের জন্য বেশি ঘুম অত্যন্ত ক্ষতিকর বলে গবেষকেরা জানিয়েছেন। আবার কম ঘুমও ভালো নয় বলে তারা মনে করছেন।


তারা বরেন, ৫০ থেকে ৬৪ বছর বয়স্ক যেসব ব্যক্তি দিনে ৮ ঘণ্টার বেশি বা ৬ ঘণ্টার কম ঘুমান, তাদের স্মৃতিশক্তি এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের সামর্থ্য ব্যাপকভাবে কমে যায়।
ওয়ারউইক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞরা প্রায় ৯ হাজার লোকের ওপর সমীক্ষা চালিয়ে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন।
গবেষক ড. মাইকেল মিলার বলেন, বয়েসর সাথে সাথে ঘুমের প্রয়োজনে পরিবর্তন আসে। যথাযথ ঘুমের মাধ্যমে কর্মশক্তি অটুট রাখা সম্ভব।


তিনি বলেন, মস্তিষ্ককে সর্বোচ্চ মাত্রায় কর্মক্ষম রাখতে প্রতি রাতে ছয় থেকে আট ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন।
ইতোপূর্বে আরেক সমীক্ষায় বলা হয়েছিল, প্রতি রাতে ছয় থেকে আট ঘণ্টা ঘুমে স্থূলতা, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, স্ট্রোকসহ বিভিন্ন রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যেতে পারে।
সূত্র : দ্য নেশন।

বিয়ে করেছেন আলিয়া ভাট!

করণ জোহরের ছবি ‘স্টুডেন্ট অফ ইয়ার’ থেকেই আলাপ৷ তারপর থেকেই জমে ওঠে বন্ধুত্ব৷ সেই বন্ধুত্বই ধীরে ধীরে রূপ নেয় ভালোবাসার৷ তারপর? তারপর আর কি ফের এক ছবিতে জুটি বেঁধে জমিয়ে অভিনয় করা৷ আর এই ছবিতেই আলিয়া ঝটপট বিয়ে করে ফেলেছেন বরুণ ধাওয়ানকে৷

ছবির নাম ‘হাম্টি শর্মা কি দুলহানিয়া’৷ ছবিটি পরিচালনা করছেন পরিচালক শশাঙ্ক খৈতান৷

রোমান্টিক কমেডি ধাচের এই ছবিটি মুক্তি পেতে পারে ১১ জুলাই৷ ওয়েবসাইট।

যুক্তরাষ্ট্র

বাংলাদেশ ২০১৬ সালের ডিভি লটারিতে আবেদন …

01-10-2014 | আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বাংলাদেশ  ২০১৬ সালের ডিভি লটারিতে আবেদন করতে পারবে না

ওয়াশিংটন ডিসি, ০১ অক্টোবর- প্রবাস ডেস্ক : ২০১৬ সালের যুক্তরাষ্ট্রের ডাইভারসিটি ভিসা (ডিভি) লটারিতে আবেদন করতে পারবে না বাংলাদেশ। বাংলাদেশসহ আরো ১৭ টি দেশ এ...

বিস্তারিত

যুক্তরাজ্য

রুশনারা আলীর পদত্যাগ ইরাকে সামরিক অভিযান…

27-09-2014 | নিজস্ব প্রতিবেদক

রুশনারা আলীর পদত্যাগ ইরাকে সামরিক অভিযানের প্রশ্নে

ইরাকের জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে বিমান হামলার প্রশ্নে লেবার পার্টির অবস্থানের সঙ্গে দ্বিমত প্রকাশ করে পদত্যাগ করেছেন যুক্তরাজ্যের ছায়া শিক্ষামন্ত্রী এবং প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত...

বিস্তারিত

ভারত

এবার নামবে নারী ট্যাক্সি চালক মুম্বাইয়ের…

24-09-2014 | আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এবার নামবে নারী ট্যাক্সি চালক মুম্বাইয়ের রাস্তায়

মুম্বাই, ২৩ সেপ্টেম্বর- প্রথমবারের মতো ভারতের সড়ক বিভাগ নারীদের জন্যে ভাড়া চালিত ট্যাক্সি চালোনাকে পেশা হিসেবে গ্রহন করার সুযোগ দিলো। আর প্রথমবারেই আবেদনপত্র জমা পড়েছে...

বিস্তারিত

এশিয়া

পাক প্রধানমন্ত্রীর আহবান আফগান সীমান্ত ব…

19-06-2014 | বিশেষ প্রতিবেদক

পাক প্রধানমন্ত্রীর আহবান আফগান সীমান্ত বন্ধ করে দিতে কারজাইয়ের প্রতি

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাইয়ের সঙ্গে টেলিফোন সাক্ষাতে সশস্ত্র ব্যক্তিদের আফগানিস্তানে পালিয়ে যাওয়া রোধ করার আহবান জানিয়েছেন। পাকিস্তানের সেনাবাহিনী যখন উপজাতি অধ্যুষিত...

বিস্তারিত

ইউরোপ

পানি, স্যানিটেশন সুবিধা নিশ্চিত করা জরুর…

28-02-2014 | অনলাইন ডেস্ক

ঢাকায় নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম হাননা বলেছেন, সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বিভিন্ন প্রকল্পে সহযোগিতা দিয়ে থাকে। আর সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সকল মানুষের জন্য...

বিস্তারিত

আফ্রিকা

আফ্রিকায় ইবোলায় মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছা…

13-03-2015 | অনলাইন ডেস্ক

আফ্রিকায় ইবোলায় মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়েছে

পশ্চিম আফ্রিকায় ছড়িয়ে পড়া মহামারি ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।বৃহস্পতিবার সংস্থাটি জানায়, সিয়েরা লিওন, গিনি ও...

বিস্তারিত

আরব বিশ্ব

৯৮ হাজার হজযাত্রী আটক মক্কা প্রবেশের পথে

01-10-2014 | আন্তর্জাতিক ডেস্ক

৯৮ হাজার হজযাত্রী আটক মক্কা প্রবেশের পথে

হজের অনুমতিপত্র ব্যতিত পবিত্র মক্কা প্রবেশের পথে প্রায় ৯৮ হাজার হজযাত্রীকে আটক করে ফেরত পাঠিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী। গতকাল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রানলয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, অবৈধভাবে...

বিস্তারিত

লাতিন আমেরিকা

ফুটবল ভক্তদের জন্য ইংরেজি শিখছেন পতিতারা

31-03-2014 | অনলাইন ডেস্ক

ফুটবল ভক্তদের জন্য ইংরেজি শিখছেন পতিতারা

ইগর ফুখস। ইংরেজির শিক্ষক।  ব্রাজিলের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বেলো হরিজন্তে শহরে মেয়েদের ইংরেজি শেখান তিনি। অবশ্য ফুখস-এর শিক্ষার্থীরা সকলেই পতিতা। তাঁরা ইংরেজি শিখছেন বিদেশি খদ্দেরদের সন্তুষ্ট করতে।...

বিস্তারিত

জাতিসংঘ

শ্রীলঙ্কায় যুদ্ধাপরাধের আন্তর্জাতিক তদন্…

28-02-2014 | অনলাইন ডেস্ক

শ্রীলঙ্কায় যুদ্ধাপরাধের আন্তর্জাতিক তদন্ত চায় জাতিসংঘ

জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদ (ইউএনএইচসিআর) এর প্রধান নাভি পিল্লাই শ্রীলঙ্কায় বিচ্ছিন্নতাবাদী তামিল টাইগারদের (এলটিটিই) সঙ্গে সরকারি বাহিনীর যুদ্ধের চূড়ান্ত পর্যায়ে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগের আন্তর্জাতিক তদন্তের সুপারিশ করেছেন।

বিস্তারিত

বিবিধ

তিকরিত দখলের পথে ইরাকি সেনাবাহিনী

12-03-2015 | অনলাইন ডেস্ক

তিকরিত দখলের পথে ইরাকি সেনাবাহিনী

আইএস জঙ্গিদের শক্তিশালী ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত তিকরিত শহরের কেন্দ্রস্থলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ইরাকি সেনাবাহিনী।বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে সিনেটের এক শুনানিতে মার্কিন জেনারেল মার্টিন ডেম্পসে বলেন, ইরাকি...

বিস্তারিত