ঢাকা,শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০১৫, ২৯ ফাল্গুন ১৪২১, ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৬

Thursday, 27 February 2014 21:23

পাকিস্তান ড্রোন হামলা অনুমোদন করেছিল

Rate this item
(0 votes)

পাকিস্তান সরকার জনগণের তীব্র বিরোধিতা সত্ত্বেও গোপনে মার্কিন ড্রোন হামলা অনুমোদন করেছিল। এমনকি ক্ষেত্রবিশেষে হামলার লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণে সহায়তাও করেছে। ফাঁস হওয়া গোপন নথির বরাত দিয়ে গত বুধবার প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদপত্র ওয়াশিংটন পোস্ট-এর এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। তবে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে এর সত্যতা অস্বীকার করা হয়েছে।

এমন সময়ে এই গোপন নথি প্রকাশিত হলো যখন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

নেওয়াজ শরিফ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করে এই ড্রোন হামলা বন্ধেরই আবেদন করেছেন। মাত্র এক দিন আগে দুটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও হিউম্যান রাইটস ওয়াচ অভিযোগ করে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানে ড্রোন হামলা চালিয়ে আন্তর্জাতিক লঙ্ঘন করেছে।
পাকিস্তানের মাটিতে যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন হামলার বিষয়টিতে দেশটির ‘সংশ্লিষ্টতার’ বিষয়টি ততটা বিস্ময়কর নয়। আগেই এ ধরনের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হতো। সাবেক সেনাশাসক পারভেজ মোশাররফের সময় থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসবাদবিরোধী লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী হিসেবে ভূমিকা রাখা শুরু করে পাকিস্তান।
ওয়াশিংটন পোস্ট-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতি গোপন নথি ও কূটনৈতিক নোট থেকে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ ড্রোন হামলার বিষয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে তথ্য বিনিময় করেছে। অন্তত ৬৫টি ড্রোন হামলার ক্ষেত্রে এই তথ্য বিনিময় হয়েছে। ২০১০ সালের একটি ড্রোন হামলার ব্যাপারে প্রাপ্ত নথিতে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র বলেছে পাকিস্তান সরকারের অনুরোধে হামলাটি চালানো হলো। অন্য একটি হামলার ব্যাপারে নথিতে বলা হয়েছে, যৌথ উদ্যোগে হামলার লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ করা হলো।
পাকিস্তানের অস্বীকার: মার্কিন ড্রোন হামলার অনুমোদন দেওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইউসুফ রাজা গিলানি। গতকাল তিনি বলেন, ‘ড্রোন হামলার অনুমোদন আমরা কখনো দিইনি। বরং শুরু থেকেই এর বিরোধিতা করে এসেছি।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে পাকিস্তানের একজন জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তাও এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘ড্রোন হামলার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাকিস্তানের কৌশলগত কিংবা সরকারি পর্যায়ে কোনো সমঝোতা হয়নি।’

 

 

 

 

 

Last modified on Monday, 10 March 2014 00:39