ঢাকা,শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০১৫, ২৯ ফাল্গুন ১৪২১, ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৬

Thursday, 27 February 2014 21:07

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে আলোচনার ব্যাপারে মতৈক্য

Rate this item
(0 votes)

পাকিস্তান সফররত মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি গতকাল বৃহস্পতিবার বলেছেন, ওয়াশিংটন ও ইসলামাবাদ পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার করতে কৌশলগত আলোচনা আবার শুরুর ব্যাপারে একমত হয়েছে। আফগানিস্তানের ব্যাপারে কেরি বলেন, তাঁরা আশাবাদী ২০১৪ সালের পরও দেশটিতে মার্কিন সেনা রেখে দেওয়ার ব্যাপারে কাবুলের সঙ্গে ওয়াশিংটন একটি ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারবে।


পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক শেষে ইসলামাবাদে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ওয়াশিংটন পাকিস্তানের সঙ্গে পূর্ণ অংশীদারত্বের ভিত্তিতে সম্পর্ক স্থাপন এবং বিগত সময়ে যে বিষয়গুলো নিয়ে দ্বিপক্ষীয় সমস্যা তৈরি হয়েছে, তা খুঁজে বের করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলতে পারি, আমরা দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের অংশীদার হতে চাই। আমি বিশ্বাস করি, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী এই সম্পর্ক গড়ে তোলার ব্যাপারে অঙ্গীকারবদ্ধ।’ নওয়াজ শরিফকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সঙ্গে আলোচনা করতে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানান কেরি।
পাকিস্তানের প্রতিবেশী আফগানিস্তান প্রসঙ্গে কেরি বলেন, ২০১৪ সালের পরও আফগানিস্তানে মার্কিন সেনা অবস্থানের ব্যাপারে কাবুলের অনুমোদন চায় ওয়াশিংটন। তিনি বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এ ব্যাপারে অগ্রগতিও হচ্ছে।’

এর আগে পাকিস্তানের জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর দেশটির পররাষ্ট্র ও জাতীয় নিরাপত্তাবিষয়ক উপদেষ্টা সারতাজ আজিজের সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন কেরি। পাকিস্তানের একজন মুখপাত্র বলেন, ওই বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, ড্রোন (চালকবিহীন বিমান) হামলা ও আফগানিস্তান প্রসঙ্গসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

জন কেরি গত বুধবার রাতে পাকিস্তান পৌঁছেন। পাকিস্তানে গোপন অভিযান চালিয়ে আল-কায়েদার প্রতিষ্ঠাতা ওসামা বিন লাদেনকে হত্যা, অব্যাহত ড্রোন হামলা ও পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে আফগানিস্তানের তালেবান গোষ্ঠীকে সহায়তার অভিযোগের কারণে গত কয়েক বছরে ইসলামাবাদ-ওয়াশিংটন সম্পর্কে ব্যাপক তিক্ততা সৃষ্টি হয়েছে।