ঢাকা,শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০১৫, ২৯ ফাল্গুন ১৪২১, ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৬

Friday, 28 February 2014 19:23

দৈনন্দিন বিজ্ঞান

Rate this item
(0 votes)

ধরুন, আপনি একটি শান্ত পুকুরে একটি ঢিল ছুড়লেন। ঢিলটি যেখানে পড়বে, সেখান থেকে ঢেউ তৈরি হয়ে চারপাশে সমান গতিতে আস্তে আস্তে ছড়িয়ে যাবে। যেখানে ঢিলটি পড়বে, সেখানকার পানি একটু বেশি নড়বে। সেখান থেকে ঢেউ যতই দূরে সরে যাবে, ততই ঢেউয়ের মাত্রা কমে আসবে। ঠিক একইভাবে যে স্থানে দুটি টেকটনিক প্লেট ধাক্কা লেগে ভেঙে যাবে বা নষ্ট হয়ে যাবে, সেখানে এর মাত্রা থাকবে বেশি। যতই চারপাশে ছড়িয়ে যাবে,

ততই মাত্রা কমবে। কিন্তু এই কম্পনের মাত্রা কত? এটা হিসাব করার জন্য ব্যবহার করা হয় সিসমোগ্রাফ নামক পরিমাপক যন্ত্র। ভূমিকম্প পরিমাপের একক হলো রিখটার। ১৯৩০ সালে সর্বপ্রথম ভূমিকম্প পরিমাপে রিখটার স্কেল ব্যবহার করা হয়। এখানে অন্য কোনো নির্দিষ্ট এককের সঙ্গে তুলনা করে মাত্রা পরিমাপ করা হয় না। বরং সবচেয়ে বড় ভূমিকম্প সাপেক্ষে অন্যান্য ভূমিকম্পের তুলনা করে মাপা হয়। যদি কোনো কম্পন না হয়, তবে সেটাকে ধরা হয় ০ রিখটার স্কেল। এভাবে ১, ২, ৩, ৪ ইত্যাদি রিখটার স্কেল। ১৯৬০ সালের ২৭ মার্চ চিলিতে ৯.৫ রিখটার স্কেলের ভূমিকম্প হয়। এশিয়া মহাদেশ, বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়া ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকার মধ্যে পড়ে। ১৯৫০ সালের ১৫ আগস্ট আসাম ও তিব্বত এলাকায় ৮.৭ রিখটার স্কেলের ভূমিকম্প হয়।