ঢাকা,শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০১৫, ২৯ ফাল্গুন ১৪২১, ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৬

Thursday, 27 February 2014 20:30

রাসায়নিক অস্ত্রের হস্তান্তরই আসাদকে বাঁচাতে পারে: কেরি

Rate this item
(0 votes)

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি আজ সোমবার বলেছেন, কেবল রাসায়নিক অস্ত্র হস্তান্তরের মাধ্যমেই সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ মার্কিন হামলা থেকে গা বাঁচাতে পারেন। তবে তিনি এ-ও নিশ্চিত করেছেন, বাশার তা কখনোই করবেন না। রয়টার্স বলছে, হামলা ঠেকাতে সিরীয় সরকার কী করতে পারে বা করা উচিত—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে কেরি বলেন, ‘আসছে সপ্তাহের মধ্যে তিনি (আসাদ) তাঁর রাসায়নিক অস্ত্রের প্রতিটি কণা বিশ্বসমাজের কাছে হস্তান্তর

করুন—কোনো বিলম্ব ছাড়াই সবগুলো পুরোপুরিভাবে হিসাবসহ বুঝিয়ে দিন। কিন্তু তিনি তা কখনোই করবেন না এবং এমনটি হওয়ারও নয়।’ কেরি সত্যিই সিরীয় সরকারকে প্রস্তাব দিচ্ছেন কি না, সেটি তাঁর বক্তব্য থেকে পরিষ্কার জানা যায়নি। তিনি আজ লন্ডনে বিদেশ ও কমনওয়েলথ কার্যালয়ে ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম হেগের সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দিচ্ছিলেন। কেরি বলেন, সিরিয়ার সব রাসায়নিক অস্ত্র আসাদ, তাঁর ভাই মাহের ও একজন বেনামি সেনাপতির কাছে সংরক্ষিত আছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আসাদ সরকারের রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের যেসব প্রমাণ যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের হাতে আছে, সেগুলোর সত্যতা নিয়ে তিনি মোটেই সন্দিহান নন। তবে ২০০৩ সালে ইরাকের ওপরে মার্কিন হামলার প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, এ নিয়ে যে সন্দেহ দানা বেঁধেছে, তার কারণ তিনি জানেন।
ইরাকের খনিজ সম্পদের দখল নিতে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রেরা পুরোপুরি মিথ্যাচার করে ২০০৩ সালে হামলা চালায় এবং কয়েক লাখ নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করে।


লন্ডনের সংবাদ সম্মেলনে ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম হেগ বলেন, কেরি তাঁকে বলেছেন, এত সব প্রমাণ থাকার পরও যদি সিরিয়ায় হামলা চালানো না হয়, তবে সিরিয়া উল্টো যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ওপরে হামলা চালাবে।
কেরি বলেছেন, ‘যদি আপনারা ইরান, হিজবুল্লাহ ও আসাদকে অভিনন্দন জানিয়ে কোনো বার্তা দিতে চান, “কিছু করবেন না” (সিরিয়াতে হামলা করবে না) এমনটা বলেই সেটা করতে পারেন। ... আমাদের মনে হয়, সেটি বিপজ্জনক এবং এখনই একটি অবস্থান নিতে না পারলে ভবিষ্যতে যেকোনো বিপদকে মাথা পেতে নিতে হবে।’
কেরি বলেন, ব্রিটিশ পার্লামেন্ট সিরিয়া আক্রমণের বিরুদ্ধে মত দিলেও ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অটুট রয়েছে।

Last modified on Monday, 10 March 2014 00:29