ঢাকা,শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০১৫, ২৯ ফাল্গুন ১৪২১, ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৬

অ্যাসাঞ্জ বিষয়ে ইকুয়েডরের সঙ্গে আলোচনায় যুক্তরাজ্যের আগ্রহ

Rate this item
(0 votes)

উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের লন্ডনের ইকুয়েডর দূতাবাসে অবস্থান নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতির কূটনৈতিক সমাধানের বিষয়ে যুক্তরাজ্য প্রতিশ্র“তিবদ্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে।

উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের লন্ডনের ইকুয়েডর দূতাবাসে অবস্থান নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতির কূটনৈতিক সমাধানের বিষয়ে যুক্তরাজ্য প্রতিশ্র“তিবদ্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে।

অ্যাসাঞ্জকে ঘিরে সৃষ্ট ঘোলাটে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দেশ’টির সা¤প্রতিক

পদক্ষেপের পর এ কথা জানালো যুক্তরাজ্য।

সুইডেনে হস্তান্তর ঠেকাতে দুইমাসেরও বেশি সময় ধরে লন্ডনের ইকুয়েডর দূতাবাসে আশ্রয় নিয়ে আছেন অ্যাসাঞ্জ। ধর্ষণ ও যৌন অসদাচরণের অভিযোগে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় সুইডেন। আর যুক্তরাজ্য অ্যাসাঞ্জকে সুইডেনের কাছে হস্তান্তর করতে চায়।

কিন্তু অ্যাসাঞ্জের ভয় সুইডেনের কাছে হস্তান্তর করা হলে তাকে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

গত বছর উইকিলিকস ওয়েবসাইটে যুক্তরাষ্ট্রের লাখ লাখ গোপন গোয়েন্দা নথি ফাঁস করে দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিরাগভাজন হন তিনি। বিচারের মুখোমুখি করে তাকে যুক্তরাষ্ট্র মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার গোপন পরিকল্পনা করেছে এমন আশঙ্কা করছেন অ্যাসাঞ্জ।

ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্টসহ অনেকেই তার এ আশঙ্কার সঙ্গে সহমত প্রকাশ করেছেন।

ইকুয়েডরের দূতবাসে আশ্রয় নেওয়া অ্যাসাঞ্জ দেশটিতে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করেছেন আর ইকুয়েডর স¤প্রতি তা মঞ্জুর করেছে। কিন্তু দূতাবাস থেকে বের হলেই অ্যাসাঞ্জকে গ্রেপ্তার করে সুইডেনে পাঠিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে যুক্তরাজ্য।

কূটনীতিক রীতিনীতি লঙ্ঘণ করে দূতাবাসে অভিযান চালিয়ে অ্যাসাঞ্জকে গ্রেপ্তার করার হুমকিও দিয়েছিল যুক্তরাজ্য।

শনিবার ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট রাফায়েল কোরেয়া জানিয়েছেন, ওই হুমকী প্রত্যাহার করে নিয়েছে যুক্তরাজ্য।

যুক্তরাজ্য জানিয়েছে, তারা কূটনীতিক রীতিনীতি লঙ্ঘণ করে দূতাবাসে অভিযান চালাবে না।

যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জানান, “আমরা আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ইকুয়েডর সরকারের সঙ্গে আবার আলোচনা শুরু করতে চাই।”

শুক্রবার অর্গানাইজেশন অব আমেরিকান স্ট্রেট (ওএএস) এর এক বৈঠকে উপস্থিত যুক্তরাজ্যের এক প্রতিনিধি ইকুয়েডরের সঙ্গে পুনরায় আলোচনা শুরু করার আগ্রহ প্রকাশ করার পর থেকে দু’দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা হ্রাস পায়।

ওএএস’র বৈঠকে ল্যাতিন আমেরিকার দেশগুলো যুক্তরাজ্যের হুমকিকে অগ্রহযোগ্য আখ্যা দিয়ে অ্যাসাঞ্জ বিষয়ে কোরেয়ার অবস্থানের প্রতি সমর্থন জানান।