ঢাকা,শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০১৫, ২৯ ফাল্গুন ১৪২১, ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৬

দুঃসময়ে বিবারের পাশে লেডি গাগা

Rate this item
(0 votes)

একের পর এক নেতিবাচক খবরের শিরোনাম হয়ে তুমুল জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী থেকে তুমুল বিতর্কিত তারকায় পরিণত হয়েছেন কানাডীয় পপগায়ক জাস্টিন বিবার। মাত্র কিছুদিন আগে গান থেকে অবসর নেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন মিডিয়ার ওপর তিতিবিরক্ত এ গায়ক। সম্প্রতি মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালানোর দায়ে গ্রেপ্তার ও জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তাঁকে নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। এ অবস্থায় তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন মার্কিন মুলুকের আরেক বিতর্কিত পপগায়িকা লেডি গাগা। তিনি তাঁর ভক্তদের অনুরোধ করেছেন বিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য।‘মনস্টার’খ্যাত মার্কিন পপগায়িকা লেডি গাগা তাঁর ভক্তদের ‘মনস্টার’ বলেই সম্বোধন করেন। আর বিবারের ভক্তরা পরিচিত ‘বিলিবার্স’ নামে। সম্প্রতি সামাজিক

যোগাযোগ রক্ষার একটি ওয়েবসাইটে গাগা লিখেছেন, ‘হে মনস্টারস, আমি জানি এখন সবাই জাস্টিনের গ্রেপ্তার নিয়ে অনেক কথাই বলছেন। নিজেদের মতো করে বিবারকে মূল্যায়ন করছেন তাঁরা। ইন্টারনেটে সবাই সবার নিজস্ব মতামত প্রকাশ করছেন এবং নিজেদের পক্ষেই সাফাই গাচ্ছেন।’গাগা লিখেছেন, ‘কিন্তু আমি মনে করি, বিলিবার্সদের প্রতি আমাদের সমর্থন থাকা উচিত। আর সব ভক্তের মতো বিলিবার্সদেরও এটাই প্রাপ্য। সবার সমর্থন পেলে জাস্টিন ও তাঁর ভক্তরা ভেঙে পড়বে না। সংগীতের মধ্য দিয়ে তাদের মধ্যে যে বন্ধন গড়ে উঠেছে, তা অটুট থাকবে।’ বিবার উল্টা-পাল্টা নানা কীর্তি ঘটালেও তাঁকে দোষারোপ করতে নারাজ ‘বর্ন দিস ওয়ে’ তারকা লেডি গাগা। এ প্রসঙ্গে তাঁর ভাষ্য, ‘এখন পর্যন্ত অনেক তারকাকেই বিতর্কিত নানা কার্যকলাপ করতে দেখেছি আমরা। তারকারা কেন এমন করেন তা হয়তো আমরা ঠিক বুঝে উঠতে পারি না। জাস্টিন ও বিলিবার্সরাও এমন অনেক কাণ্ড ঘটিয়েছেন, যা আমাদের বোধগম্য নয়। কিন্তু তার পরও তাঁদের দোষ দেওয়া যাবে না। কারণ এভাবেই তাঁদের জন্ম হয়েছে।’

লেডি গাগা তাঁর বার্তায় ভক্তদের উদ্দেশে আরও লিখেছেন, ‘চলো, আজ আমরা বিলিবার্সদের প্রতি সহানুভূতি আর ভালোবাসা ছড়িয়ে দিই। আমাদের সবারই এটা করা উচিত। আমরা কি বলতে পারি না, ‘‘মনস্টারস সাপোর্ট বিলিবার্স”?’

প্রসঙ্গত, ২৩ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সকালে মায়ামি বিচের রাস্তায় দুটি গাড়ির মধ্যে পাল্লা দিতে দেখা যায়। এর মধ্যে একটি ছিল লাল রঙের ফেরারি আর অন্যটি ছিল বিবারের হলুদ রঙের ল্যাম্বরগিনি। এ ঘটনায় বিবারকে গ্রেপ্তার করা হয়। মায়ামি বিচ পুলিশের মুখপাত্র সার্জেন্ট বরি হার্নান্দেজ জানান, গ্রেপ্তারের পর অ্যালকোহলের মাত্রা পরীক্ষায় উতরাতে পারেননি বিবার। মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালানোর দায়ে ‘টিন সেনসেশন’ বিবারকে মায়ামি-ডেড কান্ট্রি জেলে নিয়ে যাওয়া হয়।

মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালানোর অপরাধে সর্বোচ্চ শাস্তি ছয় মাসের জেল, ২৫০ থেকে ৫০০ ডলার পর্যন্ত জরিমানা এবং ৫০ ঘণ্টার কমিউনিটি সার্ভিস। অপরাধীর বয়স ২১ বছরের কম হলে ছয় মাসের জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিল হয়ে যায়। মায়ামিতে ২১ বছরের কম বয়সীদের মদ্যপানেরও অনুমতি নেই। তবে আইনের এসব মারপ্যাঁচে পড়তে হয়নি বিবারকে। আড়াই হাজার ডলার মুচলেকার বিনিময়ে বৃহস্পতিবারেই জামিনে মুক্তি পেয়ে যান ১৯ বছর বয়সী এই ‘বেবি’ তারকা।