ঢাকা,শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০১৫, ২৯ ফাল্গুন ১৪২১, ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৬

আমি অবশ্যই একটা সময়ে সন্তান চাই: সানি

Rate this item
(0 votes)

জনপ্রিয়তার উৎস বিগ বস
সানি লিওন পর্ণস্টার ছিলেন। সবারই জানা কথা। ভারতীয় বংশোদ্ভুত হলেও কানাডিয়ান তার জাতীয়তা। থাকতেন যুক্তরাষ্ট্রে। ভারতে তার প্রথম উপস্থিতি বিগ বস-৫’এ। সেটি ২০১১ সাল। ভারতে তার জনপ্রিয়তা নিয়ে সানি ক্রেডিট দিচ্ছেন রিয়ালিটি শো  বিগ বসকেই। “যদি বিগ বস- না হত, তবে আমি এভাবে ভারতীয়দের কাছে পরিচিত হতে পারতাম না। আমার মনে হয় এটা আমার জন্য বড় প্লাটফর্ম, যার কারণে আমি বলিউডে ঢুকতে পেরেছি। আমি যদি ভারতে বিগ বস প্রতিযোগী নয়, শুধুই সানি হয়ে আসতাম তবে এত অল্প সময়ে এতটা জনপ্রিয়তা পেতাম না।”

আমি একজন পাঞ্জাবী আর আমাদের খাবার ভালোবাসি
“আমি প্রচুর রান্না করি। আসলে সবরকমের অস্বাস্থ্যকর খাবার বাড়িতে রাধি। আমার স্বামী ডেনিয়েল সবসময় স্বাস্থ্যকর খাবারই রাধে। আমি আসলে সাধারণ খাবারই পছন্দ করি। আমি একজন পাঞ্জাবী, আমি আমাদের খাবার পছন্দ করি।”

ডেনিয়েল মেয়ে সন্তান চায়
“আমি অবশ্যই একটা সময়ে সন্তান চাই। ডেনি একটা মেয়ে সন্তান চায়। আর আমি চাই সন্তানটা যেন সুস্বাস্থ্যের অধিকারি হোক। হোক ছেলে বা মেয়ে। তবে আমি জানি না এটা কবে ঘটবে। আশা করা যায় খুব শিগগিরই। এই মূহুর্তে আমার জীবন যেভাবে চলছে তার জায়গায় অন্য কিছু ভাবতে পারছি না। তাই আপনারাও কখনো জানবেন না। হতে পারে আমি আড়ালে যাবো, একদিন ফিরবো একটা বাচ্চা নিয়ে। আমি তখন চিৎকার করে বলব, ‘আমার একটা বাচ্চা আছে, কেউ জানে না!’ হা হা হা।”

আফটার অল আমিও মানুষ
সানি লিওন যতই অভিনেত্রী হয়ে যান, তার অ্যাডাল্ট স্টার পরিচয় একদম মুছে যায়নি। সম্প্রতি অরিজিত সিং বলেছেন, রাগিনী এমএমএস টু-তে গাওয়া তার গানে সানি লিওনকে রাখায় তার খারাপ লেগেছে। ভবিষ্যতে তার গানে যেন সানি না থাকেন। এদিকে একটি শপিং মলে তার প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে হুমকি দিয়েছিল একটি হিন্দু মৌলবাদী গোষ্ঠি। এ বিষয়টি উত্থাপন করা হলে সানি লিওন বলেন, 'এমন খবরে আমি কিছু মনে করি না। আমি মনে করি এসবই গুজব। কারণ অরিজিত যদি তার গানে আমাকে না চান, বা তিনি যদি আগে থেকে না জেনে থাকেন, তবে কেন জ্যাকপট-এ গানটি গাইলেন? আমি আফটার অল একজন মানুষ। এরকম কিছু শুনলে আপনারও খারাপ লাগবে। তবে আমি আমার মাথায় কিছু যুক্তি ঢুকিয়ে নিয়েছি যে কেন মানুষ বলে আর তারা কী করে? এমন অনেক কিছুই বলে যা সত্য নয়। তাই আমি এসব মনে নেই না। আমি আমার পরিবার আর বন্ধুদের বলেছি তারা যেন আমাকে কোন নেতিবাচক আর্টিকেল না দেয়। শুধু ইতিবাচক খবরগুলোই দিতে বলেছি। এটা আমার জন্য সহজ পথ। আর আমাকে নিয়ে লেখাগুলো সম্পর্কে বলব- আমার মনে হয় কিছু না লেখার চেয়ে কিছু না কিছু লেখা-ই ভালো।”

সেক্সি ইমেজ হচ্ছে প্রচারণা কৌশল
তবুও তার অ্যাডাল্ট ফিল্ম তারকা ইমেজ বলিউডে ব্যবহার হয় কিনা বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে সানির জবাব, ‘হ্যাঁ। এটা সিনেমার জন্য একটা কৌশল। কিন্তু যখন মানুষ রাগিনি এমএমএস টু দেখবে অনেক ধরনের মিথ সুরাহা হবে। সিনেমাটায় শুধু যৌনতাই নাই, বরঞ্চ এটা সিনেমার খুবই ছোট একটা অংশ। এখানে দর্শক আমাকে অভিনয় করতে দেখবে, আশা করি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলাবে। তারা তখন অন্য কিছুর চেয়ে আমার অভিনয় দক্ষতা নিয়েই আমাকে বিচার করবে।

সিনেমা প্রযোজনায়
বলিউড সিনেমায় প্রযোজনায় আসার বিষয় নিয়ে সানি’র বক্তব্য, ‘এটা আমি আর আমার স্বামীর স্বাভাবিক বিষয়। আমার বয়স আঠার হওয়ার পর থেকেই নিজস্ব ব্যবসা আছে। আমার স্বামীও ইউনিভার্সিটি জীবন থেকেই ব্যবসায়ে। তাই এটা খুবই স্বাভাবিক। সে আমাকে বলেছে এখানে আমাদের একটা সিনেমা করতে হবে। এজন্য সময় দরকার। আমাদের পরিবেশন, মার্কেটিং, আর্থিক বিষয়াদি এসব জানতে হবে। কাজ শুরুর আগে এটা দরকার। অর্থের জন্যই তো ফিল্মে বিনিয়োগ করে। আমরাও সে লক্ষ্য নিয়েই এগোচ্ছি।