ঢাকা,শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০১৫, ২৯ ফাল্গুন ১৪২১, ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৬

সপ্তাহের শেষ দিনেও চাঙা পুঁজিবাজার

Rate this item
(0 votes)

ঢাকা, সেপ্টেম্বর ০৬ সরবরাহ কম থাকায় ভালো কিছু শেয়ারের দাম বেড়েছে বৃহস্পতিবার। ফলে চাঙাভাবেই সপ্তাহ শেষ করেছে শেয়ার বাজার।

পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞ মইন আল কাশেম বলেন, "শেয়ারের সরবরাহ কম থাকায় দাম বাড়ছে। পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলে বাজার স্থিতিশীল থাকতো। তবে চিন্তার কিছু নেই, স্বাভাবিক নিয়মেই বাজার সংশোধনী প্রক্রিয়ায় আসবে।"

কয়েকটি প্রতিষ্ঠান লভ্যাংশ তুলে নেওয়ায় দিনের শুরুতে শেয়ার সূচক কমলেও দিনের শেষভাগে বিক্রি বাড়ায় বাজার চাঙা হয়ে ওঠে।

ইকুইটি পার্টনার সিকিউরিটিজ এর শেয়ার বিশ্লেষক সাইফুল ইসলাম বলেন, "অনেক শেয়ারের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে, যা

আশঙ্কাজনক। মার্চেন্ট ব্যাংক ও মধ্যস্ততাকারীদের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে যারা বিনিয়োগ করছেন তাদের সতর্ক থাকা উচিত। সংশোধন প্রক্রিয়া শুরু হলে তারাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।"

বীমা ও ব্যাংক ছাড়া অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও মিউচুয়াল ফান্ড খাতের শেয়ারের দাম বৃহস্পতিবার বেড়েছে। লভ্যাংশ তুলে নেওয়ায় তথ্য প্রযুক্তি ও ব্যাংকিং খাতের শেয়ারের দাম কমেছে। সিমেন্ট ও ওষুধ খাতের অবস্থা ছিল মিশ্র।

দিনশেষে ডিজিইএন বা সাধারণ শেয়ার সূচক ১২ দশমিক ৯৩ পয়েন্ট বা এক দশমিক শতাংশ ৫০ বেড়ে ২৫৫৩ দশমিক ৯১ পয়েন্ট হয়।

এছাড়া ডিএসআই বা সার্বিক শেয়ার সূচক ৭ দশমিক ৭৮ পয়েন্ট বা দশমিক ৩৬ শতাংশ বেড়ে ২১২৭ দশমিক ১১ পয়েন্ট হয়।

এছাড়া, ডিএসই-২০ ব্লুচিপ শেয়ার সূচক ১৫ দশমিক ০২ পয়েন্ট বা দশমিক ৭৩ শতাংশ বেড়ে ২০৫৬ দশমিক ৪৩ পয়েন্ট হয়।

দিনশেষে ঢাকা স্টক এক্সেচেঞ্জে (ডিএসই) ১৬৭ কোটি টাকার ৭৯ লাখ ৯৪ হাজার ১৫৯টি শেয়ার লেনদেন হয়। ডিএসইতে ১১৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে, কমেছে ৭৩টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ১৮টির দাম।

সিএসই-৩০ সূচক ছাড়া চট্টগ্রাম স্টক এক্সেচেঞ্জে (সিএসই) সব শেয়ার সূচকই বৃহস্পতিবার ঊর্ধ্বমুখী ছিল।

এদিন সিএসইতে ২৩ কোটি ৩৩ লাখ ২০ হাজার টাকার ১৩ লাখ ৩৮ হাজার ৭১৬টি শেয়ার লেনদেন হয়। এই বাজারে ৫৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে, ৫০টির দাম কমেছে এবং ৭টির দাম অপরিবর্তিত ছিল।

ডিএসইতে লেনদেনের তালিকার শীর্ষে থাকা পাওয়ার গ্রিড কোম্পানির শেয়ারের দাম দশমিক ৭৫ শতাংশ কমে হয়েছে ৬৫৯ টাকা ২৫ পয়সা।

ব্র্যাক ব্যাংকের শেয়ারের দাম ৩ দশমিক ৫০ শতাংশ বেড়ে রেকর্ড ১১৮০ টাকা হয়। এর আগে প্রতিষ্ঠানটি এ বছরের জুন মাস পর্যন্ত ২১৬ কোটি ৯৫ লাখ টাকার নিট মুনাফার ঘোষণা করে।

ডেসকোর শেয়ারের দাম দশমিক ৪৮ শতাংশ বেড়ে ১১৪৬ টাকা হয়। সামিট পাওয়ারের শেয়ার এক দশমিক ৯২ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ১৩৫০ টাকা।

ইউসিবিএল এর শেয়ার ২ দশমিক ৯৬ শতাংশ বেড়ে ৪৪০৮ টাকা ৭৫ পয়সা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি এ বছরের জানুয়ারি-জুন সময়ে শেয়ার প্রতি ২২৮ টাকা ৯৬ পয়সা মুনাফা করে।

ডিএসইতে লাভবান প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রথমদিকে ছিল বিডি ওয়েল্ডিং, রূপালী ইন্সুরেন্স ও প্রগ্রেসিভ লাইফ ইন্সুরেন্স। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকায় শীর্ষে ছিল অগ্নি সিস্টেমস, আইডিএলসি ও ইনফরমেশন সার্ভিস নেটওয়ার্ক।

Last modified on Saturday, 08 March 2014 10:04