ঢাকা,শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০১৫, ২৯ ফাল্গুন ১৪২১, ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৬

Saturday, 01 March 2014 16:29

পুঁজিবাজারে ব্যাংকের সামষ্টিক বিনিয়োগ ৫০ শতাংশ

Rate this item
(0 votes)

ঢাকা: পুঁজিবাজারে ব্যাংক ও তার সহযোগী প্রতিষ্ঠানের সামষ্টিক বিনিয়োগ সীমা ৫০ শতাংশ বেঁধে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। নতুন সীমা অনুসারে নিজস্বভাবে আদায়কৃত মূলধন, শেয়ার প্রিমিয়াম, সংবিধিবদ্ধ সঞ্চিতি ও রিটেইন আর্নিংসের মোট পরিমাণের ৫০ শতাংশের বেশি হতে পারবে না। একই সঙ্গে যেসব ব্যাংকের বিনিয়োগ নির্ধারিত সীমার বেশি আছে তা ২০১৬ সালের ২১ জুলাই মধ্যে ক্রমান্বয়ে নামিয়ে আনার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের অফ-সাইট সুপারভিশন বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছে

এর আগে পুঁজিবাজারে ব্যাংকের নিজস্ব বিনিয়োগ মূলধনের (আদায়কৃত মূলধন, শেয়ার প্রিমিয়ামে রক্ষিত স্থিতি, সংবিধিবদ্ধ সঞ্চিতি ও রিটেইন্ড আর্নিংস) ২৫ শতাংশের মধ্যে নামিয়ে আনতে ২০১৬ সালের ২১ জুলাই পর্যন্ত সময় দেয়া আছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের।

 

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পুঁজিবাজারে কোনো ব্যাংক-কোম্পানির সামষ্টিক (কনসোলিডেটেড) ভিত্তিতে মোট বিনিয়োগের বাজারমূল্য সর্বশেষ নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণীতে উল্লেখিত সামষ্ঠিকভিত্তিতে আদায়কৃত মূলধন, শেয়ার প্রিমিয়াম হিসাবে রক্ষিত স্থিতি, সংবিধিবদ্ধ সঞ্চিতি ও রিটেইন আর্নিংসের মোট পরিমাণের ৫০ শতাংশের বেশি হবে না।    

প্রজ্ঞাপনে সামষ্টিকভিত্তিতে মোট বিনিয়োগ হিসাবায়নে কয়েকটি উপাদান উল্লেখ করা হয়েছে। সে হিসেবে সহযোগী প্রতিষ্ঠানের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের উদ্দেশে গঠিত কোনো প্রকার তহবিলে প্রদত্ত্ব চাঁদা, সহযোগী প্রতিষ্ঠানের ধারণকৃত সব প্রকার শেয়ার, ডিবেঞ্চার, করপোরেট বন্ড, মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিট এবং অন্যান্য পুঁজিবাজার নিদর্শনপত্রের বাজারমূল্য অন্তর্ভুক্ত হবে। এছাড়া সহযোগী কোম্পানি বা কোম্পানিগুলোর গ্রাহককে প্রদত্ত মার্জিন ঋণের স্থিতি, ভবিষ্যৎ মূলধন প্রবাহ বা শেয়ার ইস্যুর বিপরীতে সহযোগী প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন কোম্পানিকে দেয়া ব্রিজ লোন ব্যাংকের সামষ্টিক বিনিয়োগে আনতে হবে।

তবে ব্যাংকের নিজস্ব সহযোগী প্রতিষ্ঠানকে প্রদত্ত মূলধনের বিপরীতে ধারণকৃত ইক্যুইটি শেয়ার সামষ্টিক মোট বিনিয়োগে অন্তর্ভুক্ত হবে না।

প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়েছে, পুঁজিবাজারে ব্যাংক-কোম্পানির সামষ্টিক ভিত্তিতে বিনিয়োগের মোট পরিমাণ বাংলাদেশ ব্যাংকে দাখিল করতে হবে। এক্ষেত্রে সামষ্টিক ও এককভাবে বিবরণী তৈরিতে সংশোধিত ছক অনুসরণের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।  

সংশোধিত ব্যাংক-কোম্পানি আইন অনুসারে কোনো ব্যাংক তাদের আদায়কৃত মূলধন, শেয়ার প্রিমিয়াম, সংবিধিবদ্ধ সঞ্চিতি, রিটেইন আর্নিংয়ের (টিয়ার-১ মূলধন) মোট পরিমাণের ২৫ শতাংশের বেশি পঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে পারে না। এছাড়া বিভিন্ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান খুলে ব্যাংকগুলো পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করে থাকে। তবে বিনিয়োগের মোট পরিমাণ টিয়ার-১ মূলধনের ৫০ শতাংশের বেশি হবে না, এটাই স্পষ্ট করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।