ঢাকা,শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০১৫, ২৯ ফাল্গুন ১৪২১, ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৬

পোশাক রপ্তানি আদেশ ৩৫ শতাংশ কমে গেছে

Rate this item
(0 votes)

দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাক শিল্প বড় ধরনের সঙ্কটের মুখে পড়েছে। গত বছরের তুলনায় চলতি বছরের এ সময়ে রপ্তানি আদেশ (অর্ডার) ৩৫ শতাংশ কমে গেছে। আর এ কারণে ২০০৭-০৮ অর্থবছরের ১২ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে না বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন পোশাক শিল্প মালিকরা।

শনিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ

বলেন, "রপ্তানি আদেশ কমে যাওয়ায় আমরা খুবই উদ্বিগ্ন। হিসাব করে দেখা গেছে, ২০০৬ সালের তুলনায় ২০০৭ সালে এই সময়ে পোশাক কারখানাগুলোতে ৩৫ শতাংশ রপ্তানি আদেশ কমে গেছে।"

গত অর্থ বছরের মাঝামাঝি সময়ে কারখানাগুলোতে শ্রমিক অসন্তোষ এবং শেষ দিকে অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে এই অর্ডার কমেছে বলে বিজিএমইএ সভাপতি দাবি করেন। আর এ কারণে অনেক কারখানার মালিক তাদের শ্রমিকদের আগামী তিন মাসের তিনটি বেতন এবং দুটি বোনাস দিতে পারবেন কিনা- তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় শ্রমিকদের বেতন-বোনাস দেওয়ার জন্য বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে কারখানা মালিকদের ছয় মাসের জন্য সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা করতে সরকারের কাছে দাবি জানান তিনি।

পোশাক শিল্পের বর্তমান সঙ্কট মোকাবিলার জন্য এ শিল্পকে থ্রাস্ট সেক্টর ঘোষণা এবং আলাদা একটি মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি জানিয়ে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, "বর্তমানে বিশ্বে গার্মেন্টস ও টেক্সটাইল শিল্পের পাঁচশ' বিলিয়ন ডলারের বাজার রয়েছে। আমরা যদি বিশ্ব বাজারের মাত্র চার শতাংশও দখল করতে পারি, তাহলেও পোশাক শিল্পের রপ্তানি ২০ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। আগামী ১০ বছরে এ শিল্প থেকে ৫০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয় অর্জন করাও অসম্ভব কিছু নয়। সে সঙ্গে আরও এক কোটি শ্রমিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। কিন্তু এ জন্য সরকারের বিভিন্ন ধরনের নীতিগত সহযোগিতা খুবই প্রয়োজন।''

তিনি বলেন, "সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে পোশাক শিল্পকে কাজ করতে হয়। এ কারণে অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে অযথা সময় ক্ষেপন হয়। অথচ পাট মন্ত্রণালয়ের মতো পোশাক শিল্পের জন্য পৃথক একটি মন্ত্রণালয় থাকলে যে কোনো ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ খুবই সহজ হতো। আমাদেরও এক মন্ত্রণালয় থেকে আরেক মন্ত্রণালয়ে দোড়াদৌড়ি করতে হতো না।''

এক প্রশ্নের উত্তরে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, ''আমেরিকা ও ইউরোপের বাজারে চীনের পোশাক রপ্তানি উন্মুক্ত হয়ে গেলে বাংলাদেশ তেমন ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। কেননা আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের যথেষ্ট সুনাম রয়েছে। সবাই জানে বাংলাদেশ ভালো পোশাক রপ্তানি করে। আমরা চীনকে ভয় পাই না। কিন্তু এ সুনাম অক্ষুণ

Last modified on Monday, 10 March 2014 01:29