ঢাকা,শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০১৫, ২৯ ফাল্গুন ১৪২১, ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৬

Thursday, 06 March 2014 15:42

জিএসপি ইস্যুতে চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে

Rate this item
(0 votes)

ঢাকা: যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের অগ্রাধিকার সুবিধা (জিএসপি) ইস্যুতে আরো কিছু চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজিনা।

বুধবার বাণিজ্যন্ত্রণালয়ে জিএসপি সুবিধা ফিরে পেতে যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া অ্যাকশন প্ল্যান বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনায় গঠিত ‘থ্রি প্লাস ফাইভ’ কমিটির বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান।

মজিনা বলেন, ‘জিএসপি সুবিধা ফিরে পাওয়ার ক্ষেত্রে ইপিজেডের একটি পূর্ণাঙ্গ শ্রম আইন প্রণয়নসহ

আরো কিছু চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।’

তিনি বলেন, ‘বৈঠকে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের কারখানাগুলোকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উন্নীত করা, কারখানা ভবন ও অগ্নি নিরাপত্তা, শ্রমিক অধিকার ইত্যাদি বিষয় নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ আলোচনা হয়েছে।’   

রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘জিএসপি সুবিধা ফিরে পাওয়ার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা গত বছর জুলাইয়ে একটি অ্যাকশন প্ল্যান দিয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে জেনেভা থেকেও একটি অ্যাকশন প্ল্যান দেয়া হয়। এগুলো বাস্তবায়নের বিষয়ে আগামী ১৫ এপ্রিলের মধ্যে বাংলাদেশকে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। তবে এই কমিটি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশ বিশ্বের একটি গ্রহণযোগ্য ব্র্যান্ডে পরিণত হবে।’

অ্যাকশন প্ল্যান বাস্তবায়নের অগ্রগতির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘জিএসপি সুবিধা ফিরে পেতে আরো কিছু চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে, যেগুলো এখনো সম্পূর্ণ হয়নি।’

এসময় বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের শর্তগুলোর মধ্যে ১৩টি আমরা পূরণ করেছি। বাকি তিনটি মার্চের মধ্যে পূরণ করবো এবং ১৫ এপ্রিলের মধ্যে শুনানির জন্য পাঠানো হবে।’  

তিনি জানান, বাকি শর্তগুলো হলো- শ্রমিকদের ডাটাবেজ তৈরি, শ্রম অধিদপ্তরের আওতায় ২০০ পরিদর্শক নিয়োগ ও ইপিজেড শ্রম আইনের সঙ্গে জাতীয় শ্রম আইনের মিল রেখে প্রণয়ন।

প্রসঙ্গক্রমে মজিনা বলেন, ‘২৪ এপ্রিল একটি ক্রিটিক্যাল ডে। ওইদিন রানাপ্লাজা ধসের এক বছর পূর্তি হবে। সেদিন যা ঘটেছিল সেটা এখনো সবার মনে গেঁথে আছে।’

ইপিজেডে ট্রেড ইউনিয়ন প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘জাতীয় শ্রম আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ইপিজেডের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ আইন প্রণয়ন করা দরকার।’

বাণিজ্য সচিব মাহবুব আহমেদের সভাপতিত্বে বৈঠকে পররাষ্ট্র সচিব মো. শহিদুল হক, শ্রম মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, ঢাকাস্থ নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত গারবেন ডি জং, ঢাকাস্থ ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম হান্না, কানাডার রাষ্ট্রদূত হিদার ক্রুডেন ও স্পেনিশ রাষ্ট্রদূত লুই তেহেদা, আইএলও প্রতিনিধি শ্রীনিবাস রেড্ডি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Last modified on Monday, 10 March 2014 00:56