ঢাকা,শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০১৫, ২৯ ফাল্গুন ১৪২১, ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৬

অনলাইন ডেস্ক

যতই চাপ দেওয়া হোক, রাজনীতি ছাড়বো না: হাসিনা

কারাবন্দি আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যতই চাপ দেওয়া হোক রাজনীতি থেকে তাকে কেউ সরাতে পারবে না। রোববার মিগ-২৯ দুর্নীতি মামলায় সংসদ ভবনে স্থাপিত ঢাকা বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতে আইনজীবীদের তিনি একথা বলেন।

ঢাকা, এপ্রিল ২৭ কারাবন্দি আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন,

ঐক্যবদ্ধ হয়েই জামায়াতকে মোকাবেলা

জামায়াত ইদানিং যে ধরনের কাণ্ডকীর্তি করছে বা যে তাণ্ডব চালাচ্ছে তা মোটেই সহ্য করার মতো নয়। হরতাল ডাকার পরপরই তারা নানা ধ্বংসাত্মক কাজকর্ম শুরু করে দিয়েছে। এসব একেবারে অগ্রহণযোগ্য।

আমার কথা হল, জামায়াত তো এ দেশের দল নয়। আমরা ভুলে যাইনি একাত্তরের কথা। সে সময় ওরা আমাদের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, বাংলাদেশ নামের রাষ্ট্রটি গঠিত হোক এটা ওরা চায়নি। তাই এদেশের সাধারণ মানুষের ওপর নৃশংস আচরণ করতে পাকিস্তানি বাহিনিকে সর্বাত্মক সহায়তা করেছিল ওরা। হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট,

ঘরোয়া রাজনীতি শুরু হলে দুর্বৃত্তরা সুযোগ পাবে: মইনুল

আইন উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন বলেছেন, "ঘরোয়া রাজনীতি শুরুর অনুমতির ব্যাপারে এ মুহূর্তে চিন্তা করছে না সরকার। এটি করা হলে রাজনৈতিক দুর্বৃত্তদের সুবিধা করে দেওয়া হবে"। ঘরোয়া রাজনীতি চালুর বিষয়ে বিদায়ী মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্যাট্রিসিয়া বিউটেনিসের বক্তব্যের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে আইন উপদেষ্টা বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। তথ্য মন্ত্রণালয়ের নিজ কক্ষে উপদেষ্টা আরও বলেন,

হাসিনার প্রশ্ন: কেউ কেউ রাজনীতি করছেন, এই দ্বৈতনীতি কেন?

সরকার কাউকে কাউকে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়ে দ্বৈতনীতি চালাচ্ছে অভিযোগ করে শেখ হাসিনা জরুরি অবস্থা তুলে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, "একদিকে রাজনীতির ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, অন্যদিকে সংস্কার প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে। কেউ কেউ রাজনীতি করছে। সরকারের এই দ্বৈতনীতি কেন?"

ঘরোয়া রাজনীতি চালুর সিদ্ধান্তকে সতর্ক স্বাগত জানিয়েছেন দেশব্যাপী নেতারা

ঘরোয়া রাজনীতির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের জেলা পর্যায়ের নেতারা। তবে অনেকেই শর্তাধীন না রেখে রাজনীতির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি প্রত্যাহার এবং জরুরি অবস্থা সম্পূর্ণ তুলে নিয়ে স্বাভাবিক পরিবেশে নির্বাচনের দাবি করেছেন।

শর্ত দিয়ে ঘরোয়া রাজনীতি উন্মুক্ত হয়নি: মইনুল

শর্ত দিয়ে ঘরোয়া রাজনীতি উন্মুক্ত করা হয়নি বলে জানিয়েছেন আইন ও তথ্য উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন। শুধু ঢাকা মহানগরীতেই ঘরোয়া রাজনীতি চালুর বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্তের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিভাগীয় পর্যায়ে রাজনীতি করার সময় এখনও আসেনি। তথ্য উপদেষ্টা সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, "আমরা কোনও শর্ত দিয়ে ঘরোয়া রাজনীতি চালু করিনি। আমরা শুধু সংজ্ঞা ও ব্যাখ্যা দিয়েছি মাত্র।"

১৯০০ সালের লোকজন কিভাবে ওজন কমাতো জানেন?

সৌন্দর্য চর্চায় কত কিছুই না করে থাকে সবাই। চেহারায় একটু লাবণ্য, আকর্ষণীয় ও উজ্জ্বল ভাব আনার জন্য কতই না কষ্ট করে থাকি। আবার চেহারার বয়সের ছাপ এবং বাড়তি ওজন দূর করার জন্য অনেক ধরনের ট্রিটমেন্ট করা হয়। এমনকি ছুরি-কাঁচির নিচে যেতেও দ্বিধা বোধ করেন না অনেকে। সেই প্রাচীন কাল থেকেই একটু সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য আবিস্কার হয়েছে নানান ধরনের সৌন্দর্য চিকিৎসা। এদের মধ্যে কিছু কিছু অনেক লোকপ্রিয়তা পেয়েছে আবার অনেকগুলো জঘন্য হিসেবে আখ্যায়িত হয়েছে। সেরকমই কিছু অদ্ভুত জঘন্য কিছু সৌন্দর্য চিকিৎসা নিয়ে আমাদের আজকের এই লেখা।

জীবন্ত শামুকের ফেসিয়াল

না শুনে অনেকের গা ঘিন ঘিন করতে পারে। কিন্তু জাপানের বিউটশিয়ানদের আবিষ্কৃত এই সৌন্দর্য চিকিৎসা পেয়েছিল অনেক লোকপ্রিয়তা। এই ফেসিয়াল পদ্ধতিতে মুখের ওপর ছেড়ে দেয়া হয় কিছু জীবিত শামুক। জীবিত শামুকগুলো ঘুরে বেরায় পুরো মুখ জুরে। বলা হয় শামুকের নিচের অংশ যা দিয়ে তারা হাটে তা পেচ্ছল মিউকাস নিঃসরণ করে। এবং এই মিউকাস অনেক বেশি মাত্রায় প্রোটিন সমৃদ্ধ। মুখের ওপরে ঘুরে বেড়ানোর সময় শামুকের এই প্রোটিন সমৃদ্ধ মিউকাস মুখে লাগে যা ত্বকের বয়সের ছাপ জনিত রিংকেল দূর করে। যদিও এখন ধরা হয় এটি তেমন কার্যকরী নয়।

ফিতাকৃমি ডায়েট

একটু বাড়তি ওজন কমানোর জন্য নানান ধরনের কাজের মধ্যে ডায়েটটাকেই বেশি গুরুত্ব দেন অনেকে। ১৯০০ সালের লোকজন কিভাবে ওজন কমাতো জানেন? এই ফিতাকৃমি ডায়েটের মাধ্যমে। কি? চোখ কপালে উঠে গেছে? হ্যাঁ, কথা সত্যি। একসময় এই ডায়েটিং করে অনেকেই কমিয়েছিলেন ওজন। কিন্তু এই ডায়েটিং এর ফলে মেনিনজাইটিস ও এপিলেপ্সি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যায় বলে এখন এটি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ।

ভ্যাম্পায়ার ফেসিয়াল

নাম শুনে অবাক হচ্ছেন? ভাবছেন এটা আবার কি ধরনের ফেসিয়াল? ভ্যাম্পায়ার যেহেতু অবশ্যই এখানে রক্ত সম্পর্কিত কিছু রয়েছে। জি হ্যাঁ, এই ফেসিয়াল মাস্কটি তৈরি করা হয় রক্তের মাধ্যমে। যে এই ফেসিয়াল করাবেন তাকেই ফেসিয়াল তৈরির জন্য দিতে হবে খানিকটা রক্ত। সেজন্যই এর নাম ভ্যাম্পায়ার ফেসিয়াল। রক্ত দিয়ে তৈরি এই ফেসিয়াল ত্বকের দাগ, মেছতা ও বয়সজনিত রিংকেল দূর করতে অনেক বেশি কার্যকরী। রক্তের প্লাজমায় রয়েছে প্লেটেলেট যা ত্বক থেকে এইসব দাগ ও রিংকেল দূর করতে সাহায্য করে।

ফেইসওয়েভার এক্সারসাইজ মাস্ক

বয়স্কদের মুখের চামড়া ঝুলে পড়ার হাত থেকে বাঁচাবার জন্য জাপানিরা এই মাস্কটি আবিস্কার করেন। ব্যাপারটি তেমন কিছুই নয়। এটি জাপানিজ প্রক্রিয়ায় তৈরি একটি বিশেষ প্রজাতির রাবারের মাস্ক। এই মাস্কটি মুখে পরে থাকতে হয় ৫ থেকে ১০ মিনিট। এবং মুখে পরে থাকার সময় আপনাকে গাইতে হবে গান। মুখের এক্সসারসাইজ করে মুখের রিংকেল ও চামড়া ঝুলে পড়ার হাত থেকে বাচতে অনেকেই কিনে ব্যবহার করেন এই মাস্কটি।