ঢাকা,শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০১৫, ২৯ ফাল্গুন ১৪২১, ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৬

Tuesday, 30 September 2014 13:34

জজ মিয়া সাক্ষ্য দিচ্ছেন

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় বহুল আলোচিত জজ মিয়ার সাক্ষ্য শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার বেলা ১২টা ১০ মিনিটে ঢাকার এক নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন তার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু করেন।

গত ২২ সেপ্টেম্বর শুরু হয় জজ মিয়ার বোন খোরশেদা খাতুনের সাক্ষ্য গ্রহণ। আজ মঙ্গলবার তার জেরা শেষ হওয়ার পরেই শুরু হয় জজ মিয়ার সাক্ষ্য।

এর আগে ১০২ নম্বর সাক্ষী হিসেবে জজ মিয়ার মা জোবেদা খাতুন গত ৮, ১০, ১৪ ও ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সাক্ষ্য দেন।

২০০৫ সালের ৯ জুন জজ মিয়াকে তার গ্রামের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে সিআইডি। ১০ জুন থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত এ মামলায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর ২৬ জুন তাকে দিয়ে স্বীকারোক্তি করানো হয়। যেখানে জজ মিয়া প্রত্যক্ষভাবে ২১ আগস্ট গ্রেনড হামলায় জড়িত ছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়েছিল।

 

মামলাটিতে মোট সাক্ষী রয়েছেন ৫৮২ জন। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমানসহ আসামি রয়েছে ৫২ জন।

 

মামলায় খালেদা জিয়ার ভাগ্নে লে. কমান্ডার (অব.) সাইফুল ইসলাম ডিউক, সাবেক আইজিপি মো. আশরাফুল হুদা, শহিদুল হক ও খোদা বক্স চৌধুরী এবং মামলাটির তিন তদন্ত কর্মকর্তা সাবেক বিশেষ পুলিশ সুপার রুহুল আমিন, সিআইডির সিনিয়র এএসপি মুন্সি আতিকুর রহমান, এএসপি আব্দুর রশীদ ও সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার আরিফুল ইসলাম জামিনে আছেন।

 

অন্যদিকে সাবেক মন্ত্রী জামায়াত নেতা আলী আহসান মুহাম্মাদ মুজাহিদ, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টু, হুজি নেতা মুফতি আবদুল হান্নানসহ ২৫ জন কারাগারে রয়েছেন।

 

বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, কাজী শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন কায়কোবাদসহ ১৯ জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

 

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জনসভায় গ্রেনেড হামলায় আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমানসহ ২৪ জনের নির্মম মৃত্যু হয়। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেও শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয় তার।