ঢাকা,শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০১৫, ২৯ ফাল্গুন ১৪২১, ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৬

Friday, 19 September 2014 09:30

যে কোনো দিন হতে পারে কামারুজ্জামানের আপিলের রায় Featured

ঢাকা, ১৮ সেপ্টেম্বর- জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ কামারুজ্জামানের আপিলের রায় যে কোনো দিন ঘোষণা করা হবে। মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ট্রাইব্যুনালে মৃতুদণ্ড পাওয়ার পর তিনি উচ্চ আদালতে আপিল করেছিলেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ বুধবার মামলাটির রায় যে কোনো দিন ঘোষণা করা হবে মর্মে সিএভিতে রেখে দেয়।

বেঞ্চের অপর তিন বিচারপতিরা হলেন বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী। আদালতে বুধবার রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে যুক্তি উপস্থাপন শেষ করেন। এরপর আসামিপক্ষে অ্যাডভোকেট এস এম শাহজাহান পাল্টা যুক্তি উপস্থাপন করেন। ‍উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত মামলাটি সিএভিতে রেখে দেয়। একই সঙ্গে উভয়পক্ষকে প্রয়োজনীয় লিখিত আর্গুমেন্ট দাখিল করতে আদেশ দেয়া হয়। আদালত থেকে বের হয়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এস এম শাহজাহান বলেন, প্রসিকিউশন তাদর সাক্ষ্যপ্রমাণ দিয়ে কোনো অভিযোগ নির্ভরযোগ্যভাবে প্রমাণ করতে পারেনি। তিনি বলেন, আমরা উচ্চ আদালতে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করি। আমরা আশা করি ন্যায়বিচারের মাধ্যমে কামারুজ্জামান খালাস পাবেন। গত ৯ সেপ্টেম্বর কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে যুক্তি উপস্থাপন শুরু করে রাষ্ট্রপক্ষ। আদালতে কামারুজ্জামানের পক্ষে আইনজীবী এসএম শাহ জাহান ও অ্যাডভোকেট শিশির মো. মুনির উপস্থিত ছিলেন। গত ১৮ মে থেকে কামারুজ্জামানের মামলার আপিল শুনানি শুরু হয়। মানবতাবিরোধী অপরাধে আপিল বিভাগে কামারুজ্জামানের মামলার শুনানির জন্য একটি বিশেষ বেঞ্চ গঠন করা হয়। এর আগে আব্দুল কাদের মোল্লা ও মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলায় প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ শুনানি গ্রহণ করেছেন। গত বছরের ৬ জুন ট্রাইব্যুনাল-২ এর দেওয়া ফাঁসির আদেশ থেকে খালাস চেয়ে আপিল করেন কামারুজ্জামান। আপিলে ২৫৬৪টি মূল ডকুমেন্ট, ১২৪টি গ্রাউন্ডসহ সর্বমোট ১০৫ পৃষ্ঠার ডকুমেন্ট জমা দেয়া হয়েছে। গত ৯ মে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার রায় ঘোষণা করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। তার বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের আনা ৭টি অভিযোগের মধ্যে ৫টিই সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ হওয়ায় এ রায় ঘোষণা করেন ট্রাইব্যুনাল। এ ছাড়া বাকি দুটি অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি মর্মে তাকে খালাস দেয়া হয়।