ঢাকা,শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০১৫, ২৯ ফাল্গুন ১৪২১, ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৬

Wednesday, 23 April 2014 12:55

ঢাবি ক্যাম্পাসে জায়ান্ট মিলিবাগ

গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেও ছড়িয়ে পড়েছে জায়ান্ট মিলিবাগ পোকা। বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনসহ আবাসিক হলগুলোতেও দেখা যাচ্ছে এই পোকা। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে দুশ্চিন্তা কাজ করলেও প্রাণী বিজ্ঞানীরা জানালেন এ নিয়ে উদ্বেগের কিছুই নেই।

গার্হস্থ অর্থনীতি কলেজের পর এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেও শুরু হয়েছে জায়ান্ট মিলিবাগ পোকার উপদ্রপ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউট আই.ই.আর. এর সামনের রেইনট্রি গাছটিতেই পোকার উপদ্রপ সবচেয়ে বেশী। এছাড়া আই.ই.আর সংলগ্ন বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরী স্কুল, মুহসীন হল, বঙ্গবন্ধু হল ও শামসুন্নাহার হলেও ছড়িয়ে পড়ছে এই পোকা। এ নিয়ে উৎকন্ঠা কাজ করছে শিক্ষার্থীদের মাঝে।

আফ্রিকায় জন্ম নেয়া এই পোকা নিয়ে গবেষণা করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থীরা। তারা জানান, প্রতিটি পোকা গড়ে দু'শ থেকে আড়াইশো ডিম দেয়ার ফলে দ্রুত এর বংশ বিস্তার ঘটছে। তবে, এ নিয়ে শংকার কিছু নেই বলে জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোঃ মোকসেদ আলী হাওলাদার। তিনি বলেন, অতিরিক্ত গরম এবং অনাবৃষ্টির কারণে এই পোকার বংশ বিস্তার খুব তাড়াতাড়ি হয়েছে। আর এ পোকা অল্প সময়ে ডিম পাড়ে, যে কারণে খুব তাড়াতাড়ি বংশ বিস্তার হচ্ছে বলেও জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, এ পোকা খাদ্য হিসেবে বড় গাছ কেই বেছে নেয়। এ কারণে অনেক ফলজ ও ঔষধি গাছের ক্ষতি হতে পারে বলে জানালেন তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য জানালেন পোকা নিধনে জরুরী ব্যবস্থা নেয়ার কথা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, প্রাণীবিদরা জানিয়েছেন বৃষ্টি হলেই এ পোকার বংশ বিস্তার হবে না। তিনি বলেন, যে গাছে এ পোকা আছে, পানি দিয়ে তা নামিয়ে ফেলা সম্ভব এবং গর্ত করে মাটিতে পুতে ফেললেই এ পোকা থেকে রেহাই পাওয়া যাবে।

এর আগে গার্হস্থ অর্থনীতি কলেজে পোকা আতঙ্কে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত কলেজ বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

Last modified on Wednesday, 23 April 2014 13:24